হিমুর মুসলমানি - ৩য় পর্ব
পরে আরেক ঝামেলা অনেকের শুনছি দুই বার ও মুসলমানি করে তারা খুব কষ্ট পায় আর অনেক কান্না কাটি করে আব্বু বললো আরে না খুব ভালো করে তোমার ভাই কে যাকে দিয়ে করিয়েছি তার ছেলে না কি যেন লাগে আম্মু বললো হুম এ-ই তো হয়েছে হুম রাসেল তুমি ঠিক বলেছো কালো মোটা মতন লোকটা কে আমি ও দেখছি আপু রাও বললো হুম কেমন যেন দেখে ভয় লাগে কি ভাবে যে করে কি জানি আমি তো মনে করছি সে আমার টা করবে যাক পড়ে আব্বু বললো যাও তোমারা অন্য রুমে গল্প করো গে আব্বু আর আম্মু ছাড়া সবাই TV রুমে চলে আসলাম ভাই বাইরে গেছে আমরা তিন জন হঠাৎ আমি বলে ফেললাম যে বড় আপুকে আপু আমার না মাঝে মাঝে মনে হতো এতো কিসের দরকার আমি তো চামড়া টান দিয়ে ধরে রান্না ঘর থেকে ছুরি নিয়ে কেটে ফেলি আর কত ভালো লাগবে অনেকের কাছে লজ্জা পাইছি আম্মু হঠাৎ করে এসে পড়লো আপু শুনে অবাক হয়ে গেল আরে সব কিছুর জন্য আলাদা আলাদা লোক আছে তাদের কে দিয়ে ও-ই সব করাতে হবে আম্মু ও বললো তারপর ই আমি আমার ঘরে গিয়ে বসে ভাবছি নুনুতে হাত দিয়ে ধরে দেখছি আর নুনু কে বলছি কাল ই তোর ব্যবস্থা করা হবে আবার চামড়া টান দিয়ে ধরে একা একা বলছি ইস হাজাম যে কি ভাবে করবে কি জানি কতটুকু চামড়া কাটবে কি দিয়ে কাটবে এ-ই সব হঠাৎ বড় আপু আমার রুমে এসে পড়লো আমি ঠিকঠাক করে বসলাম আপু আমাকে বললো তোর নুনু দেখাতো কেমন ফুটে ফুটিয়ে দেখা আমি লজ্জা পাচ্ছি আরে ধুরো পাগল দেখি কেমন ফুটে সেই কোন ছোট বেলায় দেখছি মনে নেই আবার কাল তোমার মুসলমানি আমি আরে না কেন লজ্জা লাগে আবার বললো কাল তো হাজামের সামনে ঠিক ই নুনু বের করবি দেখা বলছি দেখি না কেমন হবে তোর মুসলমানির পরে আচ্ছা বলতে না বলতে ছোট ও এসে পড়লো (আসলে সবাই কে আম্মু পাঠিয়েছে যাতে কোন না পাই ইত্যাদি) ছোট আপু আসাতে আমি আর রাজি হলাম না তারপর ও বললো আরে অসুবিধা কি আমরা ই তো ভাই আর বোন দেখি
আমি বিভিন্ন কথা কাল কখন আসবে বিভিন্ন কথা তারপর নুনু বের করে দুই আপু কে ফুটিয়ে দেখালাম একেবারে টান টান করে ধরে রইলাম বড় আপু ছোট আপু কে বললো দেখ মুসলমানি করালে তোর নুনু দেখাতে খুব সুন্দর হবে কেমন যে অসুন্দর লাগছে চামড়া টা থাকলে ধুরো তুমি আগে বলতে আমাকে আব্বু কে বলে করিয়ে দিতাম কত সুন্দর লাগে ফুটো করলে নানান কথা
আমার আগ্রহের শেষ নাই আমি বললাম মানে হাজামকে নিয়ে আর অনেক শ্রদধা আর সম্মান অনেক তারা মুসলমান বানানোর কারিগর তারা অনেক কিছু বিভিন্ন কথা তারপর বললাম আপু তুমি তো দেখছো কি ভাবে করে বলবে কেন তুমি কখনো দেখনি আমি আরে না অনেক চেষ্টা করছিলাম কিন্তু হয় নাই আপু খুব ভালো হয়েছে নিজের টা নিজেই দেখবে আবার ও আম্মু আসলো তারপর ই বললো আরে তেমন কিছু না হাজাম রা অনেক কিছু জানে দোয়া মএ পড়ে কি ভাবে করে ফেলে কোন সমস্যা হয় না
আমি বললাম তবে কি আগুন দিয়ে করে কেন৷ ও-ই যে কালো পোড়া কাপড় দিয়ে পেছানো থাকে আরে না ও-ই ওদের নিয়ম ও ভাবে না পেছালে মুসলমানি হয় না যাক তুমি কাল ইনশাআল্লাহ মুসলমান হচ্ছো এটাই বড় কথা এতো বেশি বলতে নেই চলো খেতে বসি ভাইয়া ও আসলো বললো কি কাল তোর মুসলমানি আমি হুম আচছা বস সবাই খেতে বসলাম
শুয়ে পড়লাম অনেক কথা চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লাম সকালে ওঠলাম আজ আর নুনু দাড়ালো না নাস্তা খেতে বসলাম সব ভাই আর বোন সকাল প্রায় ৮ কি সারে ৮ টা বাজে খাচ্ছি হঠাৎ দু জন লোক গেটে আসলো বাইরে ওঠানের পড়ে গেট আব্বু তারাতাড়ি ছুটে গেলো আম্মু দেখছে আমি বললাম কি হয়েছে বললো না তোমার আব্বুর কাছে জমির দালাল আসছে সেই বলে খাওয়া শেষ কর তারা চলে গেলো মাএ বসেই কিছু সময় এই ১০, ১৫ মিনিট পরে আবার ও আসলো এইবার একেবারে ভিতরে ঢুকে পড়লো আমি এমনেই তার আগে রান্না ঘরে গেলাম দেখি আম্মু আর ছোট বোন খির, সেমাই আর কি কি যেন রান্না করছে বললাম এগুলো কেন আর আমাকে দাও নাই কেন বড় বোন এসে বললো ওগুলো হাজামের জন্য রান্না করছে তারা তোমার জন্য এতো কষ্ট করবে তাদের খাওয়াতে হবে না বোকা তারা খুব দামি মানুষ চল অন্য ঘরে গিয়ে বসে হঠাৎ ড্রয়িং রুমে কি কথা আমি বললাম কে সবাই আমার রুমে এসে পড়লো বললো হাজাম আসছে তোমার মুসলমানি করাতে আমি তো খুশি তবে বেশি সকালে আসা মুড চুপচাপ মাএ ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করলাম বললাম এতো আগে বললো কথা কম বল তারাতাড়ি রেডি হয়ে নাও বলে আপু লুঙ্গি দিয়ে চলে গেলো আমি পড়ে ঠিকঠাক করতে না করতে আব্বু ডাক দিলো রাসেল কে পাঠিয়ে দাও আমি একটা নীল রঙের হাফহাতা শাট আর নতুন লুঙ্গি পড়ে তৈরি হলাম ছোট আপু আসলো কিরে তোর হয় নাই হাজাম ডাকছে দেরি হয়ে যাচ্ছে তারা আবার চলে যাবে তারাতাড়ি কর আমি যাও আমি আসছি আমি রওনা হলাম দেখি দরজার কাছে আম্মু ভাই আর দুই আপু সবার মুখ কেমন যেন চুপচাপ আমি হাজামের রুমে ঢুকবো তার আগে বড় আপু বললো শোন তোমার শরীর নরম রাখবে শক্ত করবে আমি আচ্ছা বলে রুমে ঢুকে পড়লাম দেখি দুই জন লম্বা ও শক্তি শালি লোক হাজাম সাথে করে আরেক জনকে আনছে আর আমার আসার সময় তারা বুঝতে পারে তারা দাঁড়িয়ে যায় সাথে আব্বু কথা বলছে তাদের সাথে আমাকে সালাম দিতে বললো আমি দাঁড়িয়ে থেকে সালাম দিলাম আর হাজাম আমার কাছে আসলো আর সাথে যাকে আনছে সে আমার সাথে কথা শুরু করলো আমি তার দিকে তাকিয়ে আর হাজাম আমার শাটের বোতম নিচের দিকে দুই তিন টা খুলে ফেলে আর সাথে জন আমাকে বললো এই তো একটু পড়ে ই প্যানট পরে বল খেলতে পারবে শুধু পিপড়ার মতো একটা কামড় দিবে তারপর ই সব ঠিক ইত্যাদি
তখনকার সময়ের হাজাম খুব কড়াকড়ি ছিল আর তাছাড়া আমার টা ছিল বিহারি কথা তেমন ভালো বলতে পারতো না ইত্যাদি, যাক সহযোগী আরো কথা বললো আমি কোন ক্লাশে পড়ি আমি ও সব ঠিক ঠিক উত্তর দিলাম দিয়েই হাজামের দিকে তাকালাম দেখি সে আমার শাট পেচাতে পেঁচাতে উঁচু করে পেটের উপর বুকের কাছে শাটের দুই কোনা একসাথে করে অনেক শক্ত করে গিটঠু দিল আর সহকারী ছিল আমার এসে পড়লো আমি ছিলাম সহকারীর বুকের সমান উঁচু মানে
এগুলো সবই ছিল শুধু ও-ই দুই বোতল আর কেচি ছাড়া যাইহোক আর আমার নুনু ও নরম হয়ে ছিল হাজাম করলো কি নুনুর উপর একহাত রেখে আরেক হাত দিয়ে কিছু ছাই ও ডিব্বা থেকে এনে দুই হাতের তালুতে ছাই রেখে দুই হাত জোরে জোরে কয়টা ঘষা দিল । তার তালু সম্পুর্ন ছাই দিল আর ঘষার সময় দুই হাতে ফাঁক দিয়ে আমার নুনু ও তার আশেপাশে কিছু ছাই পড়লো হাত সড়িয়ে নিলো এবার নুনুতে দুই তিন ফু দিল আর খুব ভালো লাগলো তারপর পড়ই দুই টা তিন আঙুল নুনুর মাথার উপর রেখে পেছনে হালকা ঠেলা দিল। সাথে সাথে সম্পুর্ন নুনু ফুটে গেল আমি ও খুব খুশি হয়ে রইলাম হাজাম সহকারীর দিকে তাকিয়ে হেসে দিল। শুরু হলো মুসলমানির কাজ আরম্ভ হাজাম চামড়া ছেড়ে দিল আবার ও বুজে গেল এবার একটা কাঠি হাজাম তার ডান হাত দিয়ে নিয়ে বা হাত দিয়ে নুনু সম্পুর্ন ফুটিয়ে ধরে রাখে আর কাঠির মাথার কিছু অংশ নুনুর মাথার উপর রাখে। খুব সুন্দর নুনুর মাথা লালটুককে লিচুর মতো সেখানে রেখে চামড়া ছেলে দের আবার ও বুজে গেল এবার একটু ঘুরান দিলো আর অনেক জোরে টান দেয় সাথে সাথে কাঠি বের হয়ে যায় আমি ও চিৎকার দিলাম নুনুর দিকে তাকালাম (অবশ্য প্রথম ফুটানোর পরে তারা দুই জন কথা বলে আর সহকারী বলে হাজিম বেলুন কর না টাইট আর হাজাম তাকে দুই আঙুল V দেখায় আর সহকারী বললো হুম জাদা টাইট কর আর হাজাম মাথা নাড়লো)।
যাক ওমনি হাজাম তার বাম হাতের আঙুল দিয়ে চামড়া চাপ দিয়ে ধরে রেখে দুই কাঠির টা পড়িয়ে দিলো বা গেথে দিল । আর কি জন্তনা শুরু হলো আবার দেখি একগুচ্ছ চামড়া কাঠির বাইরে আর ভিতরে নুনু খুব খারাপ আর কেমন যেন লাগছিল। আর হাজাম দাড়িয়ে গেলো আমার মুখে হাত দিয়ে সড়িয়ে দিলো আর আমি যেখানে বসা সেখানে ই আব্বু দাঁড়িয়ে আছে। যাক দেখি হাজাম দাঁড়িয়ে জানালার পর্দা গুলো সব ফাঁক করে দিল আর রুমে আরেক টা লাইট জালাতে বললো । শীতের সকালে তেমন ভালো আলো রুমে না হাজাম কেমন যেন বিরক্ত হলো মনে হচ্ছে । সে রাগ করে বসে পড়লো আর বসতে বসতে সহকারী হাজামকে বললো কলেমা পড়াও। হুম হাজাম আমাকে কলেমা পড়তে বললো আমি ও পড়ছি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।
মাএ পড়া শুরু করলাম আর হাজাম তার দুই হাত দিয়ে নুনু সাথে লাগানো যে দুই কাঠি টা সেটা খুব ভালো করে টানাটানি করে ঠিক করলো । তারপর ই মনে হচ্ছে ও-ই সিঙ্গেল কাঠি টা ও-ই একগুচ্ছ চামড়া ভিতর ঢুকিয়ে দিল আর যে কাঠি টা গেথে ছিল সেটা হাজাম তার হাত মুঠ করে অনেক জোরে চাপ দিল । আমি তো জন্তনায় ছটফট করছিলাম আর কলেমা মাএই দুই বার শেষ করে তিনবার পড়া ধরেছি এর মধ্যে ই খুর টা ফাঁক করে খুলে একটা পোঁচ দেয় সাথে সাথে চামড়া আলাদা হয়ে গেল । আর আমার কান্না কাটি আর কে দেখে ভিষণ জন্তনা শুরু হয় আর আমার নুনুর সম্পুর্ন মাথা ফুটে যায় আর নুনু দাড়িয়ে উপর আর নিচে ৭ থেকে ৮ জোরে জোরে নড়ে ওঠলো হাজাম চামড়া টা ফ্লুরে রেখে সাথে সাথে খপ করে তার বৃদ্ধ আঙ্গুল আর একটা আঙুল আংটার মতো করে নুনুর মাথা অনেক জোরে শক্ত করে চাপ দিয়ে ধরে রাখে । আর ওদিকে সহকারী তো আরো জোরে শক্ত করে ধরে রাখে কোন নড়াচড়া করতে পাড়ছি না ভিষণ জন্তনা আর জালা পুরা শুরু হলো সহ্যয়ের বাইরে আর দুই চোখ পানিতে ভরে গেল। শুধু ই কান্না কাটি করছি এদিকে হাজাম চাপ দিয়ে ধরে রাখা অবস্থায় বাম হাত দিয়ে কয়েক বার করে চিমটি চিমটি ছাই এনে নুনুর কাটা জায়গায় দিতে লাগলো আরো অনেক কষ্ট শুরু হলো । আর আমি তো নুনুর দিকে তাকিয়ে কাঁদছি এভাবে অনেক সময় চাপ দিয়ে ধরে রেখে নুনু যখন ঘুমিয়ে গেল তারপর ই আঙুল ছেড়ে দিল দেখি আমার লালটুকটুকে লিচুর মতো নুনু মাথা চাপের জন্য সাদা হয়ে গেছে । তারপর ই প্রথমে কালো পোড়া কাপড় দিয়ে দুই টা তিন টা পেচ দিল আবার সাদা কাপড় দিয়ে ওরকম ই পেচ দিল নুনুর মাথা বের হয়ে আছে । হাজাম বসা অবস্থায় একটু সরলো আর সহকারী আমাকে ছেড়ে দিয়ে পেছন দিক দিয়ে উচু করে খাটে শুয়ে দিল আব্বু ও বালিশের কাছে গেল মাথার কাছে সহকারি বললো এক বালিশে মাথা রাখতে আর একটা বালিশ নিয়ে আমার বাম না ডান পায়ের নিচে রাখলো।
বেলুন মুসলমানি শব্দটা নতুন লাগছে আমার কাছে, এইটা নিয়ে গল্পের শেষে বলা হবে

Post a Comment
0 Comments