পেশাবে সমস্যা অতঃপর মুসলমানি - ২য় ও শেষ পর্ব

সেই ডাক্তার বললেন, কিন্তু আপনারা যে বললেন ২ টা পরীক্ষা বাকি এখনো। 

উনারা বললেন পরীক্ষা বাকি তাতে সমস্যা নাই। এমন কোনো পরীক্ষা না যে ও না দিলে ওকে নতুন ক্লাসে উঠাবেনা। এই সমস্যা আর যে রিস্ক বললেন এখন না দেওয়া পর্যন্ত সবসময় টেনশনে থাকবো আমরা। 

এরপরে যা হওয়ার সেটাই হলো। ডাক্তার আমাকে বললেন পেসাব করে আসতে। তারপরে তারপরে আব্বু আম্মাকে বললেন একটা ন্যাকড়া পরিয়ে আনতে। আম্মু তার পুরোনো একটা ওড়না পেঁচায় দিলেন আমাকে। এরপরে উনি আমাকে ২ দিকে পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়তে বললেন। বলতেছিলেন আজকে মুসলমানি দিবোনা , আজকে শুধু ফুটিয়ে দিয়ে পাউডার দিয়ে যাবো। পরীক্ষা শেষে অন্যএকদিন এসে মুসলমানি দিবো। কিন্তু আমি ঠিক ই  জানতাম যে এখন মুসলমানি করবে। আম্মুকে বললেন একটা পরিষ্কার পুরাতন কাপড় দিতে , তারপরে উনি ই বললেন যে এই ন্যাকড়া থেকে ছিড়ে নিলে কি হবে ? আম্মু বললেন যে হ্যা হবে। তারপরে উনি ন্যাকড়া থেকে একটু কাপড় ছিড়ে নিলেন। 

আমার সাথে বিভিন্ন কথা বলতে লাগলেন। ৪ কালিমা পড়তে বললেন, যতদূর মনে পড়ছে কালিমা তামজীদ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই উনি কেটে দিয়েছিলেন। বেশ ব্যাথা করে উঠলো । সব শেষ হওয়ার পরে উনি বলেন যে এখানে কিন্তু চাপ দেওয়া যাবেনা, তাহলে কিন্তু রক্ত বের হবে। 

এরপরে বিকালে আমি আম্মু কে ডেকে জিজ্ঞাসা করছিলাম যে কি কি করলেন ওই ডাক্তার।

আম্মু বললেন যে উনি আমার নুনু একটু ফুটানোর চেষ্টা করলেন, তারপরে ইনজেকশন দিলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে কখন ? আমি তো কোনো ইনজেকশন টের পেলাম না। তারপরে কি হলো জিজ্ঞাসা করলাম , আম্মু বললেন উনি উনার ব্যাগ থেকে একটা বাক্স বের করলেন, আর সেখান থেকে কেচি , কাঠির মতো কি একটা , স্টিলের চিমটা , ব্লেড এইসব বের করলেন। উনি একটা কেচি দিয়ে চামড়া ফাঁকা করার চেষ্টা করছিলেন কিন্তু তাও তেমন একটা হচ্ছিলোনা। এরপরে উনি নুনুর ভিতরে কাঠি জাতীয় কিছু একটা ঢুকালেন আর চামড়া টেনে চিমটা জাতীয় কিছু একটা দিয়ে চামড়া আটকে দিলেন। ছোট একটা টিউব টাইপের বোতল থেকে তুলোতে কি মাখালেন এবং ঐটা দিয়ে ব্লেড মুছলেন উনি। তারপরে ব্লেড দিয়ে টান দিলেন। একদম চোখের পলকেই চামড়া কাটা হয়ে গেলো। উনি চিমটার উপরে আরো ২/৩ বার ব্লেড টানলেন (হয়তো চামড়া একটু বাকি থাকলে সেটাও কাটা হয়ে যাবে এই কারণে ) । উনি সেই ওড়নার কাপড়টা দিয়ে নুনু ধরলেন এবং মুছলেন, তারপরে চামড়া মুড়িয়ে দিলেন (উল্টা করে দেওয়া) . তারপরে নেবানল পাউডার দিয়ে তুলা এবং গজ দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিলেন। 

বললাম সেই চামড়াটুকু কোথায় ? বললো রান্নাঘরের জানালায় মেলে দিয়ে রাখছি , উনি বলে গেছিলেন এইটা যত দ্রুত শুকাবে আমার নুনুর ঘা ও তত দ্রুত ঠিক হবে (কুসংস্কার ) . এরপরে চামড়া টা এনে দেখালেন ও আমাকে। তখন কাঁচা ভাব ছিল চামড়াটায়। সপ্তাহখানেক পরে দেখালেন আবার, যে চামড়াটা শুকিয়ে গেছে এবং শুকিয়ে বেশ ছোট হয়ে গেছে। 

ততদিনে আমার নুনুর ব্যান্ডেজ ও খোলা হয়ে গেছে , তবে পুরোপুরি শুকায়নি। 

(শেষ)

Post a Comment

0 Comments