১৬ বছরে মুসলমানি - ৩

রাত্রে ভালোভাবে সেভ করে রাখলাম অন্ডকোষ এর লোম সহ। কিন্তু আমার আব্বু আমু কেউ জানালো না কিছুই আমাকে পরেরদিন সকালে বাড়িতে একটা লোক আসে। লোকটা হাজাম পাশের এলাকার হাজাম এবং কাউকে জানানো হবেনা এজন্য অনেক গোপনীয়ভাবে সব কিছুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বোন ও বলছিলো ব্যাথা লাগলেও চুপ থাকবি। হাজাম এর সামনে শোয়ার পরে পেনিস দেখে হাজাম বেয়াক্কেল এর মতো সবার সামনে বলে ফেলছে ছেলে কি বিবাহিত আব্বু বলছে না  কেবল এসএসসি এর শেষ পরীক্ষা দিলো গতকালকে। লিঙ্গ ধরে বললো এইটার যা অবস্থা দেখছি এতটা উন্নতিতো সহবাস ছাড়া হওয়ার কথা না। পরিবারের সবার সামনেই কেমন একটা বিব্রতকর পরিস্থিতি হয়ে গেছিলো এই কথাটার কারণে। এরপরে হাজাম তার কাজ শুরু করলো হয়ে গেলে তেমন একটা জলেনি তবে টের পেয়েছি কাটাকাটির ব্যাপারে। দুপুরের দিকে হেলান দিয়ে শুয়ে টিভি দেখতেছি তখন বোন কাছে এসে বালিশের নিচ থেকে কাপড় এর টুকরো বের করে ভাঁজ খুলে দেখালো দেখিয়ে বললো নে তোর সম্পদ, তাবিজে ভরে রাখ বৌ আসলে দেখাইস। বললাম তুই রাখ সিল করে তোর কাছে স্মৃতি হিসেবে।উত্তর দিলো খেয়ে কাজ তো পেলাম না। তেলে দিয়ে ভেজে তোকেই খাওয়ায় দিবোনি। আর ওই শালার হাজাম দেখি বুঝেও ফেলছে ওর কথা দেখে ভয় পেয়ে গেছি। যদি জানাজানি হতো তাহলে আব্বু তো হাজামের খুরটা নিয়ে তোর আর আমার গলায় টেনে দিত। 

আমিও বললাম এভাবে হুট্ করে কি বলে ফেলছিলো এইসব কথা এভাবে কেউ বলে নাকি। বোন বললো আমার ই মেজাজ গরম হয়ে গেছিলো ওর উপরে। কয়দিন খুবই সমস্যা হলো, পেশাব করে পানি দিয়ে পুরো পেনিস অন্ডকোষ সহ ধুই আমি আর সেটাও করতে পারছিলাম না। প্রচন্ড বিরক্ত লাগছিলো। ৩ দিন পরে ব্যান্ডেজ খোলা হলো নেবানোল পাউডার দেওয়া শুরু হলো। মধু ঘি এইসব খাওয়া হতো প্রতিদিন। ঘা হয়ে পেকে গেছিলো ৪-৫ দিন এর সময় ঘা থেকে গাড় রস বের হওয়া শুরু করছিলো। এর জন্য হাজামের পরামর্শ ভায়োডিন দিয়ে ২-৩ বার করে ড্রেসিং করানো শুরু হলো। এবার একটু উন্নতি হওয়া শুরু হলো। কিন্তু এই ড্রেসিং ছিল আরো বেদনাদায়ক। ড্রেসিং বোনকে করতে দিতাম না শুধু আম্মু করে দিতো। কারণ বোনকে দিয়ে করতে গেলে আবার দাঁড়িয়ে যেতে পারে এতে সমস্যা হবে। আম্মুকে দিয়ে ড্রেসিং করলে এই সমস্যা হতোনা। তবে প্রথমদিন ড্রেসিং করতে গেলে বেশ ব্যাথা পাইছিলাম আম্মুকে জানালাম যে লাগছে অনেক। এরপরে ধীরে ধীরে সময় নিয়ে পরিষ্কার করল আর বললো যে জয়েন্টটা এখনো কাঁচা আছে তাই লাগছিলো। এরপরের থেকে ধীরে আর সাবধানে চলতে থাকলো ড্রেসিং। 

বোনের থেকে শুনেছিলাম যে কি কি করছিলো তার বর্ণনামতে হাজাম হাজাম ধরে নাড়াচাড়া করে দেখতেছিলো আর চামড়া ফুটিয়ে দেখছিলো। এরপরে সিরিঞ্জে ওষুধ নিয়ে গোড়ার দিকে পুশ করে দিলো মোট ৩ বার। ম্যাসাজ করতে থাকলো ওষুধ দেওয়া জায়গা। আমাকে এরপরে আগার চামড়াটা টেনে দিয়ে ফুটোতে কাঠি ঢুকালো যতদূর যায়। কাঠির মাথা মসৃন ছিল কাঠিটা মুন্ডির শেষের দিকের অংশে যেয়ে ঠেকলো। এবার কাঠি চামড়াসহ ধরে টেনে এনে ফোরসেপ চেপে দিলো। কাঠি ছাড়লেও ফোরসেপ ছাড়লনা। ফোরসেপ এর মাথায় কি যেন একটা আটকালো ছোট করে। এরপরে ফোরসেপ টাইট হয়ে আটকে থাকলো। এবার একহাতে চামড়াটা ধরে অন্যহাতে খুর ধরে টেনে দিলো সমানসমান ভাবে। চামড়াটা কাপড় দিয়ে ভাঁজ দিয়ে রাখলো। চামড়া থেকে আঙুলে লেগে যাওয়া রক্ত ও মুছলো আর খুর এর রক্ত ও মুছলো। ফোরসেপে সমান সমান কাটা চামড়া দেখা যাচ্ছিলো চেপে থাকায় রক্ত আসছিলো না। ফোরসেপ বরাবর একটা মলম বের করে দিলো। এবার ফোরসেপ খুললেও নুনুর মাথা ঐভাবেই বুজে ছিল। গোড়ারদিকে গোল করে ধরে পিছনে চাপ দিতেই মুন্ডি বেরিয়ে আসলো। এবার চামড়াটা উল্টিয়ে দিতে কি এক ধরণের ওষুধ ও লাগলো। উল্টানো হলে আবার খুব তরল কি একটা মেডিসিন ও দিয়ে দিলো উপরে যা গড়িয়ে নিচে গেছিলো। এরপরে রেডি করে রাখা তুলো পেঁচিয়ে দিলো। এরপরে তুলোর উপর দিয়ে গজের ব্যান্ডেজ। কাজ শেষ হলো, এরপরে পেনিস থেকে যেই রক্ত শরীরে, অন্ডকোষে পড়েছিল আর ওষুধ পড়েছিল তা মুছে পরিষ্কার করে দিলো। 

ঘা শুকাতে মোট ১৭-১৮ দিন লেগে গেছিলো। এরপরে পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হলে আবারো আগের কাজ সবার আড়ালে শুরু করে দিলাম।করতে প্রথমবার আনইজি লাগছিলো কারণ অনেক লম্বা সময় ধরে আকাটা লিঙ্গ নিয়ে ছিলাম। তবে প্রথমবার করতে করতেই আনইজি ভাবটা কেটে গেলো, কয়দিন পরে দ্বিতীয়বার করতে একটুও আনইজি লাগলোনা আরো ভালোই লাগলো।

Post a Comment

0 Comments