এসএসসির রেজাল্ট এ দেখি যে ২ জন ই গোল্ডেন এ+ পরবর্তীতে পুরো পরিবার আমরা দেশের বাইরে শিফট হই। এখানে পড়াশোনা শুরু করে দেই। কয়েক বছর পরে বোনের বিয়ের কথা উঠে তখন বোন বলে যে আপাতত আমাদের কাজ থামাতে হবে। নইলে যদি এইসব কন্টিনিউ রাখি তাহলে বিয়ের পরে জামাই চেষ্টা করতে গেলে যদি দেখে পেনিসের সাথে সাথে হোল ও চলে যাচ্ছে তখন তো তালাক দিবে। ৭ মাস পরে বিয়ে হয়ে গেলো ওর, ও জানালো যে জামাই টের পায়নি। টাইট ই ছিল তাই আর অসুবিধা হয়নি। ওর আমার সম্পর্কের চ্যাপ্টার এই পর্যন্তই এরপরে থেকে আর কখনো এইসবে জড়াইনি। সুযোগ তো পেয়েছি কিন্তু আর কখনো করিনি। শুধু একদিন বলছিলো যে পায়জামার ভিতর দিয়ে হাত দিয়ে আঙ্গুল দিয়ে দেখ তো। দেখলাম আর বললাম যে ঠিক ই তো আছে আমার সাথে যখন ছিলি তখন এমনি ছিল।দাড়া আরেকটা জিনিস দেখাই, এবার ওর পায়জামার ভিতরে আমার হাত থাকা অবস্থায় নিজের হাত ঢুকিয়ে দিয়ে আমার আঙ্গুল নিয়ে ওর পিছনের ফুটোয় ঢুকিয়ে নেয়। আঙ্গুল ঢুকলেও যতটা প্রেশার লাগার কথা তার থেকে কিছুটা কম লাগে আমি বুঝে ফেলি যে এইখানেও নিয়মিত চর্চা হয়।
বললাম তোর জামাই কি সমকামী নাকি? বললো না, সমকামী না আমি অনেকভাবেই যাচাই করে দেখছি। বলে যে লোকটা পুরা খাইষ্টা ধরণের। জঘন্য রুচি ওর এক ফুটোয় হয়না কন্ডোম পরে নিয়ে পিছন দিয়েও করে। কি ধরণের লুব ব্যাবহার করে তেলতেলে করে নিয়ে পিছন দিয়েও করে নিয়মিত আবার সামনে দিয়ে করার সময় পিছনে আঙ্গুল ভরে রাখে। দেখে তো ভদ্র রুচিশীল মনে হয় সবাই তাই ভাবে কিন্তু জঘন্য রুচি। আমি বললাম তোর কি কষ্ট হয় অনেক? অভ্যাস হয়ে গেছে এখন আর তেমন কিছু হয়না। সামনে দিয়ে করার সময় পিছনে আঙ্গুল দিলে ভালোই লাগে। এরপরে আমার শুধু বলছিলো তোর এই জিনিসটার আর সঙ্গী জুটলো না। আমি বললাম এখন সাদা চামড়ার সঙ্গী জুটে। আগে তো একটা নিয়েই তুই সহ ৪ জন ছিল; আর এখন কাটা জিনিসের ফর্সা সঙ্গী।
0 Comments