কিছুটা গরম পড়ছে বসন্ত শেষের দিকে এমন সময়টায় মুসলমানি হয়েছিল আমার। ঘরোয়া ভাবে করা হয়, তবে খাৎনার আগে কখনো নুনু ফুটানো হয়নি। খাৎনার দিন একজন হুজুর আসলো, ঐটাই আসলে হাজাম। প্রথমে তাকে নাস্তা-পানি দেওয়া হলো। খাওয়াদাওয়া শেষে রেডি করানো হলে বেশ ভয় লাগছিলো তখন হাজাম শুধু জানালো ফুটিয়ে দিবে, আর দেখাবেও যে শুধু ফুটিয়েছে তারপরে উল্টিয়ে বেঁধে দিবে। এবার বসা অবস্থায় মামাকে চোখ ধরতে বলে নুনুতে ইনজেকশন দিলো। ইনজেকশনে অল্প ব্যাথা করছিলো তখন হাজাম নুনু কিছুক্ষন কচলাকচলি করে আমাকে ম্যাসাজ করতে বললো। আমি করতেছিলাম , মামাও করে দিচ্ছিলো মাঝে। এবার খাটে ২ পা ফাক করে শোয়ানো হলো। কালেমা পড়তে বললো হাজাম, উনার সাথে বললাম তারপরে শোয়া অবস্থা থেকে আমাকে উঠিয়ে দেখালো যে নুনু শুধু ফুটিয়েছে। মাথাটা সাদা ধরণের লাগছিলো। হাজাম কেটে দিতে একটুও সময় নেয়নি, শুতে শুতেই কাটা শেষ কিন্তু কোনোদিন না ফুটানোর জন্য যে ময়লা জমছিল এইটা পরিষ্কার করতে সময় লাগলো অনেক। অনেক ব্যাথা ও করছিলো তাই চিল্লায়ে কান্না করছিলাম। পরিষ্কার করা শেষে চামড়া মুড়িয়ে দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেয়। এরপরে কবে খুলতে হবে আর কিভাবে খুলতে হবে সব বুঝিয়ে দেয়। হাজাম চলে যাওয়ার একটু পরেই প্রস্রাব লাগছিলো। মা কে জানালে বললো এই মাত্র মুসলমানি করলো আর এখন ই। তারপরে নুনুর কাছে এসে দেখে বললো এই মাত্র কাটলো এখন নড়াতে গেলে আবার ব্যাথা না করে। এরপরে বললো একটু থাম, ব্যবস্থা করতেছি। ২ লিটারের পুরাতন তেলের একটা বোতল এর মাথা কেটে আমার কাছে নিয়ে আসলো যাতে নুনু ঢোকে। এবার শোয়া অবস্থায় প্রস্রাব করলাম। প্রস্রাব করার সময় ও জ্বলছিল, কিন্তু কেন জ্বলছিল এইটা জানা নেই। কারণ কাটা অংশ ব্যান্ডেজ করা আর প্রস্রাব নালিতেও সমস্যা নেই , মাথার দিকেও সমস্যা নেই। মা বললো যে বিকাল থেকে চরাফেরা করা যাবে। হাজাম বলছে বিকালের আগে না উঠলে ভালো হবে। তাহলে রক্ত জমাট বাধবে ভালো ভাবে, দ্রুত সেরে যাবে।
এর প্রায় ৩ দিনের দিন গরম পানিতে স্যাভলন মিশিয়ে ঐটা ঢেলে ব্যান্ডেজ লুজ করা হয় আর খোলা হয়। নুনু কেমন ২ রকমের কালারের দেখাচ্ছিল। জোড়া লাগা ফোলা দাগের সামনের থেকে ফর্সা আর পিছন থেকে শ্যামলা। ওই অবস্থায় রাখা হয়, নিয়মিত গরমের ভাপ দেওয়া হতো। এরপরে ৭ দিন এর সময় অনুষ্ঠান করা হয়, আর সেইদিনই চামড়াটা মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলা হয়। কিছুদিন পরেই পুরোপুরি শুকিয়ে ঠিক হয়ে যায়।
এর প্রায় ৩ দিনের দিন গরম পানিতে স্যাভলন মিশিয়ে ঐটা ঢেলে ব্যান্ডেজ লুজ করা হয় আর খোলা হয়। নুনু কেমন ২ রকমের কালারের দেখাচ্ছিল। জোড়া লাগা ফোলা দাগের সামনের থেকে ফর্সা আর পিছন থেকে শ্যামলা। ওই অবস্থায় রাখা হয়, নিয়মিত গরমের ভাপ দেওয়া হতো। এরপরে ৭ দিন এর সময় অনুষ্ঠান করা হয়, আর সেইদিনই চামড়াটা মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলা হয়। কিছুদিন পরেই পুরোপুরি শুকিয়ে ঠিক হয়ে যায়।
0 Comments