আমি পরিবারের নোয়া ছেলে, ভাই ৫ জন আর বোন ৪ জন। আমার ছোটভাই এর মুসলমানি একদমই ছোট থাকতে করানো হয়েছিল। নুনুর মাথায় টিউমার হয়েছিল তাই ডাক্তাররা কেটে খাৎনা করে দেয়। শুধুমাত্র আমার ই করা বাকি ছিল। বয়স যখন ৫ এর মতো তখন করিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এলাকার ভালো একজন পল্লী চিকিৎসক ছিল উনাকে জানানো হলো। উনি পল্লীচিকিৎসক এবং খাৎনা ও করতে পারতেন। উনাকে খবর দেওয়ার পরে আমাকেও বাড়িতে বলা হয় খাৎনার কথা আর মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়। ২ টা বোন শশুরবাড়িতে ছিল তারাও চলে আসে, বড় আপার কোলে বাচ্চাও ছিল।
সকালের খাওয়াদাওয়া শেষেই লোকটা চলে আসে, ভিতরে আসলে নাশতা
দেওয়া হয় লোকটাকে। কোনোরকম কিছু একটু মুখে দিয়ে তারপরে কাজ নিয়ে ব্যাস্ত
হয়ে পড়েন আর ব্যাগ থেকে কি কি বের করে রেডি করতে থাকে। আমাকে প্রস্রাব
করিয়ে আনার জন্য বলে আর আম্মা ও মেজ আপা আমাকে বাথরুমে নিয়ে যেয়ে করিয়ে
আনে। এরপরে বসানো হয় আর বড় ভাই পিছন থেকে ধরে রাখে, এবং বাকি আব্বা আম্মা ও
ভাই বোন সব আসে পাশে থাকে। লোকটা বললো যে উনি পিছন থেকে ধরছে আপনারাও পা,
মাজা ভালোভাবে চেপে রাখেন নইলে কাটলে বেশি নড়াচড়া করলে কাজে সমস্যা হবে।
হাজামের সব সরঞ্জাম দেখছি আমি। কাঠি, চিমটা, ব্লেড, লম্বা ভাঁজ করে রাখা
সাদা কাপড় এইগুলো ছিল। কাঠিতে পাউডার মাখিয়ে নিয়ে নুনুতে ঢুকালো আর চিমটা
দিয়ে আটকালো। এই টেনে ধরে আটকানোতেও অনেক ব্যাথা লাগছিলো তাই চিল্লায়
নড়াচড়া করতেছিলাম। এবার বললো যে কেউ একজন চোখ ধরেন। মেজ আপা যেহেতু পিছনের
দিকেই ছিল তাই সে ই চোখ ধরলো। কালেমা পড়তে বললো, আমিও বলতে থাকলাম উনার
সাথে সাথে। বলা শেষ আর তখনি কেটে দিলো। কাটলে টের পেয়েছি, তবে ধারালো ব্লেড
এজন্য কষ্ট হয়নি তবে সুক্ষ একটা ব্যাথা করছিলো। লোকটা আপাকে চোখ ছাড়তে
বললো, ছেড়ে দেওয়ার পরে লোকটা নুনু আমার সামনেই উল্টালো। ব্যাথা আগের মতোই
আছে খুব অল্প। এরপরে উল্টানো নুনুতে পাউডার দিয়ে ব্যান্ডেজ করতে থাকলো তখন
ব্যাথা আগের থেকে সামান্য বাড়লো। ব্যান্ডেজ শেষে কোলে করে নিয়ে দুই তালার
বারান্দায় নিয়ে শুইয়ে দেওয়া হলো। ধীরে ধীরে ব্যাথার সাথে জ্বালাপোড়াও বাড়তে
থাকলো আর কান্না করতে থাকলাম। এবার বারান্দা থেকে ঘরের ভিতরে নিয়ে আসা হলো
আমাকে। ভাবছিলাম হাত দিয়ে চেপে ধরে রাখলে ব্যাথা কমতে পারে তাই হাত দিতে
গেলে পশে বসে থাকা মেজ ভাই হাত ধরে বসলো আর বললো কি করতে যাস এসব। বললাম
জ্বলতেছে অনেক। বড় ভাই বললো ধরলে আরো বেশি জ্বলবে সাথে রক্ত ও পড়বে। যাই
হয়ে যাক হাত দেওয়া যাবেনা।
0 Comments