১ মিনিটে খাৎনা

গল্পের টাইটেলটা একটু ভিন্ন প্রকৃতির লাগতে পারে দেখে কিন্তু আসলেই এমন অভিজ্ঞতার কারণেই এইটা লেখা। গ্রামের মোসলমানি তো আপনারা অনেকেই জানেন কেমন ভাবে হয়। আত্মীয়-প্রতিবেশী অনেকেই ছিল আর হাজাম এর সাথে ঢোল হারমোনি বাজানোর দল ও ছিল। হাজামটা গ্রাম্য হাজাম হলেও ইনজেকশন ব্যাবহার করতো। হয়তো কোনো ডাক্তার বা হাসপাতালের কারোর থেকে শিখেছিল। কিন্তু কেন জানিনা সবার ইনজেকশনে অবশ হতোনা। তবে আমি অবস না হওয়া দুর্ভাগাদের কেউ না। আমাদের ৬ জনকে করানোর কথা ছিল মুসলমানি। একে একে সবাইকে হাজাম কাছে ডেকে ডেকে ইনজেকশন দিয়ে দিলো নুনুতে। ইনজেকশন দিলে কিছুটা ব্যাথা লাগছে, মোটা একজন ছিল ঐটা তো কান্না করে দিচ্ছে ইনজেকশনে। হাজাম তার জিনিসপত্র রেডি করতে থাকলো, রেডি শেষে প্রথমদিকে থেকে যেগুলোর ইনজেকশন দেওয়া ওই সিরিয়ালে ডাকতে থাকলো। আমার সিরিয়াল ছিল সেকেন্ড। প্রথমটাকে নিয়ে গেলো, ওইটা বেশ কান্নাকাটি করছিলো যেতে চাচ্ছিলোনা। টেনে ধরে নিয়ে করলো। ওর শেষ হওয়ার পরেই আমাকে ধরে নিয়ে গেলো। হাজামের পাটিতে ২ পা মেলিয়ে শোয়ানো হলো। হাজাম কালেমা বলতে বললো। বললাম, একটু পরেই আড়কোলে উঠিয়ে নিয়ে বাসার বারান্দার শুয়ে দিলো। কিছুটা অবাক লাগলো, তাকিয়ে দেখি নুনু ব্যান্ডেজ করা। ব্যান্ডেজ করছিলো টিসু পেপার, গজ আর টেপ দিয়ে। তার মানে কাজ শেষ। মনে হয় ১ মিনিটের মতো লাগলো কি তার ও কম, আর কিছু টের ও পেলাম না। মাত্র এই কয়েক সেকেন্ডে নুনু ধরে সঠিকভাবে মাপ নিয়ে কেটে ব্যান্ডেজ করে দেওয়া। ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত ধরণের। মানে হাজামটা এতই অভিজ্ঞ যে সময় ই লাগলো না কাজ করতে। ২ জনের হয়তো অবস হয়েছিলোনা ইনজেকশনে অনেক চিল্লাইছিলো সেই দুইজন। 

এর একটু পরে একজন রিলেটিভ এসে পায়ে একটা কাপড় বেঁধে দিলো। কাপড়ে কেটে ফেলা চামড়াটুকু ছিল। এইটা যে কেন করছিলো আমার সঠিক জানা নেই। কি হচ্ছে বুঝে উঠার আগেই কাজ শেষ, কিন্তু রাতে শুরু হলো জ্বালাপোড়া। ভালোভাবে ঘুমাতেও পারলাম না রাত্রে। কোনোরকম ভাবে ঘুমিয়ে পরেরদিন থেকে আর কোনো জ্বালাযন্ত্রণা ছিলোনা।

কয়েকদিন পরে ব্যান্ডেজ খোলা হলো, কেটে যেটুকু উল্টে দেওয়া হয়েছিল সেইটুকু একদম ফুলে ছিল। দেখে মনে হয় যে ভিতরে পানি বা বাতাস ভর্তি। ওই অবস্থাতেই লুঙ্গি পরে থাকা শুরু করলাম। নুনু ঠিক হয়ে যেতে থাকলো আর গোল ভাজটাও চামড়ার সাথে সমান হয়ে লেগে গেলো।

Post a Comment

0 Comments