আসলে আমি কথা বেশি গুছিয়ে লিখতে পারিনা। আমার সুন্নতে খাৎনা হওয়ার কিছু কথা আমি এখানে শেয়ার করবো। আমার বড় ৩ জন বোন আছে আর আমি ছোট। বিভিন্ন কারণে বিলম্ব হয়ে যায় আমার মুসলমানি দিতে। ক্লাস ফাইভে পড়তাম আমি তখন। বয়সটাও একটু বেশি। বড় বোনের বয়স প্রায় উনিশ বছর, বিয়ের ব্যাপারে দেখা ও হচ্ছিলো। তখন আম্মু বললো আগে ছেলেটার তো মুসলমানি দেওয়া দরকার। এর ও তো দেরি করতে করতে বয়স কম হলোনা। এরপরে প্রথম সাময়িক পরীক্ষার পরে দেওয়ার চিন্তা করা হলো। কিন্তু তখন হটাৎ ই অনেক জ্বর হয় এবং এইটা পিছিয়ে যায়। এরপরে হয় দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা। সেবার পরীক্ষা শেষের আগেই হাজামের সাথে যোগাযোগ করা হয়ে গেছিলো যা সম্পূর্ণ টা আমি জানি। কারণ বয়সটাই অমন যে লুকানোর কিছুই ছিলোনা।
পরীক্ষা শেষ হলো, আমাকে বেশ একটু সাবধানে রাখা হলো। পরীক্ষা শেষের পরের দিন বৃষ্টিতে ভিজতে চাইলে আমাকে বললো যে এখন ভিজলে যদি জবর আসে তাহলে মোসলমানি তা দেওয়া হবেনা তোমার, তাই ভেজা যাবেনা কোনোভাবেই। আমিও আর জেদ করিনি, তবে বাসায় বলে রাখছিলাম যেন কাউকে না জানানো হয়। যথারীতি সেইদিন সকালে গোসল, খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম। আপু আর আম্মু ২জন বাথরুমে নিয়ে গোসল করিয়ে দিলো আমাকে। আপু প্রাইভেট পার্ট সাবান দিয়ে ভালো করে ঘষছিলো যেন নোংরা বা গন্ধ না থাকে কোনো রকম। সকাল ১০ - ১০:৩০ এর মধ্যে হাজাম চলে আসলো।
হাজাম আমার সাথে অল্প কিছু কথা বললো আগে, এরপরে লুঙ্গি পরে আসার জন্য বললো। আমার যতদূর খেয়াল আছে ওটা ছিল বাটি প্রিন্ট এর লুঙ্গি। পরে আসতে আসতে উনি উনার জিনিস রেডি করতে থাকলেন, উনি একটা কাগজে কি কি ওষুধ খেতে হবে সেগুলো ও লিখে দিলেন।


0 Comments