আমার নাম সিজান ।আজকে আমি আমার মুসলমানীর ঘটনা শেয়ার করবো সবার সাথে । আমার যখন মুসলমানি হয় তখন আমি ক্লাস থ্রি এর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা দিয়েছি কেবল । পরিক্ষার সময় থেকেই শুনছিলাম যে পরীক্ষা শেষে গ্রামে নানাবাড়ি যাওয়া হবে বেড়াতে । আমি বেশ আনন্দেই ছিলাম এটা শুনে । অত:পর পরীক্ষা শেষে যাওয়া হলো, মামাবাড়িতে তখন মানুষ বলতে নানী, ছোটমামা এবং খালামনি । মামাবাড়িতে যেয়ে প্রথমদিকে ২ দিন ভালোই কাটলো, কিছুই জানিনা যেহেতু ।
কিন্তু পরেরদিন শুনতে পেলাম আজকে নাকি আমাকে মুসলমানি করানো হবে, বিকালে হাজাম আসবে । নানী আম্মুকে জিজ্ঞাসা করলো আমার নুনু ফুটে কিনা । আম্মু এই ব্যপারে নির্বিকার কারণ আম্মুর এসব ব্যপারে কোনো ধারনা নেই । তখন নানি বললেন নানাভাই একটু কাছে আয় তো দেখি তোর নুনু ফুটে কিনা । খালামনি টেনে আমার হাফপ্যান্টটা খুলে নিলো , তারপর নানি নুনু ধরে চামড়া পিছনের দিকে ঠেলে দিলো কিন্তু খুব সামান্য একটু পিছনে গেলো । তখন নানি খালামনিকে বললো ওর নুনুটা ২ হাতের তালু দিয়ে একটু ম্যাসাজ করে চামড়াটা একটু জোরে পিছনে ঠেলে দেখ । খালামনি তাই ই করলেন এবং নুনু ফুটে গেলো, খুব সামান্য একটু ব্যাথা লাগলো। কিন্তু ভিতরে চর্বি টাইপের কিছু দেখা যাচ্ছিলো, নানি বললেন তোর মার তো কোনো আক্কেল জ্ঞান ই নাই রে । আম্মুর দিকে তাকিয়ে বললো ছেলের নুনুতে ময়লা জমে কি হয়ে গেছে দেখ । আম্মু বললো এগুলো তো আমি জানিনা, তোমার জামাই ও কিছু বলেনি কখনো । এরপরে নানি তার আঙ্গুলে শাড়ির কোনা পেচিয়ে কিছুটা পরিষ্কার করে দিলেন । তারপর খালামনি আর আম্মুর দিকে তাকিয়ে বললেন আমি তো চোখে কম দেখি তোরা একটু ভালোভাবে পরিষ্কার করে দে তো । খালামনি বললেন বারান্দায় চল রুমে আলো কম । বারান্দায় যেয়ে খালামনি তার ওড়নার আচল দিয়ে টেনেটেনে পরিষ্কার করছিলেন, তখন একটু একটু ব্যথা লাগছিলো । আমি আহ করে উঠলাম, উনি বললো একটু সহ্য কর মামা নাহলে হাজাম যদি এটা পরিষ্কার করে তখন কিন্তু বেশ ব্যাথা দিয়ে পরিষ্কার করবে । আম্মু বললো সেতু দেখতো এগুলো মনে হচ্ছে মাংসের সাথে জুড়ে গেছে, উঠতেই চাচ্ছেনা । খালামনি বললো তাও দেখি চেষ্টা করে কতদুর কি পারি । মোটামুটি তখন ৯০% ময়লা উঠে গেলো আর ওখানে একটু লাল হয়ে গেছিলো । ঘন্টাখানেক পরে গোসলের সময় খালামনি সাবান দিয়ে ঘসলেন এবং আরেকটু চেষ্টা করলেন, এতে প্রায় সম্পুর্ন পরিস্কার হয়ে গেছিলো

0 Comments