ক্লাস ফাইভে খাৎনা - ২য় পর্ব

আসার পরে উনি কাছে দাঁড়াতে বললেন এবং লুঙ্গি উঁচু করে ধরলেন।  রুমে আব্বু আম্মু আর বড় আর মেজো আপু ছাড়া কেউ ছিল না। আপু কাছে এসে হাত ধরলেন আমার। হাজাম কে দেখলাম নুনু ধরে একটু নিচের দিকে টান দিলেন।  এরপরে কিছুটা ইন্সুলিন দেওয়ার ইনজেকশন যেমন ওই টাইপের একটা ইনজেকশন দিয়ে দিলেন। একটা সাদা কাপড় দিয়ে ধরলেন এবং খাটে বসে ডলতে বললেন। এরপরে আব্বু বললেন পা ২ সাইড করে বসানো লাগবে ? হাজাম বললেন না, বড় ছেলে তো সমস্যা নাই। এরপরে বালিশ উনার কাছে নিয়ে বেডের মাঝের দিকে রেখে পাছা বালিশের উপরে রেখে শুইতে বললেন। বললেন এভাবে করলে গোড়ার থেকে আগা পর্যন্ত চামড়া ঠিক অবস্থায় থাকে। 

কম বেশি কাটার সমস্যা হবেনা। আমাকে বললেন তুমি চোখ বন্ধ করো নইলে ভয় লাগতে পারে , আমি বললাম না লাগবেনা। আপু আমার মাথার কাছে বসে চোখ ঢেকে ধরল, আমি বললাম চোখ ছাড় কোনো সমস্যা হবেনা। এরপরে ছেড়ে দিলো, হাজাম কিছু কথা বলতে বলতে নুনুতে কাঠি ঢুকালো এরপরে চামড়া টেনে ধার বিহীন যেই কেচি সেটা দিয়ে চেপে দিলো। এরপরে আবারো বললেন চোখ বন্ধ করতে, আমি বললাম না থাক, কিন্তু আপু ওর ওড়নার  আঁচল আমার মুখের উপরে ফেলে দিলো। পাতলা ওড়নার কাপড় তাই দেখতে পেলাম সব ই । হাজাম একটা সার্জিকাল ব্লেড দিয়ে আটকানো চামড়াটা কেটে দিলো। ধার বিহীন কেচিটা খুলে নুনুর চামড়া উনার ২ হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়ে পিছনে ঠেলে দিলেন আর একটা সাদা মোটা টাইপের কাপড় নুনুর উপরে রেখে আপুকে ধরতে বললেন। এরপরে উনি সুই সুতা হাতে নিয়ে নিলেন এবং আপুকে ছাড়তে বললেন, আপু ওর আঙুলে মেখে থাকা ব্লাড ওই কাপড় তাই মুছে রেখে দিলো ওখানে আর আমার মাথায় হাত বুলাতে লাগলো। তখন আমি ভাবতেছি যে আমার তো কোনো ব্যাথা ই লাগলোনা। সিলাই শেষ করতে হাজামের বেশ সময় লাগলো, এবং এই সময় নুনু বেশ কয়েকবার মুছছিলেন ব্লাড এর কারণে। এরপরে ব্যান্ডেজ করে উপরে টেপ মেরে চলে গেলেন এবং কিভাবে কি করতে হবে এইসব বলে গেলেন।


Post a Comment

0 Comments