এবার উনি হাত দিয়ে নুনুটা ধলতে লাগলেন। এরপর আমার মাথার কাছে লোকটা সামনের দিকে হালকা ঝুকে গেল ফলে আমি সামনে তেমন কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু অনুভব করলাম ডাক্তার আবার আমার নুনুটা ধরলেন এবং কি যেন করছিলেন তারপর মাথার পাশের লোকটা আমায় কলেমা পড়তে বললেন। সে বলে তার সাথে আমিও বলি। হঠাৎ কিছুক্ষন পর ব্যাথা করতে শুরু করলো আর ব্যাথাটা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে শুরু করলো। এমতাবস্থায় আমি কান্না করতে শুরু করলাম এবং পা নাড়াতে শুরু করলাম। ফলে ডাক্তারের সাথে যে লোকটা ছিল উনি খুব জোরে আমার পা চেপে ধরলেন। মাথার পাশে যে লোকটা ছিল সে বলল একটু সহ্য কর মোসলমানি করলে একটু ব্যাথা লাগে।
আমি বল্লাম আমার অনেক ব্যাথা করছে। সে বলল চুপ করে থাকো তাহলে আর ব্যাথা করবে না। এভাবে চলল অনেক সময় কিন্ত ব্যাথা ছিলই আর আমিও কান্না করছিলাম।
তারপর যখন মাথার পাশের লোকটা সরে গেল তখন দেখলাম ডাক্তার সরে গেছে। এবং নুনুটা খাড়া হয়ে আছে ব্যান্ডেজ করা। মথাটা অনেকটা লাল হয়ে আছে।
মাথার পাশে যে মানুষটা ছিল সে আস্তে করে আমার লুঙ্গিটা টেনে দিল। আর বাকি যে লোকটা ছিল সে আমার পাছার উপর একটা সুই দিয়ে দিল।(পরে বুজেছিলাম ওটা জ্বরের জন্য নাকি দিছে)। এরপর মাথার পাশের লোকটা আমায় কোল পাঁজা করে বাহিরে নিয়ে এসে বসায়। তখন বাবা আর কাকা আসে। বাবা জানতে চায় আমি কন্না কাটি করছি নাকি। তখন সে বলে না আপনাদের ছেলেটা অনেক ভদ্র। সেরকম একটুও জ্বালাতন করে নি বরং খুব শান্ত ছিল এই বলে উনি একটা মুচকি হাসি দিয়ে চলে গেলেন। বাসা কাছে হওয়াতে কাকা আমায় কোলে করে বাসায় নিয়ে আসলেন। বাসায় এসে দেখি আম্মা আমার মতো কন্না করছে। কাকা আমায় ঘরে বিছানার উপর সুয়ে দিলেন।
এরপর দাদি আম্মা ফুফু সবাই পাশে এসে বসছে।
একটু পর বাবা দাদা আসলেন হাতে ওষুধের ব্যাগ আর মনে হলো কিছু ফলমূল। এভাবে অনেক সময় পার হলো তারপর আবার যন্ত্রনা হতে থাকল অনেক, তাই আমি কান্না করছিলাম। (তখন নাকি অবশ করা ওষুধের কাজ শেষ হয়ে গেছিল তাই ওরকম যন্ত্রনা হইছিল) তারপর সবাই খালি সুয়ে থাকতে বলতো। আর এই সময় অনেক খাবার পেতাম সেগুলো খেতাম। আর সবাই এসে শুধু দেখতে চাইত কিন্তু লজ্জার করনে দেখাতে অস্বীকার করতাম।
এভাবে প্রায় ৬ দিন পার হইছে। আসলে আমি একটু দুষ্ট হওয়ার সুবাধে শুয়ে থাকতাম না হাটাহাটি করতাম ফলে আমার ব্যান্ডেজ অনেকটা খুলে গেছিল।
এরপর আমার বড় ফুফু বললেন ওটা খুলে ফেলতে। এবং সেই কথা অনুযায়ী সে গরম পানি করে ওখানটা ভিজিয়ে দিল অনেকসময়। পরে আমাকে খুলতে বললো। আমি আস্তে আস্তে খুলতাম আর যখন হালকা হালকা ভিজে যেত তখন ভয় পেয়ে কান্না করতাম। পরে ফুফু আবার গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিত এবং একটু একটু খুলত। এভাবে খুলতে খুলতে একসময় এসে কাঁটা জায়গার উপর আটকে গেল। আর খুলে না। টানলে ব্যাথা লাগে। আসলে ব্যাথার থেকে ভয়টা তখন বেশি কাজ করত। এরপর ফুফু আবার পানি দিলেন সেখানে এবং আমাকে বললেন বাবা ওই যে গাছের উপর কি দেখ। আমি সেখানে চাইতেই সে এমন জোরে টান দিলো যে, আমি যেন একমূহুর্তের জন্য বড়কে গেলাম আর মা বলে একটা চিৎকার দিলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি গজটা ফুফুর হাতে আর কাটা জায়গা থেকে রক্ত বের হচ্ছে। রান্না ঘর থেকে মা দৌড়ে চলে আসলো। এরপর আমায় হালকা পরিস্কার করে ঘরে নিয়ে তখন নেবানল পাউডার দিত সেটা দিয়ে দিল।তখনো অল্প অল্প রক্ত বের হচ্ছিল। এরপর আস্ত আস্তে ওষুধের কারনে ঘা পুরো শুকিয়ে গেছিল এবং নুনুটা অনেক সুন্দর লাগত দেখতে। এভাবে ১০ দিনের মাথায় আমি পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে গেলাম পুনরায় প্যান্ট পড়া শুরু করলাম।
আসলে ঘুছিয়ে লেখতে গিয়ে অনেক বড় করে ফেললাম।যতটুক সম্ভব গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি। যদি ভালো লাগে তাহলে আপনাদের পেইজে শেয়ার করবেন আশা করি।
ভুলত্রুটি হলে মাফ করবেন।

0 Comments