খালাতো বোনের কাছে নুনু ফুটিয়ে হাজাম দিয়ে মুসলমানি - প্রথম পর্ব

মুসলমানি মুসলিম ছেলেদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মুসলমানির গুরুত্ব অনেক। ছোট বেলায় অনেকে মুসলমানির গুরুত্ব বুঝে না এজন্যই ভয় পায় আর বড় হয়ে যখন বুঝতে পারে তখন আর মুসলমানির ব্যাপারে ভয় থাকে না। আজ আমি আমার মুসলমানির ঘটনা শেয়ার করবো।


আমাকে মুসলমানি করানো হয়েছিল যখন আমার বয়স ৭ বছর। মানে আমার মুসলমানি করানোর ১৭ বছর কেটে গেছে। মুসলমানি করানো নিয়ে সকলে যেমন ভীত থাকে আমিও তেমনিই ভীত ছিলাম। হঠাৎ করেই ফোন এলো খালাতো ভাইয়ের মুসলমানি করাবে। তাই দেরি না করেই চলে গেলাম খালামনিদের বাড়িতে। বলে রাখা ভালো আমার খালাতো আমার থেকে ১ বছরের ছোট। খালাতো ভাইয়ের মুসলমানি উপলক্ষে অনেকেই জিজ্ঞেস করছে ওর নুনুটা ফোটে কিনা। এ কথা শুনে খালাতো বোন দেখলাম খালাতো ভাইয়ের নুনুটা ফুটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ওর নুনুটা ফোটাতে দেখে ফেলায় খালাতো বোন আমাকে জিজ্ঞেস করলো
-তোমার তো মুসলমানি করানো হয়নি এখনো। তোমার নুনুটা ফোটে ?
-আমি বললাম আমার ভয় লাগে তাই চেষ্টা করিনি কখনো নুনু ফোটানোর।
-খালাতো বোন বললো আসো দেখি তো তোমার নুনুটা ফোটে কিনা।
- আমি আপুর কথা শুনে দৌড়ে পালালাম।
আমাকে দৌড়ে পালাতে দেখে খালা আপুকে জিজ্ঞেস করলো আমি দৌড় দিলাম কেন। আপু খালাকে হাসতে হাসতে বললো ওর নুনুটা ফোটাতে চেয়েছি তাই দৌড়ে পালালো। খালা আপুর কথা শুনে খুব হাসাহাসি করলো।

পরেরদিন সকালে খালাতো ভাইয়ের মুসলমানি করানো হলো। যদিও খালাতো ভাইয়ের মুসলমানি করানো দেখেছিলাম আমি শুধু সাহস সঞ্চয়ের জন্য।
এদিকে খালাতো ভাইয়ের মুসলমানি তে এসে খালার সাথে পরামর্শ করে আম্মু আমাকে মুসলমানি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো। আর এটা খালাতো শুনে আমাকে মুসলমানির জন্য প্রস্তুত হতে বললেন।

Post a Comment

0 Comments