ঘটনাটা সংক্ষেপে দিচ্ছি এক পর্বেই যাতে শেষ হয়। গ্রামের দিকে মুসলমানির জন্য হাজাম ই একমাত্র। তাছাড়া তখন ও মেডিকেলে করাটা অত বেশি প্রচলিত ছিলোনা। একান্নবর্তী পরিবার আমাদের। বাড়ির উঠানের চারিদিকে অন্য চাচাদের বাড়ি ছিল। আমাদের মুসলমানি যেইদিন করার কথা সেইদিন আমি সহ মোট ৫ জন এর করার কথা। ২ জন এক চাচার ছেলে, অন্য ২ জন আরেক চাচার ছেলে এবং আমি। স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ তখন , প্রচন্ড ঠান্ডা এবং কুয়াশা ও থাকে উত্তরবঙ্গের দিকটায়। ঠিক যেইদিন মুসলমানি হওয়ার কথা সেইদিন ও অনেক শীত পড়ছিলো। হাজাম বলছিলো সকাল ও দুপুরের মাঝা মাঝি সময়ে আসবে, কারণ সকালে অনেক কুয়াশা থাকে। মোটামুটি আশে পাশে আত্মীয়স্বজন তো অনেকেই আসছিলো, আমার নানী এবং মামা মামী ও চলে আসছিলো আগেরদিন ই ।
আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ আসছে ২০১২ সালের দিকে। আর এইটা তো সেই নব্বই দশক এর ঘটনা। সোয়েটার জ্যাকেট পরেও সবাই কেমন কাঁপছে এমন অবস্থা। হাজাম এসে জানালো এতো ঠান্ডায় বাচ্চাদের বাইরে প্যান্ট খুলে এতো বেশি সময় রাখলে ঠান্ডা জোর বাঁধতে পারে। কিন্তু বাসার মধ্যে তো অন্ধকার, সেখানে কাজ করতে অসুবিধা হবে। কিছুটা শৈত্যপ্রবাহ চলছিল তখন ও, হাজাম বললো আমি বরং এদের বাইরে মুসলমানি করি আর বাড়ির ভিতরে যেয়ে বেঁধে দিবো। এবার হাজাম টুকরো কাপড় সব রেডি করে রাখলো , এবং সিরিয়াল ধরে নুনু কেটে দিতে লাগলো কালেমা পড়ায়ে। আগে থেকে ন্যাংটা করে রাখেনি সবাইকে , একজনকে করলে পরের জন এর প্যান্ট খুলা হয়েছিল শুধু আর কাটার পর পর ই নুনু কাপড় দিয়ে চেপে ধরে যার কাটা হয়েছে তাকে ঐভাবে ধরে বাড়ি পাঠালো। এবং আমাকেও ঐভাবে দাঁড় করায় কালেমা পড়া হতে হতেই কেটে দিলো আর কাপড় দিয়ে নুনু ধরে বাড়ি পাঠায় দিলো। ধরা বলতে গেলে, নুনু কাপড় দিয়ে একবার ঘুরায়ে নুনু তলপেটের সাথে টাচ করায় হাত দিয়ে চেপে ধরে ঐভাবে বাড়িতে যেতে বললো। আমার সিরিয়াল ছিল সবার শেষে। এরপরে হাজাম অন্য চাচাদের বাড়িতে ঢুকে বাঁধতে লাগলো ওদের নুনু গুলো।
ওদের গুলো শেষ করে আসতে আসতে আমি নুনু ঐভাবে ধরে আধশোয়া হয়ে আছি খাটে। কাপড় ভেদ করে হাতে রক্ত মেখে গেছে, আম্মু , নানী কাছে ছিল। বললো ছেড়ে দিতে, নানী ধরলো এবং কাপড়টা খুলে বললো উল্টানি ও তো দেয়নাই। মামা বললো না না দিচ্ছে উল্টানি, মনে হয় কাপড় খুলতে যেয়ে খুলে গেছে। এইদিকে আমার অনেক জ্বলতেছিল, ওই অবস্থায় রক্ত মুছে বললো নিজেরা উল্টায় দেয়, নয়তো রক্ত পড়তে থাকবে। এইটা বলে নানী উল্টায় দিলো তার হাত দিয়ে। মামী বললো এখন তো ঔষধ দিয়েই বেঁধে দিলে হয়ে যেত , হাজাম এর বাঁধা লাগতো না। হটাৎ বাইরে চিল্লাপাল্লার শব্দ, হাজাম অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে। আসলে এর কারণ টা পরে জানা গেছিলো , সে আগের দিন দুপুরে আর রাত্রে বৌয়ের সাথে ঝগড়া করে কিছু খায়নি, সকালেও রাগ করে না খেয়ে চলে আশায় গ্যাস পাম্প করে এই অবস্থা। উনাকে নিয়ে পাশে চাচাদের বাড়িতে বসালো, শুধু আমার ব্যান্ডেজ করা বাকি ছিল আর সবার হয়ে গেছে। একজন চাচা কে দ্রুত পাঠানো হলো ডাক্তারের কাছে, আর ভ্যান ডাকা হলো হাজামকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য। আমাদের গ্রামের একজন গ্রামডাক্তার ছিল, সে আসলো। হাজামকে দেখে সে কি কি বললো, আর হাসপাতালে পাঠানো হলো আর তার বাড়িতে বলতে একজন কে পাঠানো হলো। এবার উনি ভিতরে আসলেন আমার নুনু দেখার জন্য। এসে বললেন এই কাপড় কি হাজাম জড়াইছে ? বলা হলো যে রক্ত বের হওয়ার কারণে আমরা খুলে আবার পেচাইছি। উনি এসে আবার খুলে ফেললো কাপড়, অল্প একটু ব্যাথা করে উঠলো আবার। উনি বললো সব ঠিক ই তো আছে , এর উপর দিয়ে ওষুধ বা ছাই লাগায় দিয়ে বাঁধলেই হতো। উনার কাপড় খুলতে যেয়ে চামড়া আবার উল্টানো খুলে গেছিলো, এবার উনি নিজে উল্টায় দিলেন আর কি ধরণের একটা ঔষধ দিলো যেটায় খুব জ্বলছিল। এরপরে বেঁধে দিয়ে চলে গেলেন।
হাজাম সুস্থ হলো, এরপরে উনি নিজে এসে দেখে গেছিলো আমাকে, নুনু বললেন দেখে কোনো সমস্যা হয়নি, মুসলমানি খুব সুন্দর ভাবেই হয়েছে। আগার চামড়াডা তো আমি ঠিকঠাক ভাবে কাটতে পারছি তাই পরে ডাক্তার বাইন্ধা দিলেও আর সমস্যা হয়নি।
আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ আসছে ২০১২ সালের দিকে। আর এইটা তো সেই নব্বই দশক এর ঘটনা। সোয়েটার জ্যাকেট পরেও সবাই কেমন কাঁপছে এমন অবস্থা। হাজাম এসে জানালো এতো ঠান্ডায় বাচ্চাদের বাইরে প্যান্ট খুলে এতো বেশি সময় রাখলে ঠান্ডা জোর বাঁধতে পারে। কিন্তু বাসার মধ্যে তো অন্ধকার, সেখানে কাজ করতে অসুবিধা হবে। কিছুটা শৈত্যপ্রবাহ চলছিল তখন ও, হাজাম বললো আমি বরং এদের বাইরে মুসলমানি করি আর বাড়ির ভিতরে যেয়ে বেঁধে দিবো। এবার হাজাম টুকরো কাপড় সব রেডি করে রাখলো , এবং সিরিয়াল ধরে নুনু কেটে দিতে লাগলো কালেমা পড়ায়ে। আগে থেকে ন্যাংটা করে রাখেনি সবাইকে , একজনকে করলে পরের জন এর প্যান্ট খুলা হয়েছিল শুধু আর কাটার পর পর ই নুনু কাপড় দিয়ে চেপে ধরে যার কাটা হয়েছে তাকে ঐভাবে ধরে বাড়ি পাঠালো। এবং আমাকেও ঐভাবে দাঁড় করায় কালেমা পড়া হতে হতেই কেটে দিলো আর কাপড় দিয়ে নুনু ধরে বাড়ি পাঠায় দিলো। ধরা বলতে গেলে, নুনু কাপড় দিয়ে একবার ঘুরায়ে নুনু তলপেটের সাথে টাচ করায় হাত দিয়ে চেপে ধরে ঐভাবে বাড়িতে যেতে বললো। আমার সিরিয়াল ছিল সবার শেষে। এরপরে হাজাম অন্য চাচাদের বাড়িতে ঢুকে বাঁধতে লাগলো ওদের নুনু গুলো।
ওদের গুলো শেষ করে আসতে আসতে আমি নুনু ঐভাবে ধরে আধশোয়া হয়ে আছি খাটে। কাপড় ভেদ করে হাতে রক্ত মেখে গেছে, আম্মু , নানী কাছে ছিল। বললো ছেড়ে দিতে, নানী ধরলো এবং কাপড়টা খুলে বললো উল্টানি ও তো দেয়নাই। মামা বললো না না দিচ্ছে উল্টানি, মনে হয় কাপড় খুলতে যেয়ে খুলে গেছে। এইদিকে আমার অনেক জ্বলতেছিল, ওই অবস্থায় রক্ত মুছে বললো নিজেরা উল্টায় দেয়, নয়তো রক্ত পড়তে থাকবে। এইটা বলে নানী উল্টায় দিলো তার হাত দিয়ে। মামী বললো এখন তো ঔষধ দিয়েই বেঁধে দিলে হয়ে যেত , হাজাম এর বাঁধা লাগতো না। হটাৎ বাইরে চিল্লাপাল্লার শব্দ, হাজাম অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে। আসলে এর কারণ টা পরে জানা গেছিলো , সে আগের দিন দুপুরে আর রাত্রে বৌয়ের সাথে ঝগড়া করে কিছু খায়নি, সকালেও রাগ করে না খেয়ে চলে আশায় গ্যাস পাম্প করে এই অবস্থা। উনাকে নিয়ে পাশে চাচাদের বাড়িতে বসালো, শুধু আমার ব্যান্ডেজ করা বাকি ছিল আর সবার হয়ে গেছে। একজন চাচা কে দ্রুত পাঠানো হলো ডাক্তারের কাছে, আর ভ্যান ডাকা হলো হাজামকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য। আমাদের গ্রামের একজন গ্রামডাক্তার ছিল, সে আসলো। হাজামকে দেখে সে কি কি বললো, আর হাসপাতালে পাঠানো হলো আর তার বাড়িতে বলতে একজন কে পাঠানো হলো। এবার উনি ভিতরে আসলেন আমার নুনু দেখার জন্য। এসে বললেন এই কাপড় কি হাজাম জড়াইছে ? বলা হলো যে রক্ত বের হওয়ার কারণে আমরা খুলে আবার পেচাইছি। উনি এসে আবার খুলে ফেললো কাপড়, অল্প একটু ব্যাথা করে উঠলো আবার। উনি বললো সব ঠিক ই তো আছে , এর উপর দিয়ে ওষুধ বা ছাই লাগায় দিয়ে বাঁধলেই হতো। উনার কাপড় খুলতে যেয়ে চামড়া আবার উল্টানো খুলে গেছিলো, এবার উনি নিজে উল্টায় দিলেন আর কি ধরণের একটা ঔষধ দিলো যেটায় খুব জ্বলছিল। এরপরে বেঁধে দিয়ে চলে গেলেন।
হাজাম সুস্থ হলো, এরপরে উনি নিজে এসে দেখে গেছিলো আমাকে, নুনু বললেন দেখে কোনো সমস্যা হয়নি, মুসলমানি খুব সুন্দর ভাবেই হয়েছে। আগার চামড়াডা তো আমি ঠিকঠাক ভাবে কাটতে পারছি তাই পরে ডাক্তার বাইন্ধা দিলেও আর সমস্যা হয়নি।


0 Comments