১৬ বছরে মুসলমানি - ২

কি সমস্যা জানতে চাইলাম, কিছু না বলে চলে যেতে বললো আমাকে। আমি একটু বার বার জিজ্ঞাসা করে বই ধরে আমার দিকে ছুড়ে মারলো। নাইন টেনের পদার্থবিজ্ঞান বই, মোটা ভালোই। আঘাতটা বেশ ভালোই লাগলো, একটু ব্যাথায় কাতরিয়ে উঠলাম একটু। তাড়াতাড়ি নিজে থেকেই উঠে এসে সরি বলতে থাকলো আর হাতে ডলে দিতে থাকলো। এবার জানতে চাইলেও কিছু বলতে চাইলো না। অনেক জোর জবরদস্তি করলে বললো ব্যাপারটা একটু গোপনীয় তাই বলা যাবেনা। তোর তো রেজাল্ট অনেক ভালো, মনে ফুর্তি আছে আমার তো রেজাল্ট ভালোনা। ভালো করে পড়লে রেজাল্ট ভালো হবে বললাম। কিন্তু বলে যে আমার পড়তে একটুও মন বসতেছেনা এখন। বললাম চল আমরা গ্রূপ স্টাডি করি তাহলে হয়ে যাবে। এবার থেকে গ্রূপ স্টাডি শুরু করলাম। কিন্তু কয়েকদিন ধরেই দেখি ওর মন কেমন অস্থির ধরণের আর মন মেজাজ ও ঠান্ডা না। এবার জানতে চাইলাম কোনো কিছু নিয়ে টেনশন নাকি অন্য কিছু। কিন্তু বলতেই চায়না কিছুতেই, শেষমেষ বলে যে আমি কিছু ইশারায় বুঝাবো তোকে নিজে থেকে বুঝে নিতে হবে। কাউকে বলবি না যদি বলিস আমি আত্মহত্যা করবো। প্রমিস করলাম যে কিছু জানাবো না। এবার বায়লোজি বইয়ের ২২-২৩ পৃষ্ঠা খুলে বললো বয়ফ্রেন্ড ছিল। তার সাথে এই জিনিস ছিল, টেস্ট এর মাসখানেক আগে ব্রেকাপ হয়ে গেছে। আগে পড়াশোনা নিয়ে সমস্যা ছিলোনা, কিন্তু এইসব করতে করতে এমন হয়েছে এইটা করলে শরীর ভালো থাকে আর মন ও ভালো থাকে ব্রেন কাজ করে। এখন হয়তো আমি তোর চোখে অনেক নিকৃষ্ট হয়ে গেলাম। এসব শুনে আমি শকড, কারণ ওই পেজে সেক্স ক্রোমোজোম বিষয়ক আলোচনা ছিল। আমার বুঝতে বাকি নেই কি বলতেছে ও। একদম অন্যরকম একটা লাগছিলো, শরীর কেমন অবশ হয়ে আসছিলো যে আমার বোন এইসব করে। আমি জানালাম যে ঠিক আছে আমি বলবো না কাউকে কিন্তু আমার খুব অন্যরকম লাগা শুরু হলো। এরপরে মনকে বুঝলাম যে আমিও তো অন্যের বোন, বৌয়ের সাথে করেছি এইগুলো তো আমার বোনের সাথেও কেউ করতেই পারে। মনকে বুঝলাম যে যা হয়েছে সব কিছু স্বাভাবিক। 

কথা হচ্ছে যেকোনো কিছু একবার শুরু হলে সেটা নিয়ে লজ্জা উঠে যায়, পরেরদিন বোনকে বললাম যে এইটা ছাড়া কি কোনোভাবে মন মেজাজ শরীর ঠিক হয়না ? সে জানালো যে হয়না, অভ্যস হয়ে গেছে গত ৩ বছর একটানা করতে করতে। বললাম যে মাস্টারবেট করে দেখ কাজ হয় কি না। এবার বলে দিলো মুখে উপরে যে তোমাদের দন্ড হাত দিয়ে ধরে ণর দিয়ে শান্তি পেতে পারো কিন্তু আমাদের শরীর অমন না। দুধের স্বাদ কখনো ঘোলে মেটে না। আমি বললাম তাহলে কি করবি, বিয়ে ? বললো এখন সামনে পরীক্ষা আর পরীক্ষার রেজাল্টের পরে বাইরের দিকে যাওয়ার প্ল্যান। বিয়ে এত দ্রুত কখনোই সম্ভব না। ৫-৬ বছর মিনিমাম দেরি আছে। 

কি ভেবে বলে ফেললাম যে তাহলে আমার সাথে করবি? পরীক্ষার আগ পর্যন্ত যখন দরকার শুধু তখন ই। সাথে সাথে বেড থেকে উঠেই এক থাপ্পড়, চিকন চিকন হাতে যে এতো জোর আগে বুঝিনি। গালটা একদম জলে যাচ্ছিলো, দাগ ও বসে গেছিলো আঙ্গুলের। আমি চলে যাচ্ছিলাম তখন আবার হাত টেনে ধরে বললো কোথায় যাস, আম্মুকে গাল দেখিয়ে বলবি যে তোমার মেয়েকে লাগাতে চেয়েছি তাই এইটা দিয়েছে। আমি কিছুই বলতেছিলাম না আর, পাশাপাশি দুজন চুপচাপ বসে আছি অনেকক্ষন। এরপরে নিজে থেকেই আবার বলে, সরি। তোর উদ্দেশ্য বুঝছি আমি। পরীক্ষার আগ পর্যন্ত শুধুমাত্র যখন প্রয়োজন হবে মেজাজ আর শরীর ঠান্ডা করার শুধু তখনের জন্য। কিন্তু আমরা ভাই বোন এইগুলো করতে পারি না। আবার রেজাল্ট খারাপ হলে কপালে দুঃখ আছে অনেক। এবার নিজে থেকেই বললো যে রাত্রে বেশিরাত পর্যন্ত স্টাডির নাম করে থাকবো। আটকানো রুমে কেউ আসবেনা, তখন দেখা যাবে। সেদিন রাত্রে প্ল্যান অনুযায়ী যা কথা সেভাবেই আগানো হলো। রাত্রে খুব লজ্জা লাগতেছিলো দুজনের, তারপরে বললো আরেকটু রাত হোক। সবাই ঘুমিয়েছে মনে হলে লাইট অফ করে চেষ্টা করিস, আলোতে লজ্জা লাগতেছে অনেক। 

রাত্রে যেই ওকথা সেই কাজ, অনেক লজ্জা করা সত্বেও জামাকাপড় খুললাম দুজনে অন্ধকারে। এবার আমি প্রথম ওর শরীরে হাত দিলাম, আদরের জায়গাটাও, আমার আধা জাগ্রত লিঙ্গ ২-৩ সেকেন্ডেই পূর্ণরূপ ধারণ করে ফেললো। এবার সে ও আমার জিনিস ধরলো, হস্তমৈথুন এর মতো করে একটু করলো। 

এরপরে বললো যে বড় বোন হিসেবে যেই রিস্পেক্ট করিস এইটা প্লিজ বাদ দিস না। মন থেকে না আসলেও অভিনয় করে করিস, যদি আমার সামনে নাও হয় তবুও অন্তত ঘরের বাকি মানুষগুলোর সামনে।

এবার লিপ কিস আর বুব টাচ রিলেটেড আদর একটু করে এরপরে সাবধানে পেনিসটা ঢুকালাম। আস্তে আস্তে শুরু করলাম, টাইট যৌনি তবে ইজি ছিল। ফিসফিস করে বললো, আরাম হচ্ছেনা  জোরে কর। এবার জোরে করতে থাকলাম,আর মাঝে মাঝে ক্লিট রাব করতে থাকলাম।  মোটামুটি ৭-৮ মিনিট পরে পেনিসটা বের করে ওর হাত ধরিয়ে দিয়ে বললাম বের করে দিতে। ও খাতার একটা টিসু মূত্রপথ বরাবর ঠোঙার মতো করে হাত দিয়ে মৈথুন করে বীর্য বের করে দিলো। কারণ বেড বা কোথাও ছিটে গেলে সমস্যা আছে। এবার টিসু একটু ভাঁজ দেওয়ার মতো করে মেঝে আস্তে রেখে দিলো, বললো একটু পরে প্যানে যেয়ে ফেলে দিবোনি। পেনিস এর দৃঢ়তা কিছুটা কমে নমনীয় আসার পরে গরুর দুধ টানার মতো করে আরেকটু টেনে দেখলো, সামান্য একটু বের হলো তখন। ওই হাত এবার আরেকটা টিসু পেপার দিয়ে মুছে নিলো। এবার আমাকে বললো, আর কার কার সাথে করিস এইটা বল। এবার পড়লাম টেনশনে, কারণ কিভাবে বলবো এইসব। তারপরে বললো থাক, আমিও বলবো না আমার বয়ফ্রেন্ড কে আর তোর ও বলার দরকার নাই। কিন্তু এইটা বলিস না যে আমি ই তোর প্রথম। ফুটো চিনে ঢুকিয়ে দিলি আর যেভাবে এতক্ষন ধরে করলি এইটা কোনো আনাড়ির কাজ না। 

এরপরে এভাবে চলতে থাকলো, ডটেড দিয়ে করতাম বেশি। এতে ওর তৃপ্তি বেশি হতো আর আমার তৃপ্তি থাকতো না তবে সময় লাগতো অনেক। এখানে ওর মন মেজাজ আর শরীর শান্ত করাটাই মূল উদ্দেশো ছিল। পড়াশোনার ও গতি বাড়লো দুজনের, পরীক্ষার আগেই ৩ বার সিলেবাস কমপ্লিট করে ফেললাম আর ওই কাজ ও নিয়মিত ছিল। পরীক্ষা শুরু হলো, প্রায় সব পরীক্ষার আগেই আমরা এইগুলো করেছি শুধুমাত্র ১টা পরীক্ষা বাদে। ওর পিরিয়ডের কারণে করা হয়নি। সর্বশেষ যেই পরীক্ষা ছিল, প্রাকটিকাল পরীক্ষা সেদিন পরীক্ষা দিয়ে এসে বলছিলো যে বিকালে সবাই বাইরে গেলে কিছু জানাবো তোকে। বিকাল হলে রুমে নিয়ে নিজের আর আমার জামা প্যান্ট খুলে। এরপরে বলে ভাবছিস লাগানোর কথা বলবো? তা তো বলবোই  কিন্তু এই দেখ, এই যে চামড়াটা এইটা কাটার ডেট ফিক্স করা হয়ে গেছে জানিস? এতকাল আব্বু বাইরে থাকায় কাটা হয়নি কিন্তু এবার হবে। শুনে কেমন ভয় করে উঠলো কিন্তু ভয়ে জিনিস কেন জানিনা আরো বেশি শক্ত ও টাইট হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো।ও দেখে অবাক, অবাক হয়ে বলে কাটার কথা শুনে এইটা এত খেপে উঠলো কেন। আমি বললাম জানিনা, ডেট কবে বলছে ? ও বললো ডেট এর চিন্তা পরে কর এখন তাড়াতাড়ি এইটা আমাকে দে। খুব সুন্দর পজিশনে দাঁড়িয়ে আছে, দেরি করিস না তাহলে আবার আস্তে আস্তে একটু একটু করে নাম শুরু করবে। অগত্যা কাজ শেষ করলাম, স্পার্ম সব মেঝে ফেললাম। এরপরে কানের কাছে এসে বললো বাবুসোনা এই খোঁচাখোঁচা লোমগুলো আজকে আরেকবার সেভ করে রেখো, কাল সকালে তোমার জিনিস দফারফা করে দেওয়া হবে।

Post a Comment

0 Comments