হাজাম দেখে পালিয়ে অতঃপর হাজাম দিয়ে মুসলমানি

ছোট বেলায় মুসলমানি করানো কখনো দেখা হয়নি বলেই একটা ভয় করতো। যেটা আমার মুসলমানির দিন আরো ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিলাম। আমার মুসলমানি করানো হয়েছিল যখন ক্লাস থ্রী তে পড়ি সেসময়। বাসায় আগে থেকে জানানো হয়েছিলো যে ফাইনাল পরীক্ষার শেষ হলে আমাকে মুসলমানি করানো হবে। শুনেছিলাম মুসলমানি করানোর সময় যাদের নুনু ফোটে তাদের ব্যাথা কম লাগে। তাই আমাকে মুসলমানি করানো হবে শুনে আস্তে আস্তে নুনুটা ফোটাতে থাকি আর নুনুর ভিতরে জমে থাকা সুজির মতো জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে থাকি। এভাবে কিছুদিন নুনু ফুটিয়ে ইজি করে নিই আর দেখতে থাকি মুসলমানি হয়ে গেলে নুনুটা দেখতে কেমন হবে।

এরপর পরীক্ষা শেষে আমার মুসলমানি করানোর দিন ঠিক করে হাজাম কে খবর দেওয়া হলো। সকাল বেলা হাজাম কে উঠানে দেখে দৌড়ে পালালাম কিন্তু রক্ষা হলো না। আমাকে পাঁজা করে ধরে আনা হলো। হাজাম আমাকে দেখে বললো ভয়ের কিছু নাই আজ শুধু দেখবো অন্যদিন মুসলমানি করাবো। এরপর হাজাম আমার নুনুটা দেখলেন‌ আর গোসল করিয়ে নিয়ে আসতে বললেন।

গোসল শেষে আমাকে খাইয়ে একটা মাঝখান থেকে কাটা কাপড় পরিয়ে হাজামের সামনে শোয়ানো হলো। হাজাম কাপড় সরিয়ে সকলের সামনে আমার নুনুটা উন্মুক্ত করলেন। আর নিচে কলার পাতা বিছিয়ে দিলেন। এরপর ব্যাগ থেকে anesthesia সিরিঞ্জে ভরে নুনুর গোড়ায় পুশ করলেন। আর আমি ব্যাথায় চিৎকার করলাম। এরপর হাজাম একটা ত্যানা দিয়ে আস্তে আস্তে ডলতে লাগলেন আর আমার সাথে কথা বলতে লাগলেন।
-আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কিছু বুঝতে পারছি কিনা ‌! -আমি বললাম হ্যাঁ।
এরপর হাজাম আবারো anesthesia সিরিঞ্জে ভরে নুনুর মাথাটায় পুশ করলেন আর ভালোভাবে ডলতে লাগলেন।
-আবার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কিছু বুঝতে পারছি কিনা!
-এবার বললাম না কিছু বুঝতে পারছি না। এরপর হাজাম একটা ত্যানা পুড়িয়ে নিলেন।
-আমাকে এবার জিজ্ঞাসা করলেন নুনু ফোটে কিনা। -আমি বললাম জ্বী ফোটে।
এরপর হাজাম নুনুটা ফোটালেন আর ব্যাগ থেকে একটা চিমটি, একটা কাঠি বের করলেন। আর ধারালো চাকুটা আড়াল করে রাখলেন। এরপর হাজাম কাঠিটা নুনুর মধ্যে ঢুকিয়ে চিমটি দিয়ে আটকে দিলেন। এরপর আমাকে কলেমা পড়িয়ে এক টানে নুনুর মাথার চামড়া টা কেটে মুসলমানি করিয়ে দিলেন। এরপর আরেকটা ত্যানা দিয়ে রক্তটা টা মুছে চামড়া টা উল্টে দিয়ে পোড়ানো ত্যানাটা পেঁচিয়ে দিলেন। এরপর নেবালন পাউডার চারিদিকে দিয়ে দিলেন।
- মুসলমানি করানো শেষ হলে হাজাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা
-বললাম জ্বলে যাচ্ছে।
হাজাম পানি পড়ে খাইয়ে দিলেন। এরপর কিছু টা জ্বলা কমেছিলো। সাথে কিছু ঔষধ লিখে দিয়েছিলো।
মুসলমানি করিয়ে হাজাম বকশিশ নিয়ে চলে গেল আর বলে গেল পোড়ানো ত্যানা প্যাঁচানো জায়গায় নারিকেল তেল দিয়ে ভিজিয়ে আস্তে আস্তে তুলে ফেলতে। মুসলমানি করিয়ে হাজাম চলে গেল আর আমি সবার সামনে নুনুটা বের করে শুয়ে রইলাম।

মুসলমানি করিয়ে হাজাম যাওয়ার পর প্রেসাব করললাম আর লক্ষ্য করলাম মুসলমানি করানোর পর প্রেসাব অনেক ভালো হচ্ছে। এরপর হাজামের কথা মতো নারিকেল তেল দিয়ে নুনুটা ভিজিয়ে রাখলাম।
 এভাবে সপ্তাহখানেক নারিকেল তেল লাগিয়ে ও গরম পানি দিয়ে পোড়ানো ত্যানা নুনু থেকে অপসারণ করে সুস্থ হয়ে উঠি।

তবে আমাকে মুসলমানি করানো হাজাম অনেক ভালো ছিলো। উনি আমাকে মুসলমানি করানোর পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই আমাকে দেখতে আসতেন আমার খোঁজ খবর নিতেন।

Post a Comment

0 Comments