ছোট থাকতে আমার বাবা-মা কে দেখছি ঠিক ততটা স্ট্রিক্ট না যতটা অন্যদের বাবা-মা কে দেখতাম। তারা আমার অনেক কথা শুনতেন , প্রাধান্য ও দিতেন। এই ঘটনা ক্লাস থ্রি তে পড়ার সময়ের। আমি যদি কখনো কোনো কারণে স্কুলে যেতে না চাইতাম ১ দিনের জন্য , তারা সেটা মেনে নিতেন। আমিও সপ্তাহে শুধুমাত্র রবিবার এ এই বায়না টা করতাম।
যারা বাংলাদেশে থাকেন, তারা নিশ্চই জানেন রবিবারে সকালে ভারতীয় বাংলা চ্যানেল গুলোতে কি কি হতো।
যাক গে সেসব কথা, নভেম্বর এর শেষের দিক , ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। বাংলা পরীক্ষার দিন আমি পরীক্ষা দিচ্ছি, রচনা বাদে সব লেখা শেষ।
তখন হটাৎ প্রস্রাব চাপলো , আমি গেলাম টয়লেটে। ভাবছি ভাবছি প্রশ্রাব করে এসে বাকি টাইম নিয়ে বেশ সুন্দর ভাবে রচনাটা লিখবো।
কিন্তু প্রশাব করতে গিয়ে দেখি নুনুর মাথা হালকা ফুলে আসতেছে এবং প্রস্রাব অনেক সরু ভাবে বের হচ্ছে। এর আগে থেকেও সামান্য ফেস করেছি এইসব বিষয়ে কিন্তু তেমন পাত্তা দেয়নি কারণ সেইদিনের মতো প্রসাব করতে কষ্ট হয়নি।
কোনোভাবে শেষ করলাম, এবং পরীক্ষা দিলাম এসে। বাড়িতে এসে প্রথমে আম্মুকে জানালাম। আম্মু নুনু একটু নাড়াচাড়া করে দেখলেন কিন্তু কিছু বুঝলেন না। আব্বু বাড়িতে আসলে আম্মু আব্বুকে বললেন। আব্বু আমাকে নুনু বের করতে বললেন, এবং উনি চামড়া পিছনে সরানোর চেষ্টা করলেন (ফুটানো) কিন্তু কোনোভাবেই পারছিলেন না।
আব্বু কথা থেকে আইডিয়া বের করলেন যে গোসলের সময় নুনুর সোজা পানি ঢেলে চেষ্টা করলে ফুটানো যাবে। পরের দিন আম্মু সেই চেষ্টা করলেন এবং তাতেও বার্থ হলেন।
চেষ্টা বেশ কিছুদিন চললো, সমস্যার তেমন সমাধান হলোনা এবং ফুটানো ও গেলোনা।
তখন আমাদের ওখানে একজন গ্রাম ডাক্তার ছিলেন যিনি মুসলমানি ও করতেন। আব্বু তাকেই ডাকলেন, উনি দেখলেন এবং বললেন যে অবস্থা বেশ সিরিয়াস। কিডনি এর সম্যসা হয়ে যেতে পারে এভাবে চলতে থাকলে।
ডাক্তার বললেন পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই মুসলমানি করিয়ে ফেলতে। আব্বু আম্মু বললেন যে আমরাও সেই প্ল্যান ই করেছিলাম। কিন্তু এখন সেটা সম্ভব না। ওকে আজকেই দিয়ে দেন মুসলমানি।

0 Comments