সিজানের মুসলমানির অভিজ্ঞতা - ২য় পর্ব

বিকালে হাজাম আসার কথা, সবাই বাড়ির ভিতরে তখন । আমি ছাদে যেয়ে বসি আছি, বেশ ভয় লাগছিলো আমার । তখন খালামনি আসলো ছাদে আর বললো নিচে চল, আমি বললাম আমার খুব ভয় করছে । উনি কাছে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন ভয়ের কি আছে ? কিচ্ছু হবেনা, আমি কাছে থাকবো তোর । আমি বললাম কাটলে অনেক ব্যাথা পাব । উনি বললেন কতসময় নখ কাটতে যেয়ে হাত কাটছে না তোর ? প্রেসার কুকারের ছ্যাকা খেয়ে পুড়ে ফোসকা পড়েনি ? আর এ তো খুব সামান্য একটা ব্যাপার আর হাজম তো কেটেই ওষুধ লাগিয়ে দিবে, ওদের কাছে এসবের খুব ভালো ওষুধ আছে । তখন নিচে একটা মটর সাইকেলের শব্দ পেলাম, দেখি একটা লোক আসছে । উনি বললেন ইনিই মনে হয় হাজাম, চল চল একটুও ভয় পাস না, কিচ্ছু হবেনা । নিচে যাওয়ার পরে দেখলাম লোকটা ভিতরে আসছেন আর বললেন আরেকটা কাজ ছিলো তাই দেরি হয়ে গেলো ।


আমাকে দেখে বললেন এই ছেলের নাকি ? আব্বু বললনে হ্যা , উনি বললেন ঠিক আছে কোনো সমস্যা নেই । উনি সোফায় বসে আমাকে কাছে ডাকলেন আর বললেন মন খারাপ কেনো, আজকে তো খুসির দিন তোমার । এরপরে একটা গামছা চাইলেন উনি আর পরতে বললেন আমাকে । গামছা পরার সময় দেখলাম উনি একটি সিরিঞ্জ রেডি করতেছেন । গামছা পরে উনার কাছে গেলাম, উনি নুনু ধরে ফুটালেন এবং আমাকে উপরে দেখতে বললেন । বেশ একটা ব্যথা অনুভব করলাম আমি । দেখলাম নুনুর মাথা ফুলে গেছে, উনি বললেন ২-৪ মিনিট একটু হাটাহাটি করো আর প্রস্রাব করে আসো । খালামনি আমাকে বললেন চল ছাদ থেকে আরেকপাক ঘুরে আসি । ছাদে যেয়ে ছাদের এপাশ থেকে ওপাশ একবার হাটলাম, খালামনি বললেন এবার পেশাব করে নে এখানেই । আমি দাড়িয়ে প্রশ্রাব করতে লাগলাম, উনি বললেন দাড়ায় পেসাব করতে হয়না মামা । এতে গুনাহ হয়, বসে পেসাব করতে হয় । আমি বললাম আমি তো বসে করতে পারিনা, উনি বললো আস্তে আস্তে চেষ্টা করবি এখন থেকে করার । উনি আমাকে ছাদের ট্যাপের কাছে ডাকলেন আর বললেন ধুয়ে নে, নইলে ১-২ ফোটা ভিতরে থাকলে ওটা রক্তের সাথে মিশলে কিন্তু জ্বলতে পারে । ধোয়ার পরে উনি ওড়না দিয়ে আলতো করে মুছে দিয়ে বললেন চল এবার নিচে যাই । নিচে যাওয়ার পরে হাজাম বললেন প্রসাব করছো ? আমি মাথা ঝাকালাম, এরপরে উনি নুনু আঙ্গুল দিয়ে একটু ডলাডলি করলেন । 


Post a Comment

0 Comments