১৬ বছরে মুসলমানি - ১

আমার মুসলমানি ১৬ বছরে করা হয়েছিল এসএসসি পরীক্ষার পরে। বাবা বিদেশ থাকতেন এজন্য দেরি হয়েছিল অনেক। সিটিজেনশিপ পাওয়ার একটা সুযোগ ছিল তাই দেশে না এসে অনেক লম্বা সময় থাকতে হয়েছিল। আমরা ২ বোন ১ ভাই, আমি মাঝখানে। 

আমি পড়াশোনায় অনেক ভালো হলেও একটু কামুক টাইপের। এজন্য মুসলমানির আগে থেকেই অনেকের সাথে সহবাস করতাম। ক্লাস নাইনে প্রথম গার্লফ্রেন্ড হয়, তার সাথেই শুরু করেছিলাম। তাকেও সেক্সে রাজি করানোর পরে যখন নুনু দেখে তখন জিজ্ঞেস করলে জানাই যে আব্বু থাকেনা এজন্য আর করা হয়ে ওঠেনি। সে ইতস্তত করলেও আপত্তি করেনি, এরপরে সুযোগ পেলে প্রায়ই করতাম। ক্লাসে বান্ধবীর সাথে করেছিলাম। একসাথে ক্লাস করা, কোচিং এ পড়া এভাবে ভালো বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব এর কারণে অনেক ক্লোজ বিষয় ও শেয়ার করা হয়ে যায়। তারপরে করতে আর কতক্ষন। 

গার্লফ্রেন্ড কিছু না বললেও বান্ধবী প্রথমদিকে বলছিলো যে ভার্জিনিটিটা নষ্ট হয়ে যাবে, এভাবে নষ্ট করতে ইচ্ছা করছে না। তবে তার ও মজা করার ইচ্ছা হয়েছিল এজন্য রাজি হয়। কিন্তু সেই একই কথা, মুসলমানি করা হয়নি আজ ও ! তাকেও কারণ জানালাম যে এই কারণে হয়নি, সে বলে এই মোটা জিনিস কাটালে এই বয়সে অনেক কষ্ট পাবি। এভাবেই গার্লফ্রেন্ড আর ক্লাসের বান্ধবীর সাথে চলতে থাকে সবকিছু। এর মধ্যে এলাকার একজন হিন্দু দিদির সাথে সম্পর্ক হয়, উনার স্বামী দূরে জব করতো সপ্তাহের শেষে আসতো শুধু। তার সাথে টুকটাক হয়েছে অনেকবার ই। তবে তার সাথে করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল কারণ জায়গা, লোকজন এর চোখের আড়াল হওয়া এইসব ম্যানেজ করে করা একটু ঝামেলার ছিল। তবে এইসব আসলে কোনো বাধা মানে না, তাই এখানেও সমস্যা হতোনা। 

এর মধ্যে ক্লাস টেনে টেস্ট এর সময় খবর পাই আব্বু আসবে দেশে। এবং আমাদেরকেও সাথে নিয়ে যেতে পারবে। আব্বুর আসার খবর শুনে তো অনেক খুশি সবাই। যথাসময়ে আব্বু চলে আসে, বাড়িতে খুশির জোয়ার। আত্মীয়স্বজন ও বাড়িতে অনেক আসে আব্বুর সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতে। এভাবে বাড়ি ও বেশ রমরমা হয়ে ছিল আব্বুর আসার পরে কিছুদিন অব্দি । টেস্ট এর রেজাল্ট দিলো, আমার টেস্ট এর রেজাল্ট এ+, আর আমার বোনের এ গ্রেড। এবার আমরা পড়াশোনায় বেশ মনোযোগ দিলাম কারণ ভালো রেজাল্ট থাকলে নাকি আব্বুর সাথে দেশের বাইরে পড়তে সুবিধা হবে। নইলে পড়তে খরচ হবে অনেক, অথবা ইন্টার পাস করে যেতে হবে। 

বোন আর আমি একসাথে থাকতাম, আর ছোটটা আম্মুর সাথে ঘুমাতো। আব্বু আসার কারণে ছোটটাকে আর ওকে একটা রুমে দিলো আর আমি গেস্টরুমটাতে থাকা শুরু করলাম রাত্রে। কিছুদিন খেয়াল করলাম আমার বোন বেশ বিরক্ত আর হালকা খিটখিটে হয়ে থাকে। মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করেও পারে না। শীতকাল আসার পথে তখন, আব্বু আম্মু ছোটবোন মার্কেটে গেলো শীতের কাপড় কেনাকাটা করতে। বোনের কাছে যেয়ে দেখি টেবিলে পড়ার চেষ্টা করতেছে কিন্তু কেমন যেন মেজাজ একটু খারাপ ধরণের।

Post a Comment

0 Comments