পরেরদিন ব্যাথা আরো বেশি হলো এমনকি এতটা ফুলে গেছিলো যে টাইট হয়ে গেছিলো ব্যান্ডেজ এর সাথে। এরপরে আর উপায় না পেয়ে উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলো আমাকে। ওখানের ডিউটি ডাক্তার সব শুনে বললেন ব্যান্ডেজ খুলে দেখতে হবে। খুলে দেখে বললো যে মুসলমানি তো হয় ই নি, কাটা চামড়ার টুকরোটা কি আনছেন ? বলছে না সেটা তো বাড়িতে চুলার পাশে রাখা। ডাক্তার জানতে চাইলো চামড়ার পরিমান কি খুব কম ? আম্মু জানালো যে হ্যা অনেক কম, বাঁকা করে কাটা। তখন ও নুনুর সাথে উল্টানো চামড়া পুরোপুরি জয়েন্ট হয়েছিল না তাই ডাক্তার দেখালো যে চামড়া খুবই কম কাটছে আর নিচে তো কাটাই হয়নি চামড়া। শুধু উপরেরদিক থেকে বাঁকা করে কেটে উল্টিয়ে দিয়েছে। এখনো দেরি হয়নি, ঠিক করা যাবে বেশি দেরি হলে আর উপায় থাকতো না। এরপরে হসপিটালে ডাক্তারটা কেচি নিয়ে যতটুকু দরকার ততটুকু বেশ সময় নিয়ে কাটলো। কাটা শেষে সিলাই করে দিয়ে হালকা একটু তুলো আর গজ দিয়ে বেঁধে দিলো। বললো যে কয়েক ঘন্টা পরেই খুব আলতোভাবে ব্যান্ডেজটা খুলে দিবেন খুলতে না চাইলে কিন্তু জোর জবরদস্তি করা যাবেনা। সেক্ষেত্রে একদিন পরে গরম পানি দিবেন ব্যান্ডেজে তাহলে খুলে আসবে। রৌদ বাতাস লাগতে পারলে দ্রুত ঠিক হবে, শুধু ধুলা থেকে বাঁচতে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছি।
বাড়িতে আসার কিছুক্ষন পরে ভাই বোন ব্যান্ডেজ খুলে দিয়েছিলো, শুধু সিলাই ছিল আর কোনো লুঙ্গি বা কিছুই পরিনি। ৪ দিন পরে নুনুর অবস্থা একটু ভালো হলে তখন লুঙ্গি পড়তাম তবে ধরে থাকতাম সামনে। এর থেকেও প্রায় ৬ দিন পরে নুনু শুকিয়ে গিয়েছিলো পুরোপুরি। তখন হলুদ মাখানো হলো শরীরে আর গোসল করানো হলো।
শেষ
0 Comments