সিজানের মুসলমানির অভিজ্ঞতা - ৩য় ও শেষ পর্ব

উনি আমার পরা গামছাটা খুলে নিলেন এবং বললেন হাত বেধে মাথার পিছনে রাখতে আর বললেন কেউ একজন মাথা উপরে করে ধরেন । মামা এসে ধরলেন, উনার সাথে কথোপকথন চলতে লাগলো ।

নাম কি : সিজান 

আব্বু বললেন ভালো নাম বলো , আমি বললাম ।

এরপরে আব্বু, দাদা ইনাদের নাম শুনলেন ।

আরো বেশ কিছু মজার টাইপ কথা হলো, তারপরে কালেমা পড়তে বললেন উনার সাথে আর বলা শেষ হতে হতেই হালকা একটা ব্যাথা করে উঠলো । আমি 'আউচ' টাইপ একটু শব্দ করে উঠলাম, উনি বললেন কিছু না, আর কোনো ব্যাথা লাগবেনা ।


পরে তেমন কিছু টের পাইনি আর, উনি আবার মজার মজার আলাপ করতে শুরু করলেন । কাজ শেষে বললেন হাত ছেড়ে দিতে আর আমাকে শুতে বললেন । দেখলাম নুনু সাদা কাপড় দিয়ে মুড়ানো আর কাপড়ের মাথার দিকে অল্প একটু রক্তের দাগ আছে । উনি রুমের বাইরে চলে গেলেন, খালামনি জিজ্ঞাসা করলেন কিরে ব্যাথা লাগছে বেশি ? বললাম না তেমন একটা না, তবে একটু জ্বলতেছে ।উনি বললেন ও কোনো সমস্যা না, একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে এবং উনি হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে লাগলেন । একটু পরে বললাম খালামনি আমার কিন্তু আমার আবার প্রশাব লাগছে । বললেন এখন ই ? আচ্ছা বাথরুমে যাওয়ার দরকার নেই এখন, মাত্র ব্যান্ডেজ করছে নড়াচড়া করা ঠিক না । উনি একটা ছোট বালতি এনে বেড এ দাড়িয়ে বালতিতে করতে বললেন । প্রসাব দেখি একটু সরু হয়ে বেশ বেগে একটু ডান ও নিচের দিকে পড়ছে । উনি বললেন মনেহয় এটা ব্যান্ডেজ এর কারনে হচ্ছে খুললে তখন ঠিক হয়ে যাবে । এর ৪ দিন পরে গরমপানি বানিয়ে সেটা আস্তে আস্তে ঢেলে বেশ সময় নিয়ে ব্যান্ডেজ খোলা হলো । এরপর শুরু হলো প্রত্যেকদিন নেবানল পাউডর নেয়া যা শুখানোর সময় অব্দি চলতে থাকলো । এই পুরো সময়টা খালামনি ও নানি অনেক দেখভাল করছে আমার, যেহেতু আমি মাঝের ৪ দিনের কথা স্কিপ করে গেছি তাই হয়ত আপনারা বুঝতে নাও পারেন । তবে বোঝানোর জন্য মাঝের ৪ দিনের কথার কোনো দরকার নেই, যাদের খালা ও নানি আছে তারা সবাই ই জানেন তাদের কাছে আমরা কত আদরের । রক্তের সম্পর্ক বলে কথা, অন্যরকমের বন্ধন এটা ।



Post a Comment

0 Comments