বড় ও ছোট ভাইয়ের একসাথে মুসলমানি

২০০৭ সালের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার পরে মে মাসে আমাদের ২ ভাইয়ের মুসলমানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমি আর আমার ছোট ভাইয়ের। এলাকায় একজন লোক ছিল যে আদি হাজাম নাম পরিচিত ছিল, তার নাকি ৩ পুরুষের খাৎনা করার রেকর্ড আছে, কিন্তু তখন বয়স বেশি তাই চোখে ভুলভাল দেখে কিনা এই ভয়ে তার ছেলেকে ডাকা হলো। আমাদের যে খাৎনা করা হবে পরীক্ষার পরে এইটা পরীক্ষাচলাকালীন জানতে পারলাম। বেশ টেনশনে সময় যেতে থাকলো আমাদের। মুসলমানির দিন সকাল থেকে আম্মু এবং অন্য আত্মীয়স্বজন রা তাদের যেইসব আচার অনুষ্ঠান আছে সব করলো এবং গোসল করিয়ে রেডি করে রাখলো আমাদের। কিন্তু আমাদের ২ জনের মনে প্রচন্ড ভয় হচ্ছিলো। হাজাম আসার পরে আমাদের উঠানে সবাই এক রকম ঘিরে রাখছিলো, হাজামের সাথে ঢোল হারমোনিয়াম বাজানোর লোকজন ছিল। যেহেতু আমি বড় তাই আমার সিরিয়াল আগে, ছোটটাকে সরায় রাখা হলো কাছের থেকে। 


এরপরে উঠানে দাঁড় করিয়ে হাত মাথার পিছনে রেখে উপরে তাকাতে বললো। আমার চাচা এসে আমার হাত ধরে উপরের দিকে তাকে ধরে রাখলো আমাকে। হাজাম কিছু কিছু কথা জিজ্ঞাস করতে থাকলো এর কিছুক্ষনের মধ্যেই নুনুতে অনেক ব্যাথা করে উঠলো। আমি চিল্লায় কান্না করতেছিলাম, এর মাঝে আরো কয়েকবার ব্যথা লাগলো এরপরে ছেড়ে দিয়ে বললো যে কাজ শেষ, সবাইকে একটা সালাম দিতে বলে পাশের চেয়ার এ বসতে বললো। এরপরে ছোটটাকে আনা হলো, কিন্তু ও অনেক জোর জবরদস্তি করতে লাগলো আর কান্না করতে লাগলো। অনেক কষ্টে ওকে বুঝানো হলো যে ওকে এখন না, পরের সপ্তাহে দিবে এখন শুধু ফুটায় রেখে যাবে। ওর জায়গায় আমি হলে ভুলেও বিশ্বাস করতাম না এইটা কিন্তু ও কেন জানি বিশ্বাস করে নিলো এবং ওকেও আমার মতো করে উপরে তাকাতে বলা হলো। ও বলে যে উপরে দেখবেন, কিভাবে ফুটাবে ও দেখবে। হাজাম সহ অন্য আত্মীয়রা অনেক ভাবে ওকে কনভিন্স করতে লাগলো। ওর সামনে নুনু ফুটানো হলো ওর, বললো যে এবার শুধু ময়লা পরিষ্কার করে দিবে উপরে তাকাও একটু। একটু জোর করেই ওকে ধরে রাখা হলো উপরের দিকে তাকানোর জন্য। কিন্তু বার বার নিচের দিকে তাকাতে যায় ও , এই অবস্থায় হাজাম কাঠি ঢুকালো ওর নুনুতে আর কুঞ্চির চিমটা আটকে দিয়ে চাকু দিয়ে নুনু কেটে দিলো। চিমটাটা পরে গেলো নিচে, হাজাম কাপড় দিয়ে ওর নুনু ধরলো আর বললো হাত ছাড়েন। ওকে বললো ময়লা পরিষ্কার হয়ে গেছে এখন শুধু ফুটায় পক্ষীর মাথায় মাফলার বেঁধে দিয়ে যাবো। নুনু কাটলে ও টের ও পায়নি, কিন্তু যেই চামড়া উল্টায় দিচ্ছে সাথে সাথে চিল্লায় উঠছে একদম। আবার কান্না কাটি শুরু করে দিলো আর দাড়াচ্ছিলো ও না তাই হাজাম কাজ করতেও পারছিলোনা। এবার সবাইকে বললো ওকে পা ফাক করে নিচে শুয়ে ধরেন নয়তো ব্যান্ডেজ করতে পারতেছিনা। এবার ওকে নিচের পাটিতে শুয়ে হাত পা চেপে ধরলো সবাই আর হাজাম বেঁধে দিলো। এর পরে বাদক রা আবার ঢোল হারমোনিয়াম বাজাতে লাগলো আর এইবার হাজাম গান করে টাকা তুলতে থাকলো। 



Post a Comment

0 Comments