একটি অন্যরকম খাৎনার গল্প - প্রথম পর্ব

আমার বাবা উপজেলা পর্যায়ে সরকারি চাকুরী করতেন। তখন সেখানে তেমন কেউ থাকতোনা, বেশ বড় এলাকা কিন্তু মাত্র ২-৩ টা পরিবার থাকতো আর ইউএনও , এসিল্যান্ড থাকলে থাকতো এই আর কি। সেখানে আমিও ছিলাম বাপ মায়ের এক সন্তান। দিন যেত কিছুটা এভাবে , স্কুলে যাওয়া আসা, বিকালে টিভি দেখা অথবা আব্বুর সাথে ঘুরতে যাওয়া যদি তার সময় হয়। আম্মুও যদি সুযোগ পেতেন তাহলে আন্টিদের সাথে কথা বলতে যেতেন নয়তো না। তো একদিন বিকালে সাকালাকা বুমবুম দেখতেছিলাম, বিকালে আব্বু বাড়িতে চলে আসলো। তারা পাশের রুমে কথা বলতেছিলো, কথা তা শুনতে পাচ্ছিলাম আমি। কথাগুলা ঠিক এমন, এই প্রথম সাময়িক পরীক্ষার পরে ওকে মুসলমানি দিবো, ক্লাস ফোরে উঠে গেলো। বয়স তো আর কম হলোনা, আরো আগে করায় দিলে ভালো হতো। 
একটি অন্যরকম খাৎনার গল্প - প্রথম পর্ব

আম্মু বললো আর এক বছর যাক নয়তো ফাইনাল পরীক্ষা দিক তারপরে গ্রামে বেড়াতে যেয়ে করায় দিলেই হবে। আব্বু বললো আমার তো সেই পরিমান ছুটি ই জুটেনা যে বাড়ি থেকে লম্বা সময় কাটায় আসবো। তবে আম্মু মনে হয় তেমন রাজি হলোনা। মনে মনে ভাবলাম বেঁচে গেছি। এরপরে পরীক্ষার সময় আসলো, পরীক্ষা শেষ ও হলো। প্রায় ১৩-১৪ দিন ছুটি, বেশ মজা। কিন্তু ছুটি শুরুর পরের দিন আম্মু আমাকে এসে বললো যে আমরা চাচ্ছি তোমার মুসলমানি করে দিতে এই ছুটিতেই। শুনেই ভয়ে হার্টবিট বেড়ে গেলো, বললাম এখন না পরে। আম্মু বললো মনে হয়না সেটা হবে, তোমার আব্বু হাজামের সাথে কথাও বলে ফেলছে।  কালকে আসবে মুসলমানি দিতে। আম্মুকে বললাম ডাক্তার এর কথা, আমার বন্ধুরা বলছে হাজাম অনেক ব্যাথা দেয়। আম্মু বললো তোমার আব্বু বলছে ডাক্তার এর করা ভালো হয়না, নুনুতে ইনজেকশন দেয়, সিলাই করে দেয়। আম্মু আরো বললো এখন তো গরম কাল, এখন করে দিলে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে। এরপরে বেশ ভয় আর টেনশনে দিনটা গেলো। এরপরের দিন ছিল শুক্রবার। আম্মু বেশ সকালে নাস্তা করে দিলো আমাকে আর প্রায় ১-১.৫ ঘন্টা পরে গোসল করায় দিলো। আব্বু বের হয়ে গেছিলো তখন আম্মুর সাথে কথা বলতেছিলাম, আব্বু তখন বাড়িতে ফেরত আসে হাজাম সহ। এরপরে হাজাম ভিতরে এসে বসলো, কিছু কথা বার্তা বললো। আমাকে প্যান্টের চেন খুলতে বললো, নুনু ধরে দেখে বলতেছে বয়স তো একটু বেশি হয়ে গেছে ছেলের। বড় হয়ে গেছে আর  চামড়াও অনেকটা মোটা হয়ে গেছে। বয়স জিজ্ঞাসা করলো, বললাম ১১ বছর।

Post a Comment

0 Comments