গ্রামের মুসলমানির গল্প

এই গল্পটা আমার চাচাতো ভাইয়ের। ওকে মুসলমানি করানোর সময় দেখা আমার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছি। ওর বয়স ছিল সেই সময় প্রায় ৯ বছর, গ্রামের হিসেবে মুসলমানির জন্য একটু বেশি কারণ এর আগেই প্রায় বেশিরভাগ বাচ্চার হয়ে যায়। যেহেতু বয়স বেশি হয়ে গেছে এজন্য আর সবার সামনে করানোর সিদ্ধান্ত হয়না। বাড়ির বাইরে করানো হবেনা আর কাউকে বলা হবেনা। ওদের স্কুলের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শেষ হলো। বর্ষাকাল তখন চলে। এর মধ্যেই চাচা গ্রামের এক হাজামকে বলে রাখছিলো দিন তারিখ। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেরদিন সেই হাজাম আসে। আসার কথা ছিল সকালে কিন্তু বৃষ্টিতে আসতে পারেনি তাই বৃষ্টি একটু থামলে আসে প্রায় ১১.৩০ এর দিকে। আসার পরে হাজাম ওর মুসলমানির প্রস্তুতি নেয় তখন বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় আবারো। আর টিনের চাল এ বৃষ্টির কারণে বেশ শব্দ ও হচ্ছিলো, অন্ধকার ও ছিল। তবে বাড়িতে সোলার বিদ্যুৎ ছিল তাই সমস্যা ছিলোনা। হাজামের সামনে ওকে বসানো হয় আর ওর মামা ওকে পিছন দিক দিয়ে ধরে রাখে দুই পা দুইদিকে সরিয়ে। হাজাম ওর নুনু নিয়ে নাড়াচাড়া করে, ফুটিয়ে দেখে আর সামনের চামড়ার অবস্থা দেখে এর একটু পরে ইনজেকশন দেয়। ইনজেকশন এর পরে বলে যে নুনুতে ম্যাসাজ করতে। পাশে চাচী ছিল তো উনি ম্যাসাজ করে দিতে থাকেন। এই সময় হাজাম ব্যাগ থেকে সব বের করতে থাকে। তুলো, গজ, টেপ, পভিসেপ বের করে রাখে। গজ কতটুক ব্যাবহার করবে সেইটুক কেটে রাখে টেপ ও কেটে কেটে রাখে যেইটুক লাগবে। টেপ এর কোন উনার ব্যাগের সাথেদিয়ে রাখে যাতে ওখান থেকে নিয়েই ব্যাবহার করা যায়। এরপরে উনার কাছে থাকা একটা পেন্সিল / কলম রাখার মতো বাক্স বের করে আর সেটা খুলে যন্ত্রপাতি রাখে। ব্লেড ও প্যাকেট থেকে বের করে রেখে দেয়। এই পুরো সময়টা হাজাম ওর সাথে কথাও চালিয়ে যাচ্ছিলো আর কালিমা ও পড়াচ্ছিলো। এমনি দেখা যায় যে কালিমা পড়িয়েই কেটে দেয় কিন্তু হাজাম এর তখন বেশ আগেই ওকে ৪ কালেমা পড়ানো শেষ। এবার চাচীকে ছেড়ে দিতে বলে উনি নিজে নুনু দেখতে থাকেন আর কাটার জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। কাঠি ভিতরে দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চেক করে কতটুক কি কাটা হবে সেইটাও টেনে মাপ নিয়ে নেয়। এবার ঠিকমতো ফাড়া কাঠি লাগিয়ে দে যেটা চিমটার মতো। ওর স্কুল, স্কুলের মাস্টার, আত্মীয় এদের নিয়ে বিভিন্ন কথা বলতেছিলো হাজাম কিছুটা মজা করা টাইপের কথা। এরপরেই হাজাম নুনু কেটে দেয়, অবশ হলেও ব্যাথা পেয়ে ওঠে কিছুটা। হাজাম নুনু কেটেই অমনি তুলো দিয়ে চেপে ধরে রাখে কিছুক্ষন তারপরে তুলার উপর দিয়ে পভিসেপ ঢেলে দেয় কিছুটা। এরপরে পভিসেপ এর কারণে ভিজে তুলো ওভাবেই লেগে ছিল। হাজাম ওকে বলে যে কাজ শেষ তোমার, দেখবা ? ও দেখতে রাজি হয়। তখন হাজাম নুনু থেকে তুলো সরিয়ে নুনু আবারো মুছে দেয়। নুনুতে তখন কোনো রক্ত ছিলোনা। এবার ওকে নিচে তাকিয়ে দেখতে দেয়। ও নুনুর অবস্থা দেখলেও কিছু বুঝতে পারেনা প্রথমে তাই জিজ্ঞেস করে যে শেষ কি না। তখন হাজাম, ওর মামা, চাচী বলে যে হ্যা শেষ। এরপরে হাজাম আরেক খন্ড যেই তুলে ছিল সেইটা  দিয়ে আর গজ দিয়ে ব্যান্ডেজ করে। ব্যান্ডেজ করা শেষে তুলো গজ এর উপর দিয়েই পভিসেপ দিয়ে দেয়। দেওয়ার সময় বলে এইটা কিন্তু রক্ত না ঔষধ। এরপরে হাজাম ওকে খাটের থেকে নিচে নেমে দাঁড়াতে বলে। ব্যাথা আছে কি না জানতে চাইলে বলে ব্যাথা নাই তবে একটু জ্বালাপোড়া করছে। হাজাম বললো পরে ঠিক হয়ে যাবে। এবার হাজাম আর ওর মামা মাইল ওকে লুঙ্গি পরতে হেল্প করে। তারপরে ওকে যেয়ে শুয়ে থাকতে বলে। এবার হাজাম উনার সবকিছু গোছগাছ করতে থাকে। ওর চামড়াটা উনার বক্সের উপরে ছিল উনি সেখান থেকে নিয়ে পাশের জানালার উপরে রাখে। এরপরে উনার টাকা নেয়। বৃষ্টির গতি ও কমে গেছে। উনাকে বলা হলো বৃষ্টি পুরো থামলে যেতে কিন্তু উনি জানালো আজকে আরো ৮ জনের করানো আছে দেরি করা যাবেনা। এরপরে উনার ছাতি মেলে চলে গেলো। আর চাচাতো ভাই লুঙ্গি পরে দুই পা ফাঁকা রেখে শুয়ে থাকলো।

Post a Comment

0 Comments