ডাক্তার ডেকে ভাইয়ের খাৎনা

আমার মুসলমানি একদম ছোট বয়সে করানো হয়েছিল ক্লিনিকে নিয়ে। সেরকম কিছু মনেও নাই করানোর ব্যাপারে। আব্বু আম্মু যখন দেখলো যে আমার পেনিসের শেপটা অনেক সুন্দর হয়েছে তাই আবারো সেই একই ডাক্তার দিয়েই ছোট ভাইয়ের মুসলমানির সিদ্ধান্ত নেয়। ডাক্তারকে জানানো হলে উনি জানান যে বাড়িতে এসেই করে দিতে পারবে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিদৃষ্ট দিতে ডাক্তার বাড়িতে আসে, আমার ভাই ও অনেক সাহসী ছিল তাই ওকে নিয়ে তেমন চিন্তা ছিল না। চুপচাপ শুয়ে ছিল আর ডাক্তার তার কাজ শুরু করলো। এনেস্থেসিয়া এর ইনজেকশন দিয়ে অবশ করে নিযেছিলো। 

এরপরে নুনু ফুটিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে নিলো ভালোকরে। একটা কেচি নিয়ে উপরের দিকে সোজাসুজি একটা পোচ দিলো। এতে ফোরস্কিন উপরের দিকে কেটে ২ দিকে সরে গেলো। এমন অবস্থায় ফুটিয়ে নিয়ে আবারো কি কি একটু পর্যবেক্ষণ করে আস্তে আস্তে সাইড দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে গোল করে পুরো ফোরস্কিনটা কাটা শুরু করলো। ফোরস্কিন কাটা হয়ে গেলে রক্তাক্ত গ্ল্যান্সটা একদম বেরিয়ে গেলো। চামড়া কাটাটা পুরো সমান হয়েছিল না এজন্য যেখানে যেখানে অসমান সেখানে কেচি দিয়ে কেটে কেটে পুরোপুরি গোল শেপ এ এনে ফেললো। বেশ সময় ই লাগলো আর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। এরপরে সেলাই করা শুরু করলো, এতেও ভালোই সময় লাগলো আর তখন ও রক্ত পড়া রানিং ছিল তবে কাটার সময় এর তুলনায় কম। এরপরে কি একটা মেডিসিন বা অন্য কিছু তুলতে মাখিয়ে যতটুকু জায়গাতে রক্ত মাখছে সম্পূর্ণটা মুছে ফেললো আর পেনিসে ও মেডিসিন দিয়ে তুলে,গজ দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিলো। এরপরে পেনিসের স্কিন এর শেষের দিকে একটা টেপ এমনভাবে পেলভিকের সাথে লেগে থাকে। মানে পেনিস বডি থেকে ঝুলন্ত ভাবে রাখা যাবেনা। এই ছিল আমার ভাইয়ের খাৎনার গল্প।

Post a Comment

0 Comments