রাকিবের মুসলমানি - প্রথম পর্ব

যখন ক্লাস ওয়ানে পড়তাম তখন আমার মুসলমানির জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বয়স ৬-৭ এর মাঝামাঝি। আমরা যেখানে থাকতাম সেটা নাও গ্রাম, না শহর। হিসাব অনুযায়ী উন্নত গ্রাম বলা যেতে পারে যেখানে মোটামুটি শহরের ৭০-৭৫ ভাগ ফ্যাসিলিটি আছে। সমবয়সী কয়েকজনের হয়ে গেছিলো খাৎনা হয়ে গেছিলো আর তাদের ২ জনের সাথে চেনা জানা ভালো ছিল। তাদের অভিজ্ঞতা শুনছিলাম একজনের হাজামের মাধ্যমে এবং অপরজনের এর মাধ্যমে। যার হাজাম দিয়ে করা সে বলছিলো যে কাটলে খুব কষ্ট হয়, জ্বালাপোড়া করে, ব্যাথাও লাগে অনেক। আর যে ডাক্তার দিয়ে করছে সে বলছিলো ইনজেকশন দিছিলো ৪ টা তখন অনেক লাগছিলো তবে কাটলে লাগেনা আর সিলাই দিলে একটু বিনবিন টাইপ লাগে তবে তেমন কোনো সমস্যা হয়না আর।


কিন্ত যাই হোক অমন একটা জায়গা কেটে ফেলবে এটা আমার জন্য যথেষ্ট ভয়ের ছিল এবং ধরতে গেলে চাইতাম যেন আমার পরিবার এটা না করে এবং ভুলে যায়।
কিন্তু সেটা তো আর হওয়ার নাম ফলে গ্রীষ্মের ছুটিতেই করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো হাজামের মাধ্যমে। দিন কিছুটা ভয়েই কাটে এবং কাঙ্খিত দিন চলেও আসলো। মনে মনে প্রচুর ভয় পেলেও বাইরে থেকে স্বাভাবিক থাকার ভান করেই যাচ্ছিলাম। তখন ছোট ভাইবোন ছিলোনা আমার, শুধু একটা বড় বোন ছিল যে আমার থেকে ১.৫+ বছরের বড়, দাদি থাকতো আমাদের সাথে, আর আমি ঘুমাতাম ও তার সাথেই । ছোট বোন আবার কাটাছেড়া, রক্ত এইসব দেখতে পারতো না। আগের দিন দাদি বললো যে ভাই তোর নুনু কি ঠিক ভাবে ফুটে ? আমি বললাম সেটা আবার কি ? উনি কাছে ডেকে নিয়ে প্যান্ট নিচে নামানোর চেষ্টা করলো কিন্তু জিনসের হাফ প্যান্ট, নামলো না। তারপরে বললো থাক, এবং চেন খুলে নুনু দেখে চামড়া পিছনে ঠেলে দিলেন এবং সরেও আসলো তবে একটু বেঁধে থাকলো। মানে প্রায় ৯০ শতাংশ ফুটে গেলো। এবার উনি শাড়ির কোন হাতে নিয়ে বাকিটুকু ফুটায়ে দিলো। তখন আবার একটু ব্যাথা করে উঠলো আর একটু জ্বলছিল। তবে দাদি বললো যে এবার তোর মোসলমানির সময় ফুটাতে একটুও কষ্ট হবেনা। আমি একটু আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম যে কিভাবে করে। তবে উনি বলতে চাচ্ছিলোনা।  আমি একটু জোর করে জানতে চাইলে বললো যে তোর হয়ে যাক তারপরে বলবো। আমি বললাম যে হয়ে গেলে তো নুনু  আর কি করবো, এখন একটু বলো।

Post a Comment

0 Comments