রাকিবের মুসলমানি - দ্বিতীয় পর্ব

তখন উনি নুনু ফুটায় দিয়ে বললো নুনু এমন দেখতে লাগবে, হাজাম নুনু বটে দেয়। বললাম যে তাহলে কাটে কি ? বলতেছে আমি তো মাপজোপ জানিনা, তবে যেই চামড়াডা ফুটালাম এটা প্রায় সম্পূর্ণ কেটে ফেলে আর শেষের দিকে অল্প একটু থাকে ঐটা পিছনে বটে দিয়ে  বাইন্ধে দেয়। কয়দিন থাকলেই ওই চামড়াডা পিছনের সাথে জুড়া লেগে যায়। তারপরে ঘা শুকায় গেলে সব ঠিক হয়ে যায়।

এর পরেরদিন হাজাম সকালের দিকে, হাজাম আসে। আসার আগেই গোসল খাওয়াদাওয়া করে রেডি ছিলাম বলা যায়। এরপরে হাজাম আসলে কাপড় খুলে নেয় এবং বারান্দায় মাদুর পেতে শুয়ায় দেওয়া হলো। দাদি মাথার কাছে বসলো আর আম্মু বোনকে সরায় অন্য ঘরে পাঠায় দিলো। এবার হাজাম কথা বলতে থাকলো আর কাজ করতে থাকলো। কখন কাটবে এটা বুঝে ফেলছিলাম দাদির কারণে। যখন কাটবে তখন দাদি আমার চোখ চেপে ধরছিল আর সাথে সাথেই একটা ক্যামন ব্যাথা করে উঠলো, আমিও একবার আ...... করে উঠলাম কিন্তু এর পরের থেকে আর তেমন ব্যাথা করছিলোনা। শুধু একটু জ্বালাপোড়া করতেছিলো, ভাবলাম চেপে ধরলে হয়তো ব্যাথা বা জ্বালাটা কমবে। তাই হাত বাড়ায় খপ করে ধরে ফেললাম, আর সত্যিই তখন জ্বালাটা একদম ৮০-৮৫ পার্সেন্ট কমে গেছিলো। সাথে সাথে সবাই কেমন এই এই করতে লাগলো, হাজাম ও বললো এই ছাড়ো ছাড়ো, আমি ছেড়ে দিলাম। তখন দেখি হাতের তালুতে রক্ত মাখা। দাদি আমার হাত উল্টা করে নিচের দিকে চেপে ধরলো, যাতে না দেখতে পাই আমি। কিন্তু আমার তো দেখা কমপ্লিট, আর বললো বৌমা একটু পানি নয়তো ভিজা কাপড় নিয়ে আসোতো। আম্মু গামছার কোন ভিজায়ে এনে দিলে দাদি ঐটা দিয়ে রক্ত মুছে ফেললো। এরপরে হাজাম নুনু বেঁধে দিয়ে চলে গেলো। দিন কাটলো, পরে রাত্রে দাদির সাথে ঘুমাতে গেলে বললো লুঙ্গি খুলে রাখ।  বললাম কেন ? বলতেছে সারারাত কি এভাবে ধরে থাকবি নাকি। একদম শাট হয়ে শুয়ে থাকে, পাশ ফিরবিনা। কয়েকটা দিন কষ্ট কর একটু। এরপরে ঠিক হয়ে গেলে আর সমস্যা নাই। এর ৬ দিন পরে কাপড় খুলে ফেলা হলো আর ছাই গুলাও ঝরে পড়লো, এর পরে আরো ২ দিন পরে মোটামুটি একটু ভালো হয়ে গেলে গোসল করায় দিলো মা আর দাদি মিলে।



Post a Comment

0 Comments