হাত ধুয়ে চেয়ার টেনে দাড়ালাম আপু ও দাড়িয়ে থাকতে বললো ব্যাস দেখি আপুর হাতে লুঙ্গি টা নিয়ে আমার কাছে আসলো আর বললো এটা ভালো করে পরে আসো আমি ও নিয়ে আমার রুমে চলে আসলাম আপু বললো আমি হাজামকে দেখে আসছি আমি রেড়ি হয়ে গেলাম আপু আর আম্মু আমার দুই পাশে হাত ধরে আদর করতে করতে আর বোঝাতে বোঝাতে হাজামের রুমের গেটের কাছে আনলো আমি ও পদদা ফাঁক করে ভেতরে ঢুকে পড়লাম আর আপু ও হাজামকে বললো এ-ই যে ও-ই নেন আর বললো খুব ভালো করে, করে দিবেন আর আমাকে সালাম দিতে বললো আমি ও সালাম দিলাম ওদিকে আব্বু ও বসে আছে আর হাজাম আমার কাছে এসে আমার হাত ধরলো আর হাজামের সহযোগী আমার একেবারে পেছনে এসে দাঁড়ালো আর পেছন থেকে সহযোগী আমার দুই হাত উঁচু করে দিলো আর হাজাম আমার শাট গুটিয়ে দিলো আর গিটঠু দিয়ে দিল তার পড় ই আমাকে বসালো হাজাম ও আমার মুখোমুখি বসে পড়লো আর তার দুই পা অনেক ফাঁক করে দিলো আর আমি দুই পা ভাজ করে বসে আছি হাজাম খুব অস্থির হয়ে যায় আমাকে মুসলমানি করার জন্য হঠাৎ পেছনে সহযোগী বসেই আমাকে ধরলো আর হাজাম আমার দুই হাত দুই পায়ের হাটুুর নিচে দিয়ে আটকালো আর পেছনে থেকে দুই হাত খুব শক্ত করে ধরে বসে রইলো হাজাম আমার লুঙ্গি টা সরিয়ে সব টুকু ফাঁক করে দেয় আর নুনু টা ও সম্পুর্ন বের হয়ে যায় আমিও তাকালাম নুনুর দিকে হাজাম নুনু ধরলো আমি খুব লজ্জা পেলাম আর ফুটিয়ে দিলো মাথা টা বের হয়ে গেছে
আমি তো লজ্জায় আমার দুই চোখ বন্ধ করে দিলাম হঠাৎ চোখ খুলতেই দেখি হাজাম আমার নুনুর চামড়া ভেতর দিয়ে একটা কাঠি ঢুকিয়ে ঘুরান দিলো আর হাজাম আমার দিকে তাকিয়ে বললো উপর দিকে তাকাতে আমি তাকাই খুব জোরে টান দেয় তখন আমি ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে দেখি কাঠিটা বাইরে আর নুনু টা ও অনেক চামড়া সহ ঝুলে আছে আর ওমনি হাজাম তাড়াতাড়ি করে নুনুর চামড়া টা ধরে রাখে আঙুল দিয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখে আর আরো কিছু ভিতরে আসতে থাকে নুনু ও বেশ টান টান হয়ে গেছে আর অনেক চামড়া হাজামের আঙুলের ভেতর যাক হঠাৎ করে হাজাম কে দেখি কনচি টা পড়ানোর চেষ্টা করছে এবং পড়িয়ে ফেলে আর আমি তো কান্না কাটি শুরু করি হাজাম তবুও থামে নাই সে কনচি টা পড়িয়ে ঠিকঠাক করতে থাকে আর আমার দিকে তাকিয়ে বললো উপর দিকে তাকাতে আমি তাকাই কিন্তু খুব ব্যাথা করছে আমিও শব্দ করে কাঁদতে থাকি আর হাজাম কলেমা পড়তে বলে ওদিকে আব্বু ও হাজামের সাথে কলেমা পড়তে বলে আর সহযোগী ও বলছে এ-ই তো হয়ে গেছে হয়ে গেছে যাক আমি কলেমা পড়া শুরু করি একবার পড়া হয়ে গেছে আরও একবার অধেক পড়তেই কি একটা ভিষন জন্তুনা নুনুতে শুরু হলো আর আমি ও খুব জোরে চিৎকার দিয়ে দেখি হাজাম একটা কাঠিতে করে চামড়া টা ঝুলিয়ে নিয়ে ফ্লোরে রেখে দিলো আর নুনু টা সম্পুর্ন ফুটে গেল আমার তো অনেক কান্না কাটি শুরু করি হাজাম ও সহযোগী কে বললো আরো শক্ত করে ধরতে সে তাই করলো এদিকে আমার নুনু টা নড়েচড়ে উঠে আর হাজাম ও ওমনি করে তার দুই আঙুল দিয়ে চিমটির মতো করে নুনুর মাথা টা ধরে রাখে অনেক সময় তারপর কাপড় দিয়ে পেঁচাতে থাকে কালো রঙের কাপড় পেঁচানো শেষ হাজাম সরে বসলো আর সহযোগী আমাকে উঁচু করে ধরে রেখে খাটের উপর শুয়িয়ে দিলো আর হাজাম ও ওঠে আসলো আর তারা দুই জন ই আমাকে ঠিকঠাক করে বালিশ ওপর মাথা দিয়ে টান টান করে শুয়িয়ে দিলো আর আমি তো কান্না কাটি করতে থাকি তারপর হাজাম আব্বুর পাশে বসলো কথা বলা শুরু করে এদিকে আমি খুব কান্না কাটি করতে থাকি আর হাজাম আব্বু কে বললো খুব ভালো করে মুসলমানি করে দিছি মানে ভালো হয়েছে আর আপু আর আম্মু কে হাজাম চামড়ার টুকরো টা দিয়ে দিলো আর সহযোগী আমার একেবারে কাছে এসে হঠাৎ আমার নুনু তে খুব জোরে জোরে চাম দেয় আমিও আবার চিৎকার দিয়ে ওঠি যাক হাজাদের নাস্তা দেওয়া হলো আর আব্বু ও ভেতর থেকে টাকা নিয়ে হাজামকে দিলো আর হাজাম আমার দিকে তাকলো আর নুনুর দিকে তাকিয়ে হেসে দিলো আর আমি ও খুব কাদছি তারপর তারা চলে গেলো আর এদিকে আপু ও হাত পাখা দিয়ে নুনুতে বাতাস করতে লাগলো আর আম্মু ও চাল ভাজা নিয়ে আসলো আর মাথায় আদর করতে লাগলো আর চাল ভাজা খাওয়া তে লাগলো আর আমি তো জোরে জোরে কান্না কাটি করছি আর আমার কষ্টের কথা বলতে থাকি বালিশ ভিজে গেলো আর কি যে জ্বলা করছে নুনুতে আমি ও আপু কে আরো বাতাস করতে বলছি আর ফেন ও চলছে জোরে যাক টানা দেড় দুই ঘন্টা কান্না কাটি করলাম মুসলমানি হয়ে গেলো তারপর আমি আসতে আসতে বসতে থাকি আর নিচে দাঁড়িয়ে গেলাম আর খুব অসয্য লাগছে তারপর ই আমি ও লেঙটা হয়ে গিয়ে পাশের রুমে হেটে হেটে এসে খাটের উপর শুয়ে পড়ি একটানা কয়েকদিন ও-ই খাটে আমি থাকি
0 Comments