১২ বছরে মুসলমানি - পর্ব ২

রাতে বাসার সবাই আর আমি সহ বসে বসে টিভি দেখছি আর মাঝে মাঝে আম্মু, আপু, ভাইয়া আর আব্বু বিভিন্ন আত্তিয় স্বজন যাদের হাজাম কে দিয়ে করছে তাদের কথা বলা বলি করছে আর আর মুসলমানি কার টা কেমন হয়েছে সেই সব কথা ও যাক শুনতে ভালো ই মজা লাগছে এদিকে আমার ও নুনু দাঁড়িয়ে গেছে প্রসাব করতে বাথরুম আসি দাড়ানো অবস্থায় নুনু ফুটালে খুব সুন্দর লাগে আমি আবার ফুটিয়ে মাথা বের করে প্রসাব করে আবার সবার সঙ্গে বসে পড়লাম গল্প করতে করতে রাতে একসাথে খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম হঠাৎ আব্বু জানতো যে আমার নুনু ফুটে তারপর ও জিগ্যেস করলো ঠিক মতো ফোটে তে আমি ও বললাম হুম ফোটে কেন তুমি তো যানো আমার টা ফুটে বললো আরে জানি তো হাজাম বলছিল যে তোমার টা ফুটে কিনা আর এদিকে আপু বললো আব্বু হাজাম কোথায় থাকেন আর কেমন মুসলমানি করে আমার বান্ধবিদের ভাই দের কিন্তু হাজাম দিয়ে মুসলমানি করছে খুব ভালো হয়েছে গেলো বৎসর শীতে এক বান্ধবির দুই ভাই কে ও হাজাম দিয়ে করে হাজাম দুপুরে এসে করে যায় আমিও ছিলাম ওদের মুসমানিতে হাজামকে দেখছি বয়স্ক করে আর ওদের চাচা ওদের ধরে আমার হাজাম কেমন আপু জিজ্ঞেস করে আব্বু বললো ভালোই আছে বিহারি ক্যামপের হাজাম আশা করি ভালো করবে আম্মু বললো থাক হাজাম কেমন সেটা তো কাল সকালে ই দেখতে পারবে এখন সবাই ঘুমাতে যাও আর আমার দিকে তাকিয়ে বললো কাল আবার সকাল সকাল উঠতে হবে যাও ঘুমিয়ে পড় গিয়ে যাক সবাই যার যার রুমে চলে আসলাম আমি আবার আপু কে বললাম ওদের মুসলমানি কেমন হয়েছে আর কান্না কাটি কেমন করছে একটু জানতে ইচ্ছে করছে আপু বললো ওদের চাচা ধরেছে আর হাজাম সামনে বসিয়ে মুসলমানি করে দিয়েছে আর আমরা কয়েক জন দড়জার সামনে থেকে দেখছি যাক ভালো ই হলো কাল আবার সকালে তোর টা ও দেখবো আমি আবার বললাম আপু খুব কষ্ট নাকি আপু বললো আরে না কিসের কষ্ট ওদের তো কোন কান্না কাটি করতে দেখি নাই আরে না তেমন কোন কষ্ট ই নাই এখন যা সকালে মনে আছে তো আমি ও হুম বলে শুতে গেলাম আর রুমে এসে আমি ও খুব খুশি কাল আমার মুসলমানি নুনু বের করে ফুটিয়ে ধরে ঘুমাতে গেলাম

এদিকে সকাল হয়ে গেছে সবাই উঠে পড়েছে আমি ঘুমিয়ে আছি আর আব্বু এসে ডাকতে লাগলো পড়ে আপু খাটের পাশে বসে ডাকছে আমি ও চোখ খুলে বললাম এ তো সকালে কেন কি হাজাম আসছে নাকি বললো আরে না ওঠতো হাত মুখ ধুবি নাস্তা করবি রেডি হতে হবে না তোকে হাজাম তো যখন তখনই এসে পড়বে রেডি হয়ে থাক আচ্ছা আমি উঠে বাথরুমে গেলাম চেনটা আস্তে আস্তে খুলে নুনু টা বের করে প্রসাব করে নুনু ফুটিয়ে মাথা বের করে দেখে আবার ও চামড়া দিয়ে ঢেকে দিলাম পরে মুখ হাত ধুয়ে বেড়িয়ে পড়লাম আমরা তিন ভাই বোন খেতে বসলাম আর আম্মু সবাই কে বেড়ে দিচ্ছে হঠাৎ দুই জন বড় বড় লোক বাইরের গেঁটে আসলো আর গেইট টা ধাক্কা তে লাগলো আব্বু গেলো আম্মু ও দাড়িয়ে আছে আমরা সবাই নাস্তা করছি আব্বু কে দেখলাম তাদের ভিতরে নিয়ে আসলো আমি আবার দূর থেকে পদার ফাঁক দিয়ে দেখলাম দুই জন বড় বড় লোক লুঙ্গী পড়ে রুমে এসে পড়লো আর তাদের হাতে একটা কাপরের ব্যাগ আনছে যাক আব্বু তাদের বসিয়ে কথা বলে আমাদের কাছে এসে বললো হাজাম আসছে তুমি তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া শেষ কর আর এদিকে সবাই খুব খুশি হয়ে ই সবার মুখ সম্পুর্ন ফেকাসে হয়ে গেলো তবে আমাকে তেমন বুঝতে দেয় নাই আর আমিও তাড়াতাড়ি করে খাচ্ছি আর আব্বু আপুকে বললো আমি গেলাম খাওয়া দাওয়া শেষ হলে আমাকে যেন লুঙ্গি টা পড়িয়ে সাজিয়ে হাজামের রুমে পাঠিয়ে দেয় আপু ও বললো আচ্ছা আব্বু আবার ও চলে গেলো হাজামের রুমে এদিকে কিসের যেন শব্দ মানে হলো টিনের ডিব্বা খোলার শব্দ আমি আবার আপু কে বললাম কিসের শব্দ আপু বললো মনে হচ্ছে হাজাম মুসলমানির সরঞ্জাম রেডি করছে আমি তেমন পাত্তা না দিয়ে খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম

Post a Comment

0 Comments