রায়হানের মুসলমানি

আমার নাম রায়হান।
আমি আমার মুসলমানির ঘটনাটা শেয়ার করলাম কেনো তা পুরো ঘটনা পরার পর বুঝতে পারবেন।এবার মূল ঘটনায় আসি।আমার মুসলমানি করার কথা ছিলো আমি যখন ক্লাস টু তে পড়ি।তো তারই প্রস্তুতি হিসেবে আমার জন্য কিনে আনা হলো নতুন লুংগি।মুসলমানি হবার কিছু দিন আগে থেকেই আমাকে লুংগি পরা ভালো করে শিখানো হলো।একটা কথা আগেই বলে রাখতে চাই যে আমি ছোট বেলা থেকেই খুব দুষ্ট আর ডানপিটে প্রকৃতির ছিলাম।যাই হোক আমার জন্য কিনে আনা হলো কাটা বা সেলাই ছাড়া লুংগি যা মুসলমানির সময় দেয়া হয় কিন্তু আমি সেলাই ছাড়া লুংগি পড়তে রাজি হই নাই।কারণ আমার মনে হয়েছিলো কাটা লুংগি পরলে সবাই আমার নুনু দেখে ফেলবে।তাই বাধ্য হয়ে বাসা থেকে লুংগি আবার সেলাই করে আনে।আবার এইদিকে আমার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাবার কারণে আমার মুসলমানি কিছুদিন পিছিয়ে যায়।যাই হোক ক্লাস টু এর ফাইনাল এক্সাম এর পর মানে ক্লাস থ্রি এর শুরুতে আমার মুসলমানির দিন ঠিক করা হয়।মুসলমানির জন্য আমাকে রাজি করাতে আমার বাবা মায়ের তেমন কোন বেগ পেতে হয়নি শুধু কিছু শর্ত দিয়েছিলাম কিছু জিনিস কিনে দেবার জন্য।একটা হ্যান্ড ভিডিও গেম আর কিছু প্রিয় খাবার। ছোট থেকেই আমি একটু খাদক ছিলাম।এবার কাজের কথায় আসি।তো দিন ক্ষণ আগে থেকেই ঠিক ছিলো।আমাকে দুপুরে হলুদ দিয়ে গোসল দেয়া হলো।এরপর নতুন লুংগি পরানো হলো।এদিকে গনি সাহেব ও হাজির।আমাদের এইদিকে হাজামকে গনি বলা হয়।
আমাকে একটা পিঁড়িতে বসানো হলো।এরপর হাজাম আমার নুনুটা কয়েক মিনিট নাড়াচাড়া করে কিছু একটা মাপ নিলেন মনে হয়।এরপর বাঁশের একটা কাঠি নুনুর ভেতরে ঢুকালেন।এই সময় আমার চোখ পেছন থেকে ঢেকে ফেলা হলো।এর এক মিনিট পরই খালি বুঝতে পারলাম যে কোন কিছু আমার দেহ থেকে নাই হয়ে গেলো।হাজাম যখন নুনুর চামড়াটা হাত দিয়ে উল্টায় দিলো তখন বুঝতে পারলাম যে দুনিয়া কাকে বলে।
এরপর পাতলা তেনা দিয়ে আমার নুনু বেঁধে দেয়া হলো।একটা কথা বলে রাখা ভালো ঐ সময় নুনু ফুটানো কি আমি বুঝতাম না।হয়তো মুসলমানির আগে কেউ আমার নুনু ফুটায় দিয়ে ছিলো।এরপর আমাকে কোলে করে বিছানায় নিয়ে শোয়ানো হয়।হাজাম যাবার আগে একটা ছোট কৌটা হাতে দিলো আর বললো এই পাউডারটা নিয়মিত দিতে।পাউডারটার নাম মনে হয় সবার জানা, নেবাঁনল পাউডার।

Post a Comment

0 Comments