প্রথমে হাজাম পরে ডাক্তার - ২য় ও শেষ পর্ব

তখন নুনুতে কেমন যেন লাগতেছিলো , আব্বু আম্মু এবং মামাকে বললেন যে এখন দেখেন নুনু ফুটে গেছে। মামা প্যান্ট নামিয়ে একবার চেক করে দেখলো যে সত্যি ই ফুটে গেছে। উনার ভিজিট দিয়ে চলে আসলাম আমরা। আমি ভেবেছিলাম হয়তো মুসলমানির ঝামেলা থেকে বেঁচে গেলাম আপাতত, কিন্তু এর একদিন পরেই ভুল ধারণা ভেঙে গেলো। সকাল ১১ টার দিকে একজন হুজুর টাইপের লোক আসলো, সাথে ছোট একটা ব্যাগ ছিল। প্রথমে বুঝিনি, উনি বেডে বসলেন এবং উনি এসে আমার সাথে কথা বলতে লাগলেন এবং আমার জন্য কেনা লুঙ্গি টা মামা নিয়ে আসলে উনি পরে ফেলতে বললেন। তখন বুঝে গেছি যা বোঝার। পরা শেষে কাছে ডেকে উনি লুঙ্গি উঁচিয়ে নুনু ধরে দেখলেন, ফুটালেন ও কয়েকবার। ২ টা ওষুধ বের করলেন এবং আম্মু কে পানি এনে দিতে বললেন এইগুলা খাওয়ার জন্য। ঔষধ খাওয়া শেষে একটি সিরিঞ্জ রেডি করে উপরের দিকে দেখতে বললেন। আমি জেদ করলাম যে না আমি দেখবো। 


মামা ও বললেন , তাও শুনলাম না। তারপরে উনি বললেন থাক, এবং আমার সামনেই নুনুর মাথায় ইনজেকশন এর সুই ঢুকলেন। প্রথমে ডান সাইডে একবার পরে বাম সাইডে একবার এতে করে অনেকটা ফুলে গেছিলো। উনি সামান্য ডললেন এবং আমাকেও ডলতে বললেন ২ হাত দিয়ে। আমিও সেটা করলাম কিছুক্ষন, উনি উনার জিনিসপত্র রেডি করতে থাকলেন। মামা আমাকে বললেন যে প্রস্রাব করে নিয়েছি কিনা আমি, বললাম না কিন্তু প্রস্রাব লাগছে একটু। লোকটা নুনু দেখে বললেন এখন প্রস্রাব করা যাবেনা মাথা একদম চেপে গেছে , এই অবস্থায় ফুটানো ও সম্ভব না আর। ডলার পরে একটু ফোলাভাব কমলে করতে হবে , মিনিট তিনেক পরে আমাকে বললেন মাথার দিকে চিমটি দিয়ে পরীক্ষা করতে ব্যাথা লাগে কিনা, চিমটি দিয়ে দেখি লাগেনা। তখন ফোলাভাব একটু কমছে এবং আমাকে প্রস্রাব করে আসতে বললেন। করে আসার পরে মামাকে বেডে উঠতে বললেন এবং ২ হাত-পা ২ দিকে ধরে বসাতে বললেন আমাকে উনিও হেল্প করলেন এবং আব্বুকে বললেন চোখ ধরার জন্য। কিন্তু আমি আবারো জেদ করলাম দেখার জন্য তারপরে চোখ ধরতে মানা করলেন। উনি একটা কাঠি নুনুর উপরে রেখে দেখলেন , তারপরে ঢুকানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু ঠিকভাবে ঢুকলো না, এরপরে একটু জোর করে ঢুকলেন এবং বাঁশের একটা কুঞ্চি আটকালেন। তারপরে বললেন এইবার চোখ ধরতে নইলে দেখলে জ্বর আসবে। এইবার আমার কোনো নিষেধ ই কেউ শুনলো না, মাথা বাম দিকে চেপে ধরে চোখ ঢেকে রাখলেন আব্বু। নুনু কখন কাটল টের পাইনি একদম ই। কিছুক্ষন পরে উনি চোখ ছেড়ে দিতে বললেন, মনে হয় কোনো রক্ত বের হয়নি। নুনুর চামড়া উল্টিয়ে উনি চেপে ধরে রাখছেন এবং নেবানোল পাউডার দিয়ে দিচ্ছিলেন। নিচে কাঠির মাথার দিকে কাঠির সাথে লাগানো চামড়া সহ পড়ে আছে , যেই চিমটা দিয়ে আটকেছিলেন সেটাও আছে, এক টুকরো কাপড় , একটা শার্প ব্লেড এর প্যাকেট , একটা খোলা ব্লেড ও পড়ে আছে (ঐটা দিয়েই কাটছে সিওর), ব্লেডের গায়েও রক্তের চিহ্ন ও নেই । এরপরে একটা টিসু পেপার গোল করে পেচালেন এবং ছোট একটা কাপড় দিয়ে বেঁধে দিলেন। মামাকে ছেড়ে দিতে বললেন আর আমাকে শুয়ে থাকতে বললেন। (সমাপ্ত) 


 

Post a Comment

0 Comments