আমি অনিক । আমরা ৩ ভাই এবং ১ বোন, আমি সবার ছোট। আমার বড় ভাইয়ের মুসলমানি ডাক্তার দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে একদিন আম্মু কে ফুপির সাথে কথা বলতে শুনেছি ডাক্তার দিয়ে করায় ভুল করলাম মনে হয়, পেনিস দেখতে কেমন যেন, বেশি একটা সুন্দর হয়নি মুসলমানি টা। তাছাড়া ওর অনেক কষ্ট ও হয়েছে। মেজটাকে দেখি এই সামনের গরমের ছুটিতে করিয়ে দিবো, তবে এবার হাজাম দিয়ে দিবো। তখন আম্মুর কোলে সাধারণ ভাবে বসেছিলাম তাই কথাটা সেভাবে গুরুত্ব দেইনি। ফুপি বললেন তাহলে এইটা কি বাকি থাকবে এখন ? আম্মু বললো হ্যা এইটা কে পরে দিবো, আমি কিছুটা চিল্লায় বললাম যে আমি করবোনা। ফুপি আর আম্মু হাসতে থাকলেন শুনে, ফুপি বললেন ঠিক আছে বিয়ের পরে করিস।
গরমের ছুটি শুরু হলে ২-৩ দিন পর সব কিছুর ব্যবস্থা করা হয়ে গেলো বাড়িতে। এবং নির্ধারিত দিনে হাজাম ও আসলো। আমার আপু, আব্বু আম্মু এবং অন্য আত্মীয় যারা ছিলেন সবাই বললেন যেন আমাকে এইখানে থাকতে না দেয় কারণ দেখলে ভয় পাবো। কিন্তু আমার একটা বিশেষ দক্ষতা আছে সেটা হলো কথার মারপ্যাচে পটিয়ে ফেলা। আম্মুকেও এমনভাবে রিকোয়েস্ট করলাম যে আমাকে থাকতে দিলো।
ভাইয়াকে হাজাম এর কাছে আনা হলো লুঙ্গি পরিয়ে , হাজাম লুঙ্গি উঁচিয়ে ধরে কোমরের তাগির সাথে গুঁজে দিলেন। নুনুর মাথার দিকে ইনজেকশন ঢুকিয়ে অর্ধেক পুশ করে দিয়ে ডলতে লাগলো তারপরে গোড়ার দিকে বাকি অর্ধেক পুশ করে দিলো। এর পরে ভাইয়াকেই ডলতে বললেন একটু , কিছুক্ষন পরে ভাইয়াকে বসানো হল এবং আমার চাচা ধরে থাকলো ওকে আর অন্য কেউ একজন চোখ ধরে ছিল। হাজাম নুনু ফুটালো এরপরে ফুটানো মুন্ডিতে কাঠি রেখে চামড়া টেনে দিলো এবং কাঠি সহ চামড়া টেনে চিমটা আটকে দিলো। এরপরে হাজামের ক্ষুর টা একবার কপালে ঠেকিয়ে চামড়া কেটে দিলো। এসবের মধ্যে কথা বার্তা বলছিলো হাজাম ওর সাথে। নুনুতে ঔষধ লাগিয়ে বেঁধে দিলেন। আমার ফুপি এই সময় আম্মুকে পরামর্শ দিলেন ছোটটার এখন ই করে দেও, ও দেখে ফেলেছে যেহেতু এর পরে সহজে করানো যাবেনা ওকে। আম্মু ও ফুপি কথাটা আব্বু কে বললে আব্বুও রাজি হয়ে গেলো। এরপরে হাজাম কেও বলা হলো, তবে তারা আমাকে বুঝতে যাতে না দেয় তাই বলছিলো গামছা পরে নিতে একটা। হাজাম শুধু নুনু পরীক্ষা করে দেখবে একটু আর কিছু না। আমার ভয় হচ্ছিলো, তাই আমি কোনোভাবেই রাজি হচ্ছিলাম না। এরপরে জোর করে প্যান্ট খুলে নেওয়া হলো এবং বেশ জোর করে ধরে রাখলো আমাকে, আমি তো চিল্লানো শুরু করছি , কান্না ও করছি । হাজাম মনে হয় ইনজেকশন দিলো তখন নুনুতে। ভাইকে তো তেমন ধরা লাগেনি কিন্তু আমাকে কেউ এ আর ছাড়তেছেনা। আমি পালানোর প্ল্যান করলাম এবং বললাম যে আমার পেশাব লাগতেসে তাই যেতে দিতে। হাজাম জিজ্ঞাসা করছে প্রস্রাব করব এখন ? আমার কথার আগেই আপু, ফুপি এরা বলতেছে না.. না। তারাও হয়তো বুঝে ফেলছে যে হয়তো পালানোর প্ল্যান করতে পারি, তাই বললো তোকে ছাড়লে দৌড়ে পালাবি তুই । বাড়ির বাইরে যেয়ে দৌড় যদি দেই তাহলে ধরতে না পারলে আমাকে আপাতত এখন আর পাওয়া যাবেনা। এর কিছুক্ষন পরে হাজাম চোখ ধরতে বললো এবং মুসলমানি করে দিলো। তখন ও ব্যান্ডেজ করা হয়নি, কেবল কাটা হয়েছে আর কিছু একটা ঔষধ দিয়েছিলো লাল রঙের। হাজাম বললেন প্রস্রাব করার জন্য একটা পাত্র নিয়ে আসেন। আমি বললাম এখন প্রসাব করবো না থাক, আপু বললো তখন যে বললি করবি। এখন মিথ্যাবাদী হয়ে যাই কিনা সেই ভয়ে বললাম এখন কিভাবে করবো। হাজাম বললো সমস্যা নাই করা যাবে। পাত্র আনার পরে আমাকে ছেড়ে দিলো এবং দাঁড়াতে বললো। আপু বললো এখন আবার পালানোর কথা ভাবিস না তোর মুসলমানি হয়ে গেছে। আমি কিছু বললাম না আর, প্রসাব করার জন্য একটু চেষ্টা করলাম সামান্য একটু হলো আর নুনুর কাটা চামড়ার নিচের দিকের অংশ থেকে রক্ত ও পড়লো সামান্য। এরপরে নুনু আবার মুছে দিয়ে লাল রঙের সেই ঔষধ আবারো লাগিয়ে কাপড় দিয়ে বেধে দিলো। এরপরে হাজাম তার সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে ঔষধ লিখে দিয়ে চলে গেলেন। দুই ভাই তখন দুই রুমের বেডে শুয়ে আছি, ভাইকে অন্য রুমে নিয়ে গেছে আর আমাকে সেই রুমেই শুইয়ে দিয়েছে।
আপু টেবিলের কাছে এসে ফুপিকে বলসিলেন এইটা আবিরের, এইটা অনিকের (আমার) । আমি বললাম কি ওখানে ? বললো কিছুনা, এরপরে দেখলাম ছোট কাপড় দিয়ে বাধলো ২ টা আলাদা করে আর একটা আমার বালিশের নিচে রাখতে গেলো আমার। বললাম যে এতে কি দেখাতে হবে আমাকে। একটু জোরাজুরি করে বলার পরে ফুপি বললেন এই দেখায় দে তো, কি আর হবে দেখে। এরপরে কাপড়ের গিট্টু খুলে দেখালো আর বললো এইটুকু তোর নুনু থেকে কেটে দিয়েছে। ধরে দেখলাম আমি, এরপরে বললো দেখছিস? শান্তি হইছে তো? দে এখন, ভুলেও বালিশের নিচ থেকে যেন এইটা কোথাও না যায়। ঐটা রাখার পরে আম্মু চিনি আর ঘি দিয়ে ভাত মাখিয়ে আনলেন আমার কাছে। কাছে এসে কপালে একটা চুমু দিয়ে খুব আদর করে ভাত খাওয়ায় দিলেন আমাকে। জানতে চাইলেন ব্যাথা পেয়েছি কিনা, এখন জ্বলছে কিনা আর বা কষ্ট হচ্ছে কিনা। বললাম সুই দিলে ব্যাথা পাইছি আর পাইনি। আমার ভাই ঘি পছন্দ করে না তেমন তাই ওকে খাওয়ানো যায়নি। ফলাফল স্বরূপ আমার নুনু ওর আগেই সেরে গেছিলো।
(শেষ)


0 Comments