আমার মুসলমানির গল্প

আমার যখন মুসলমানি হয় তখন আমার বয়স ছিল ১২/১৩ বছর।মুসলমানি একটু দেরি করে হবার কারণ হলো,আমার বড় ভাই বিদেশে যাবে দালালদের কাছে টাকা জমা দিয়েছে।কিন্তু দুই থেকে তিন বছর যাবৎ দালাল ঘুরাইতেছে।তাই টাকা পয়সার ঝামেলা ছিলো।কিছুদিন আগে দালাল খবর দিলো,এক মাসের মধ্যে ফ্লাইট দিবে।তাই আমার আম্মু বড়ভাইকে বললেন,"মাসুম বড় হয়ে যাইতেছে তুমি যাইবার আগে তাকে মুসলমানি করিয়ে দিয়ে যাও বাবা।ভাই বললেন,"ঠিক আছে।" সবকিছু রেডি করা হলো।আগামী রবিবার সকালে মুসলমানি করানো হবে।রাতে আম্মু বললেন ,"ভয় কিসের বাবা,এটা সব ছেলেদের হয়,ভয়ের কিছু নাই ।" পরের দিন আব্বা জানতে চাইলেন,আমার নুনু ফুটেছে কিনা। আমি আব্বাকে দেখাইলাম,নুনু ফুটেছে।আব্বা খুবই খুশি হলেন। আমার নুনু ফোটার কারণ হলো,আমার চাচাতো ভাই আমার চেয়ে চার বছরের বড়, উনি আমাকে হস্তমৈথুন শেখালেন। বললেন,"এই ভাবে করলে নুনু দিয়া মাল বের হয়।অনেক আরাম পাবি।" আমি করতে শুরু করলাম । অনেকক্ষণ করার পর ঝিমঝিম করে আরাম পাই ।কিন্তু বীর্য বের হয় না। বুঝতেই পারছেন সবাই বয়স অনেক কম,তাই বীর্য বের হয় না। তারপর আমাদের বয়সী সবাই একসাথে বসে নুনু ফোটাতাম। মুসলমানি খেলা খেলতাম। একজন হাজাম হতাম,আরেকজন ধরে রাখতাম ।তাই আমার নুনু
সুন্দরভাবে ফুটে গিয়েছিলো ।
রবিবার দিন সকাল নয়টায় হাজাম আসলেন।বাড়ির সব মহিলারা মিলে আমাকে গোসল করালেন।আর ভাবীরা সবাই মুচকি মুচকি হাসাহাসি করছিলেন।এক ভাবী বলছেন,"আজকে কিন্তু হবে তোমার মুসলমানি।" আরেক ভাবী বলছেন,"তোমার নুনু ফুটছে নি ? নুনু ফুটে থাকলে নাকি তেমন ব্যাথা লাগেনা।" আরেক ভাবী বলছেন,"আমাকে দেখা আমি ফুটায় দেই।" আমি লজ্জায় লাল হয়ে গেলাম।আরেক ভাবী বলছেন,"আর বলিস না।দেবর আমার লজ্জা পাইছে।" আরেক ভাবী বলছেন,"লজ্জার কি আছে,কিছুক্ষণ পর যখন সবার সামনে লেংটা করে মুসলমানি করানো হবে তখন কি হবে।" এবার সবকিছু রেডি করে হাজাম সাহেব বসে আছেন।আমার পরনে ছিল ছাপা লুঙ্গি।হাজাম সাহেব বললেন লুঙ্গি খুলে ফেলতে।আমি অনেক বাধা দিলাম কোন লাভ হলো না।আমার চাচা আসলেন আমাকে ধরার জন্য।হাজাম সাহেব বললেন,"খুবই ভালো করে ধরবেন।ছেলে ঝাটকা দিতে পারে।' ঐ দিকে আমার আম্মু কি করলেন ? আমি কান্না করবো ভেবে পাশের বাড়ি চলে গেলেন।আমাকে লেংটা করে হাজাম এর সামনে বসানো হলো।
বাড়ির সকল ভাবী,চাচী চাচাতো ভাই বোন সবাই আসছে।যুবতী মেয়ে এবং ভাবীরা সবাই মুখে কাপড় দিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে।এবার হাজাম সাহেব আমার নুনুর মধ্যে হাত দিয়ে নুনুর চামড়াটা পেছনের দিকে টেনে দেখতে চাইলেন নুনু ফুটেছে কিনা।নুনু দেখে হাজাম সাহেব বললেন,"খুবই সুন্দর ভাবে নুনু ফুটেছে।" সবাই হাতে তালি দিলেন।তারপর হাজাম সাহেব আমার নুনুর ভিতর বাঁশের একটি শলা ঢুকিয়ে নুনু টান দিয়ে মাপ নিতে লাগলেন কতটুকু কাটতে হবে।ঐ দিকে ভয়ে আমার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে।তারপর একটি বাঁশের চিপা কাঠি দিয়ে নুনুর চামড়াটা চেপে ধরলেন।তখন আমার মনে হচ্ছিলো আমার নুনু যেন টেনে ছিঁড়ে ফেলছে।লজ্জায় আমি কান্না করতে পারছি না।হাজাম সাহেব বললেন,"সবাই কালিমা পড়েন," বলে উনি ছুরি চালিয়ে দিলেন হয়ে গেল নুনুর আগা কাটা।আর ভাবীরা সবাই বলতে লাগলেন,"হয়ে গেছে, হয়ে গেছে !" তারপর হাজাম সাহেব আমার নুনুর চামড়া টা পেছনের দিকে টেনে ব্যান্ডেজ করে দিলেন।তারপর আমার চাচা আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিলেন।অনেক জ্বালা পোড়া করছিলো।এক ভাবী আসলেন হাতপাখা নিয়ে।উনি বাতাস করতেছিলেন, অন্য ভাবীরা মুচকি মুচকি হাসাহাসি করতে লাগলেন।আরেক ভাবী বলছেন,"দেবর,তোম
ার নুনুটা না অনেক সুন্দর হইছে।" আরেক ভাবী বলছেন,"তোমার নুনুটা না একদম গোলাপ ফুলের মতো ফুটে আছে।" তারপর হাজাম সাহেব যাবার আগে বলে গেলেন দুইদিন পর ব্যান্ডেজ খুলে ফেলতে।তারপর গরম ছ্যাঁক নিতে,তা হলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।ভাবীরা একজন আরেকজনকে বলছেন ব্যান্ডেজ খোলার পর আবার এসে দেখে যাবেন।দুইদিন পর আম্মু পানি গরম করে দিলেন আমি ডেটল মিশিয়ে নিলাম।তারপর একটু একটু করে ভিজিয়ে ব্যান্ডেজ খুলে ফেলছি।বিকালে ভাবীরা সবাই দল বেঁধে আসলেন।এসে নুনু দেখতে চাইলেন।আমি দেখাতে রাজি হই না ভাবীরা বলছেন,"লজ্জার কি আছে এখানে।" তারপর আমি লুংগী উপর তুলে দেখাইলাম।
(সমাপ্ত)

Post a Comment

0 Comments