গ্রাম ডাক্তার দিয়ে খাৎনা

মুসলমানি করানো হয়েছিল ৬ বছর বয়সে, স্কুল এ যাওয়া শুরু করার আগেই। বাড়িতে একজন গ্রাম ডাক্তার ডাকা হয়েছিল মুসলমানির দিন। গ্রাম ডাক্তার হলেও হাজামের কাজ ও করতো। আমাকে রেডি করিয়ে বারান্দায় আনা হয়, আসে পাশের বাড়ির পুরুষ মহিলা অনেকেই বারান্দার আসে পাশে ভিড় করে ছিল। ডাক্তার বলসিলো যে শুধু পিঁপড়ার কামড়ের মতো লাগবে আর কিছু না।  দাঁড় করিয়ে নুনুতে ২-৩টার মতো ইনজেকশন ঢুকালো। পিঁপড়ার কামড় বললেও বোল্লার কামড়ের মতো ব্যাথা লাগছে তাই একটু চিল্লাইছিলাম। কিন্তু চাচাতো ভাই শক্ত করে ধরে থাকার কারণে লাফালাফি করলেও নড়তে পারিনি। হাজাম নুনু ধরে রাখছিলো এজন্য ইনজেকশন দিতে অসুবিধা হয়নি। নড়লেও নুনু টেনে ধরে ইনজেকশন দিয়ে দিলো। এবার কিছুক্ষন বসে থেকে ডলাডলি করলো নুনু আর এরপরে শুয়ে পড়তে বললো। এই সময় আমার চাচা নুনু ডলে দিচ্ছিলো আর আব্বা মাথার কাছে ছিল। 

এরপরে হাত দিয়ে সিগন্যাল দিয়ে বললো ডলার দরকার নাই আর। এরপরে হাজাম নুনু তে হাত দিয়ে কাজকাম শুরু করে দিলো। বেশি সময় লাগেনি, সূরা আর কালেমা পড়তে পড়তেই সুন্নত করানো কমপ্লিট হয়ে গেলো। এরপরে বসিয়ে বললো ফু দিতে নুনুতে। তখন ২ পায়ের মাঝে হাজামের কাঠি, খুর, ওষুধ, কাপড় এর টুকরো, আর কাটা চামড়া ছিল। হাজাম চামড়াটুকু দেখিয়ে বললো এই যে তোমার সম্পদ, এই খুরের পোচে নুনু থেকে এইটা আলাদা করে দিছি। এই বলে চামড়া একটা কাপড়ে গিট মেরে হাতে দিলো। জানতে চাইলো ব্যাথা পাইছো কোনো? বললাম যে পাইনি। এরপরে চাচাতো ভাই রুমে নিয়ে গেলো আর আম্মা বাতাস করে দিচ্ছিলো। হাত থেকে চাচি চামড়ার টুকরোটা নিয়ে আম্মাকে বললো চুলার পশে রাখতে। 

শেষ

Post a Comment

0 Comments