বেশিরভাগ মানুষের মুসলমানি করানো হয় প্ল্যান করে কিন্তু আমার বেলায় প্ল্যান ও ছিল না, ইচ্ছা আগ্রহ কোনোটাই না। সারপ্রাইজ বলা যেতে পারে। খুব ভালোভাবে মনে আছে যে ঈদের ছুটিতে ঈদ পালন করতে গ্রামের বাড়িতে গেছিলাম। যত আত্মীয়স্বজন ছিলাম আমরা যেখানেই থাকি না কেন ঈদের সময় আসলে প্রায় সবাই চলে আসি গ্রামের বাড়িতে। আমার ছোট চাচা চাচী দুজনেই ডাক্তার ছিলেন এবং দুজনেই সেই সময়ে সদ্য জয়েন করছিলেন কর্মজীবনে। তখন পর্যন্ত দাদার একমাত্র নাতি আমি ই ছিলাম বাকিগুলো সব নাতনি আর ছোট ফুফু আর ছোট চাচার ঘরে তখনও কেউ হয়নি। স্বাভাবিকভাবে ঈদ কেটে গেলো, ঈদের ২ দিন পরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য জামা প্যান্ট পরে রেডি হচ্ছি কিন্তু কপাল খারাপ যে প্যান্টের চেন আটকে গেলো নুনুতে। বেশ ভালোভাবে আটকে গেছিলো তাই সহজে বের ও করা যাচ্ছিলো না। আম্মু আর বড় চাচী মিলে কাছে এসে ছাড়ানোর জন্য চেষ্টা টানাটানি করতে করতে এবার চামড়া থেকে রক্ত বের হওয়া শুরু হলো। এবার দ্রুত খোলার চেষ্টা করতে যেয়ে চেনের সাথে আটকানো নিচের দিকের চামড়াটুকু কিছুটা ছিলে যেয়ে চেনের সাথে আটকে ছিল আর খুব ব্যাথা করছিলো। বিশেষ করে যখন টান লাগছিলো তখন জান বের হয়ে যাচ্ছিলো। আম্মুকে বড় চাচী বললো ছোটটাকে ডাক। আম্মু ছোট চাচীকে ডেকে আনলে উনি একটু ছাড়ানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু কাজ হয়না। আর আমি চিল্লাচ্ছি আরো বেশি কারণ টানলে ব্যাথা করতেছে প্রচন্ড। এবার চাচী উঠে চলে গেলেন আর চাচার একটা ব্যাগ খুলে কি যেন বের করছিলেন। আমি সেটা দেখতে পাইনি, উনি ওড়নার নিচে হাতে কিছু ধরে কাছে এসে আমার চোখ একটু ধরতে বললেন আম্মুকে। যেহেতু মাথার দিকের নিচের থেকে সামান্য একটু আটকে ছিল উনি ঐটুকু কেচি দিয়ে কেটে ছাড়িয়ে দিলেন মুহূর্তের মধ্যেই। এমন দ্রুত করলেন যে আম্মু আর বড় চাচিও বুঝে উঠতে পারেননি যে উনি কি করলো কেন করলো। আধা ছেড়া চামড়া টান খাওয়ার ব্যাথা থেকে মুক্তি পেলেন কিন্তু যেহেতু নিচের দিক থেকে সামান্য কেটে দিচ্ছে তাই জ্বলতেছিল। এবার কি একটা মেডিসিন লাগিয়ে দিলো, বেশ জ্বলে উঠলো তারপরে কাটা চামড়ায় সামান্য টেপ আটকে দিয়ে বললেন আপাতত রক্ত পড়াটা বন্ধ হবে এতে। কিন্তু যেভাবে চামড়াটা আটকেছিলো না কেটে বের করা বেশ কষ্টের হতো। এরপরে আম্মুর আর বড় চাচির একটু কাছে যেয়ে ফিসফিস করে কি যেন আলাপ করলো নিজেরা।
0 Comments