প্রথমে হাজাম পরে ডাক্তার - ১ম পর্ব

এখানে নাম পরিচয় এর বিশেষ কোনো দরকার আছে বলে মনে হয়না, ঘটনাটাই শেয়ার করি সরাসরি। আমার মুসলমানি দেওয়া হয় ক্লাস ফাইভ এর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শেষে। আগেই দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তখন মামা বিদেশ থাকতেন, এবং উনি নিষেধ করছিলেন যে উনি আসার পরে দেওয়ার জন্য। উনিও মার্চের দিকে আসেন এবং আমার পরীক্ষা এপ্রিল এর মাঝামাঝির দিকে শেষ হয়ে যায়। গরমের শুরুর দিক আর কি। মামা আমাদের বাড়িতে আসলেন এবং এই বিষয়ক কথার সময় উনি আমাকে কাছে ডাকলেন এবং নুনু দেখতে চাইলেন। নিজেই উনি প্যান্ট তা টেনে খুলে দিলেন এবং ফুটানোর চেষ্টা করে দেখলেন হয়না। এইটা বাড়িতে বলার পরে উনি বললে ওকে হাজাম দিয়ে করানোর দরকার নেই ডাক্তার দিয়ে করলে ভালো হয় কারণ নুনু ফুটেনি। 


কিন্তু আব্বু বললেন যে ডাক্তার দিয়ে উনি করবেন না, আমার এক চাচাতো ভাইয়ের কথা বললেন যাকে ডাক্তার দিয়ে করেছে কিন্তু দেখতে বেশি ভালো হয়নি। ডাক্তার এর কাছে দেখানো যায় এই কারণে যেহেতু নুনু ফুটেনি, এটার কি সমাধান হয় সেটার জন্য। সেইদিন ই বিকালে যাওয়া হলো এক ক্লিনিকে ডাক্তার অফার করলেন মুসলমানি করিয়ে ফেলতে এই সমস্যার জন্য। মামা কথাটা কৌশলে এড়িয়ে গেলেন এইটা বলে যে পরে করবো। এরপরে ডাক্তার আমাকে বললেন চকলেট খাবা ?? বললাম হ্যা , উনি বললেন চলো ওই রুমে ওখানে আছে। আগে তোমার কি সমস্যা সেটা দেখে নেই তারপরে। উনি প্যান্ট খুলে শোয়ালেন আমাকে চিকন টাইপের একটা বেড এ। উনার আরেক সহযোগী আমাকে হাতের দিকে ধরে রাখলেন। উনি নুনু একটু ধরে দেখলেন, এরপরে কি একটা জিনিস এনে নুনুতে সেট করে শীতকালে হাত গরম করতে আমরা যেভাবে ২ হাতের তালু ঘষি ঐভাবে ঘুরালেন বেশ একটা ব্যাথা করে উঠলো, আমি কান্না করে ফেলছি। এরপরে উনি নুনু আবার একটু ধরে কি যেন করলেন এবং টিসু দিয়ে মুছে দিলেন। এরপরে আমাকে প্যান্ট পরে নিতে বললেন এবং এক মুঠ চকলেট ও দিলেন। 

To be continued.....................

Post a Comment

0 Comments