এরপরে হাজাম আমাকে লুঙ্গি পড়ে দিলো নিজেই। রুমে আমি, আব্বু আম্মু ছিলাম, হাজাম আমাকে প্রস্রাব করে আসতে বললো আর নুনু ধুতেও বললো । টয়লেট পাশের রুমের সাথেই ছিল তাই শুনতে পারলাম কথা. হাজাম জিজ্ঞাসা করলো সেভ এর ব্লেড আছে ? আমি তো চাকু আনছি কিন্তু ওর চামড়া অনেক মোটা। চাকুর বদলে ওই পাতলা ধারালো ব্লেড দিয়ে কাটলে কষ্ট কম পাবে। আব্বু বললো রেজার এ ব্যাবহার করা ব্লেড ? হ্যা তা তো আছেই, আম্মুকে ডেকে বললো ব্লেডের প্যাকেট থেকে নতুন একটা বের করে আনতে। ভিতরে আসলে তখন হাজাম ওদের কায়দায় ধরে বসায় দিলো আব্বুর মাধ্যমে, হাত-পা ২ দিকে ছড়িয়ে। আম্মুকে চোখ ধরতো বললো। এবার হাজাম কথা বার্তা বললো, কালেমা পড়াতে লাগলো, কালেমা শাহাদাত এর ইল্লাল্লাহু বলার পরে ওই সময় ই কেটে দিলো, এবং বাকিটুকুও পড়াতে লাগলো। এরপরে প্রায় ২-৪ মিনিট পরে চোখে ছেড়ে দিলো আম্মু। দেখলাম নুনু বেঁধে দিছে, তখনও হালকা ব্যাথা ছিল নুনুতে। এবার বেডে শুতে দিলো ২ দিকে পা ছড়িয়ে। হাজাম কি কি লেখে দিলো আর বললো এগুলা কিনে এনে রাখতে। হাজাম চলে গেলো আর আব্বুও তার সাথেই গেলো। এরপরে ঔষধ গুলা কিনে রেখে গেলো, কোনটা কখন দিতে হবে বলে গোসল করে জুম্মার নামাজ এর জন্য চলে গেলো। ঐদিন আম্মু যা রান্নার দরকার সকালেই করে ফেলছিলো তাই তখন আমার কাছেই ছিল। জিজ্ঞাসা করলো ব্যাথা লাগেনি একটুও ? বললাম অনেক ব্যাথা লাগছে, এখনো আছে। আম্মু বললো তো চুপ ছিলা যে একদম। বললাম এমনি ই , আম্মু বললো আসলে আমারি ভুল হইছে। তোমার আব্বু আরো আগে করিয়ে দিতে চাইছিলো আমি বারবার বাধা দিছি যে আরেকটু বড় হোক পরে দেখা যাবে। এজন্য ব্যাথা বেশি লাগলো, চামড়াও বেশি কাটা লাগছে।
এরপরে আম্মু ঘড়ির দিকে দেখে বললো যে এখন সাপোজিটরি দেওয়ার টাইম হয়ে গেছে। আমি বললাম কেন? আমার তো জ্বর হয়নি। আম্মু বললো হাজাম দিতে বলছিলো, এরপরে আম্মু সেটা বের করে ২ পা সরিয়ে দিতে বললো আমাকে, কিন্তু পারেনি। এবার আমাকে ২ হাটু ভাঁজ করে নিতে বললো এবং এবার দিতে সক্ষম হলো। এর বেশ কিছু সময় পরে আম্মুকে বললাম যে প্রস্রাব পাচ্ছে, আম্মু বললো এখানেই থাকো আমি মগ আনতেছি। এরপরে আমাকে বললো সাবধানে নুনুটা সামলে দাড়াও, যেন না লাগে। এরপরে এরপরে বললাম করা যাবে ? বললো হ্যা যাবে, ওই যে কাপড়ের সামনে ছোট্ট একটু জায়গা ফাঁকা আছে। তখন প্রস্রাব বেশ সরু আর একটু বেশি স্পিডে বের হলো। এর ৩ দিন পরে আব্বু অফিস থেকে চলে আসলো দুপুরে, বললো যে আজকে নাকি এই কাপড় খুলতে হবে। উপরের কাপড়টা খুললো গরম পানি দিয়ে ভিজায় এরপরে গরম পানি দিয়ে ভিজলেও নিচের তুলো খুলতেছিলোনা। আব্বু আম্মুকে বললো তাহলে আর কি করার, গামলা বা বাতি কিছুটা পানি নিয়ে অনেকক্ষন ভিজিয়ে রাখো তাহলে খুলে আসবে তবে খুব আস্তে চেষ্টা করবা, আমি অফিস থেকে দ্রুতই চলে আসবো। এরপরে আম্মু অনেকক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে আস্তে আস্তে খুলার চেষ্টা করতে লাগলো আর তখন ও একটু একটু ব্যাথা লাগতেছিলো। বেশ অনেকটা সময় নিতে চেষ্টা করার পরে আম্মু খুলতে পারলো। দেখি যে ফোলা একটা ভাঁজ হয়ে আছে নুনুতে। নুনুর চেহারা একদম পাল্টায় গেছে। আম্মু একটা স্বস্তির নিশ্বাস নিয়ে বললো বাচলাম, এরপরে খুব পাতলা সুতির একটা ওড়না দিয়ে মৃদু ভাবে পানি মুছে দিলো। ঘা হয়ে গেছিলো, যতই আস্তে মুছে দিক ব্যাথা লাগতেছিলো তও। এর কিছুসময় পরে নেবানল পাউডার দিয়ে দিলো এবং এইটা দেওয়া চলতেই থাকলো শুকানোর আগ অব্দি । তবে ব্যান্ডেজ খোলার ২ দিনের দিন থেকে আম্মু কাপড় গরম করে করে নুনুতে ভাপ দিয়ে দিতো, এতে নাকি জলদি শুকাবে। বেশ আরাম লাগতো ভাপ দেওয়ার সময়। ১১তম দিনে প্রথমবার প্যান্ট পড়লাম।
0 Comments