মুসলমানি ও একটি অপরাধ

সবাই তো মুসলমানির এক্সপেরিয়েন্স বলে আমি না হয় এক্সপেরিয়েন্স এর সাথে সাথে আরো কিছু বলি নিজের সাথে হওয়া বিষয়বস্তু নিয়ে। আমি আপাতত বাপ-মা এর একমাত্র সন্তান, আরেকজন ছিল তবে মৃত। এজন্য আমার যত্ন একটু বেশি নেওয়া হতো, এবং এই বেশি যত্নের সাথে সাথে খাওয়াদাওয়া ও অনেক বেশি করানো হতো। এর ফলে যেটা হয় আমার সারা শরীর অনেক মোটা হয়ে যায়। নুনুটা খুব পিচ্চি দেখা যেত, এমনকি শীতের সময় এমন ও হয়েছে যে ভিতরে চলে গেছে পেনিস। অনেকটা মেয়েদের মতো, দেখা এ যেতোনা পেনিস আছে কি না। বাথরুমে গেলে মাথার দিকের চামড়া টেনে বের করলে হয়তো রক্ত চলাচল বাড়তো এজন্য তখন একটু বের হয়ে আসতো। 

বয়স বাড়ার সাথে সাথে মা-বাবার মাথায় আমাকে মুসলমানি করানোর চিন্তাও আসে, এজন্য মা একদিন নুনুটা দেখতে চায়। তখন খেয়াল করে যে নুনু এতটাই ছোট যে ভালোভাবে বোঝা যায়না। শুধু অনেক বেশি চামড়া সামনে এইটুক বোঝা যায়। ডাক্তারের কাছে নেওয়া হলে জানায় যে এর মুসলমানি গরমকালে দিতে হবে। নইলে সমস্যা হতে পারে, আর শরীর একটু স্লিম বানাতে হবে নয়তো ভবিষ্যত এ সমস্যা হবে অনেক। ডাক্তার তলপেট এ চেপে দেখালো যে কতটা পেনিস বের হয়ে আসছে। বললো যে ওর পেনিস মোটেও ছোট না কিন্তু চর্বির কারণে লুকিয়ে আছে। মুসলমানি দিলেও পেনিসের মাথা আপাতত অর্ধেকের বেশি বের হবেনা। গরম আসলে দিয়ে দিতে হবে আর শরীর একটু কমাতে হবে। 

এরপর থেকে মা বাবা নিয়মিত শীতকাল জুড়ে আমার সাথে রকেট ফেদার খেলা এবং রাত্রে শুধু রুটি খাওয়া শুরু হলো। তবে এতে তেমন একটা ফ্যাট কমেনি। এবার গরম আসলে এলাকার একজন অভিজ্ঞ হাজাম ডাকা হলো। সে নুনু দেখলো, চেপে আসল সাইজ ও দেখলো আর বললো যে করানো যাবে আর ডাক্তার যা বললো তাই ই বললো। যে শরীর কমাতে হবে, তলপেটে চর্বি জমছে যেটা আসলেও ভালো ব্যাপার না কোনো। হাজাম পরেরদিন এর তারিখ দিলো মুসলমানির জন্য। মা মোটামুটি আমাকে মানসিক ও শারীরিক ভাবে প্রস্তুত করার চেষ্টা করতে লাগলেন। আমি মা কে বললাম যে এখন মুসলমানি দিওনা, ব্যায়াম করে একটু স্লিম হওয়ার পরে দিও। মা বললো আব্বু ওতে সময় লাগবে অনেক, ততদিনে বড় হয়ে যাবে অনেক তখন মুসলমানি করলে কষ্ট বেশি হবে। এখন ছোট আছো এজন্য সুবিধা বেশি, হাজাম যখন মুসলমানি দিবে টের ই পাবনা যে কখন হয়ে গেলো । তাও অনেক অনুরোধ করতে লাগলাম, মা এবার জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে বললো আব্বু এইটা ধর্মীয় বিধান। করতেই হবে আব্বু, মায়ের উপর রাগ করো না। এইটা আটকানো যাবেনা, কালকেই মুসলমানি হয়ে যাবে তোমার। আরো অনেক ভাবে বুঝতে লাগলো আর শান্তনা দিতে লাগলো। মোটামুটি অনেকটা কন্ভিন্সড হয়ে গেলাম আমি যে সমস্যা নাই। পরেরদিন সকালে গোসল করে রেডি ছিলাম, হাজাম আসলে আমাকে কাছে ডাকে। কিছু কথা বলে তারপরে খাটে শোয়ায়ে নিয়ে কয়েকটা ইনজেকশন দিলো প্যান্ট নামিয়ে। এরপরে ম্যাসাজ করতে বললো কিছুক্ষন আর পেশাব করিয়ে আনতে বললো। মা এবার আমাকে অন্য রুমে নিয়ে গেলো ম্যাসাজ করে দিতে দিতে। জিজ্ঞেস করলো যে ব্যাথা লাগছে কি না, বললাম যে লাগেনি। ইনজেকশন নাকি অনেকগুলো দিছে নুনুর চারিদিকে, গোড়ার দিকেও। ম্যাসাজ করতে যেয়ে ইনজেকশন দেওয়া জায়গা থেকে সামান্য একটু ব্লাড বের হয়ে আসছিলো। পেশাব করা শেষে ফিরে আসলাম, তখন দেখি হাজাম তার জিনিসপত্র রেডি করে ফেলছে। তুলা, স্যাভলন, গজ আরো বেশ কিছু জিনিস ছিল। বিশেষ করে তুলা আর স্যাভলন দেখে বুক কেমন কেঁপে উঠলো। বেডে পা ২ দিকে ছড়িয়ে শুয়ে পড়লাম মার কোলে মাথা রেখে আর সেই অবস্থায় হাজাম মাঝে বসলো। মা বাবা ২ জন ই আমার কাছে বসে ছিল। পেটের সোজাসুজি একটা বই দিয়ে রাখলো যাতে না দেখতে পারি। আমার সাথে হাজাম ও কথা বলতে লাগলো, মা বাবাও। কখন হয়ে গেলো সত্যি ই টের পাইনি, তবে জানতে পারছিলাম মার ফেছ রিয়াকশন দেখে। মা ফেছ একটু কেমন করে উঠছিলো মাঝে, বুঝলাম হয়তো ওই সময় ই কাটছে তবে আমি কখনো আর জিজ্ঞাসা করিনি এটা।আমি একটু কান্নাকাটি করছিলাম ভয়ে। মুসলমানি শেষ হওয়ার পরে মা জানতে চাইছিলেন যে ব্যাথা পেয়েছি কি না। বললাম যে পাইনি, তাহলে কাঁদছি কেন ?তখন জানালাম যে ভয়ে। যাই হোক মুসলমানি শেষ হলো, সেলাই দেয়নি তবে আঠা জাতীয় কিছু ব্যাবহার করছিলো। সুস্থ ও হয়ে গেলাম ৭-৮ দিনে। 

পরে স্লিম হওয়া নিয়ে নিজের ও মাথা ব্যাথা ছিলোনা, মা বাবার ও না। যৌবন আসলো শরীরে, দাম্পত্য জীবন নিয়েও জানতে পারলাম। সবসময় খেয়াল করছি যে পেনিস দাঁড়ালেও তেমন বেশি বড় হয়না, চামড়া লুজ লাগে। শক্ত হয় তবে সেরকম না, কিন্তু পেনিসের পিছনের দিকে চেপে যদি ধরি তাহলে বেশ বড় আর একটু মোটা ও লাগে। বিষয়টা একদিন সাহস করে মা কে আমতা আমতা করে শেয়ার করতে করতে সব ই বলে ফেললাম। মা দেখতে চাইলো তখন দেখলাম, দাঁড়ালে ৩.৫ ইঞ্চির মতো হয় আর পিছনে চেপে ধরলে মোট ৫.৫+ এর মতো হয় এমনকি তখন দেখতেও সুন্দর লাগে চামড়াও টানটান হয়। আমাদের বাড়ির যে একজন আপু কাজ করতো + থাকতো মা উনাকে ব্যাপারটা জানিয়েছিলেন, উনি স্বামী পরিত্যাক্ত ছিল। তাকে টাকা ও অফার করে যে আমার ছেলের বড় একটা সমস্যা আছে তোর ওকে সাহায্য করতে হবে সমাধান এর জন্য। কাউকে বলতে পারবি না, ওর বাবাকেও আমি বলবো না। আর ব্যাপারটা একদম সাময়িক শুধু চিকিৎসা এর কারণে, সেই আপু আমাকে বেশ ভালোবাসতেন তাই রাজি হয়েছিলেন আর বলছিলেন আমার কিছুই লাগবেনা আমার জন্য ভাইয়ার উপকার হলে আমি ওতেই খুশি । উনি যদিও সহজে নাকি রাজি হচ্ছিলেন না, কিন্তু আম্মু বললেন যে এইটা না হলে আমার অনেক সমস্যা হবে। উনি শুধু আমার কথা ভেবে রাজি হয়ে যান। 

পরে একদিন সকালের দিকে ব্রেকফাস্ট করে আমি কম্পিউটারে গেম খেলছি তখন মা উনাকে নিয়ে আসে আমার কাছে। আগে জানতাম না কিছু, তখন মা আমাকে একটু আমতা আমতা করে হলেও বলে যে উনার উদ্দেশ্য কি আসলে। মা চায় আমি উনার সাথে মিলিত হয় আর দেখা হোক যে আমি আসলে করতে পারবো কি না। আমার ও খুব লজ্জা লাগছিলো, মা আমাকে অনেক ভাবে বলে বুঝতে লাগলো আর সেই আপুও বললো যে শুধু চিকিৎসা এর জন্যই আর কিছুনা। অগত্যা রাজি হলাম আর চেষ্টা ও করলাম। মা উনাকেও নুনু দেখিয়ে বললো যে এই দেখ ছোট অনেক, কিন্তু পিছনে চেপে ধরলে বড় নুনু বের হয়।সবার মধ্যেই একটা লজ্জা কাজ করছিলো তবুও শুরু করা হলো। উনি আমাকে বললেন যে তুমি চেপে ধরে ঢুকিয়ে দেও এখানে আর যেভাবে সুবিধা হয় করতে থাকো। যেহেতু আপু ভার্জিন ছিল না তাই চিন্তার বিষয় ছিলোনা তবে ভার্জিন না থাকলেও যে ওটা টাইট থাকে সেটা বুঝলাম ঐদিন। যেটা বন্ধুদের সাথে কথা বলে জানতে পারিনি, তারা বলছিলো হাইমেন ফাটা থাকলে লুজ থাকে। যদি করার অবস্থায় পিছনে ছেড়ে দিয়ে করতে পারো তাহলে তো ভালো নইলে যেভাবে হচ্ছে সেভাবে। এরপরে সেভাবে চেষ্টা করলাম কিন্তু অল্পক্ষন এর মধ্যে বীর্যপাত হয়ে গেলো। মা বললো রেস্ট নিয়ে আবারো করতে। মোটামুটি ১০ - ১৫ মিনিট পরে আবারো করলাম, পিছনে ছেড়ে দিলে আর ভালোভাবে করা হয়না বা পারিনা। আর পিছনে হাত দিয়ে ধরলে শুধুমাত্র দাঁড়িয়ে ছাড়া করতেও পারিনা, ওভাবে করা যায় তবে মজা ব্যাথা ও হতো প্রথমদিকে। এভাবে এইবার মোটামুটি বেশ ভালো একটা সময় নিয়েই করতে পারলাম। কিন্তু সমস্যা যেটা বুঝলাম তা হলো একহাত এর আঙ্গুল দিয়ে পেলভিক চেপে না ধরে রাখলে মিলিত হওয়ার মতো অবস্থা হয়না পেনিসের। এবার কোনো এক ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হলো আর আমাকে বেশ কিছু মেডিসিন দেওয়া হলো সেইসাথে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার, জিম, রোদ পোহানোর জন্য বলা হলো। এভাবেই সব চলতে থাকলো, মা উনাকে পিল খাওয়াতেন আর সপ্তাহে আমার সাথে উনার ২-৪ দিন চলতে থাকলো তবে নিজেরা রুম আটকিয়ে করতাম, শুধু ওই একদিন ই সামনে ছিল মা। প্রায় বছরখানেক পার হওয়ার পূর্বেই আমি প্রায় সুস্থ হয়ে যাই। সুস্থ হতে হতে তখন পিল লাগতো না আর। আজল ও আয়ত্তে এসে গেছিলো, সেফ টাইম, পিক টাইম বুঝতাম। প্রটেকশন ব্যাবহার করতে পারি কি না শুধু সেটা পরীক্ষা করতেই ব্যাবহার করেছিলাম তাও মাত্র ২ বার।  

মোটা থাকতে লিঙ্গের স্কিন এতটাই ঘুচিয়ে থাকতো যে কন্ডম ব্যাবহার করতে পারতাম না। তলপেটে চাপ দিয়ে পুরো দৃশ্যমান করে যদি পড়তাম তাহলে আবার ছেড়ে দিলে একজায়গায় সব জড়ো হয়ে যেত। আর তলপেটে চেপে ধরে করা তো যায় কিন্তু হাতের পজিশন তো নড়চড় হতোই এজন্য কনডম ব্যাবহার করতে পারতাম না মোটা থাকা অবস্থায়।কাজটা এতদিনে নেশার মতো হয়ে গেছিলো। যেহেতু শুধু মা জানতো তাই লুকানোর কিছু ছিলোনা। শুধু দরজাটা আটকে নিতাম, তাছাড়া মা বাড়িতে থাকতো তাই জানতে পারতো সব ই। আবার তারা সম্মিলিতভাবে বাইরে গেলে তখন পুরো বাড়ি আমাদের জন্য হয়ে যেত। স্বামী স্ত্রীর মতো কাটতো সময়টা।এবং বেশ ছোট বয়স থেকে নিয়মিত সহবাস করার জন্য লিঙ্গের দৈর্ঘ, প্রস্থ ও ভালোই বৃদ্ধি পায়। তবে আমি সিওর না ওটা শুধু নিয়মিত সহবাসের জন্য বাড়ছে নাকি ব্যায়াম ও পুষ্টিকর খাবারের জন্য টেস্টোস্টেরোন বাড়ার কারণে বাড়ছে। 

তখন খুব মজা করেই করতাম উনার সাথে। উনি আরো সময় নিয়ে মোট ৩ বছর পরে মাকে জানায় যে এখন আমি সুস্থ হয়ে গেছি, আর এতদিন শুধু জানাতেন যে মোটামুটি অগ্রগতি হচ্ছে। একদিন দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করে কিন্তু আমি রাজি হইনা। কিন্তু মা ভয়ানক জেদি ছিলেন তাই যথাসাধ্য চেষ্টা করলেন কিন্তু রাজি হলাম না। আমার অলক্ষ্যে রুম এ ক্যামেরা রেখে দিছিলো। সেইদিন উনার সাথে আবারো মিলিত হলাম, মা ভিডিওতে দেখে দেখে খুশি হলেন আর রাগ ও করলেন। 

রাগ এর কারণটা হচ্ছে মা বুঝে ফেলছিলেন যে এইসব চলতে চলতে আমার আর উনার মধ্যে একটা ভালোবাসা জন্ম নিয়ে ফেলছে। কারণ প্রথমদিন যখন ছিল তখন শুধু সাধারণভাবেই করছিলাম যেভাবে আমাকে গাইড করা হয়েছিল। কিন্তু ভিডিওতে দেখে যে উনার সাথে অনেক ভালোবাসা আদান প্রদান হচ্ছিলো, যেমন চুমু খাওয়া , দীর্ঘসময় ফোরপ্লে, ঠোঁটে চুমু দেওয়া এবং সারা শরীরে আদর করা যেটা আসলে স্ত্রীর সাথে করা যায়। এবং করা শেষে ও উনাকে আমার উপরে নিয়ে বা আমি উনার উপরে শুয়ে ও আদর করতাম। আমি যেহেতু জানতাম না মা জেনে ফেলেছে সবকিছু তাই পরেরদিন ও সেভাবেই ভালোবাসার সাথেই করছিলাম সবকিছু আর করা শেষে উনাকে আমার উপরে শুইয়ে এক হাত দিয়ে বুকের সাথে চেপে রাখতাম উনার শরীর আর উনার নগ্ন শরীরে হাত বুলাচ্ছিলাম। অর্থাৎ ঘাড়, পিঠ, শরীরের দুই সাইড, বগল, নিতম্ব, এমনকি নিতম্ব ক্রস করে ভ্যাজাইনা তেও।

রতিক্রিয়া আমি অনেক সময় নিয়ে করতে পারতাম, তাও ভালোভাবে, এজন্য উনার ও বীর্যপাত হয়ে যেত। এগুলো হয়ে গেলে উনার প্রস্রাবনালী থেকে পানি বের হতো অনেকটা আর বেশ ক্লান্ত শরীরে উনিও আমার উপরেই শুয়ে পড়তেন আর আমি উপরে যা যা বললাম সেগুলো করতে থাকতাম। এই সবকিছু ক্যামেরায় রেকর্ড হয়ে যায়। তাছাড়া বাবা-মা কেউ বাড়িতে না থাকলে সেসব সময়ে উনি রতিক্রিয়া শেষে ক্লান্ত হয়ে আমার উপরে ঘুমিয়ে পড়তেন। 

লকতলা আটকে রাখতাম, মা হুট করে একদিন চাবি দিয়ে খুলে রুমে ঢুকে পড়লো আর ওই অবস্থায় দেখে প্রচন্ড রাগ করলো। একচুয়ালি আগে থেকে জানতো বিধায় ওভাবে এন্ট্রি নিয়েছিল। মায়ের প্ল্যান করা কাজ, তবে এমনভাবে রিএক্ট করলেন যেন আচমকা ই ঘটলো ব্যাপারটা। উনাকে আমার উপর থেকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। বলে যে মা* তোকে চিকিৎসা এর জন্য এইসব করতে বলছিলাম,ওকে তোর ভা*তার বানানোর জন্য বলিনি। ঘর মোছার যেই স্টিক সেটা দিয়ে মা উনাকে মারতে লাগলে আমি উনাকে জড়িয়ে ধরে বাঁচানোর চেষ্টা করতে যেয়ে নিজেও কয়টা বাড়ি খেলাম।মা স্টিকটা রাগ করে ফেলে দিয়ে আমাকে টেনে নিয়ে প্রায় গায়ের জোরে থাপ্পড় দিলেন, কয়টা গালি দিয়ে আবারো থাপ্পড় দিলেন একই গালে। এবার উনি মায়ের কাছে অনুরধ করে আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে উনাকেও এক থাপ্পড় দিলেন আর বললেন আমার ছেলেকে আমি মারলে তোর জ্বলে ক্যান? এটাকি তোর স্বামী নাকি? একজনকে মারলে আরেকজনের জ্বলতেছে ক্যান তোদের ?আমাকে বললেন যে এটা আমাদের বাড়ির কাজের মা*,তোর বৌ না। 

ব্যাপারটা মা এর সহ্য হয়নি। উনি সেই আপুকে গ্রামে পাঠিয়ে দ্রুত আবারো বিয়ে করাতে এবং আমাকেও ইমিডিয়েট বিয়ে করিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগলেন।যদিও আমার বয়স ও কম ছিল তখন । এবার বাবার কানেও গেলো সবকিছু, বাবা এই কাজের জন্য মায়ের উপর প্রচন্ড রাগ করেছিলেন, এবং জীবনে ওই প্রথমবার নাকি মায়ের গায়ে হাত তুলছিলেন। বাড়িতে অনেক বললাম কান্নাকাটিও করলাম কিন্তু কিছুতেই মন গললো না কারোর। 

এবার সিদ্ধান্ত নিলো যে উনাকে উনার গ্রামে রেখে আসবে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে আর বিয়ের আয়োজন ও গহনা দেওয়ার খরচ ও আলাদা দিবে, এমনকি উনার বোনদের ও। আমি উনাকে বললাম যে চলো আমরা ২ জনে কোথাও চলে যাই, এছাড়া তো উপায় নাই আর। উনি কান্না করতে করতে বললেন এটা হবেনা আর। তুমি একমাত্র সন্তান উনাদের, উনাদের মনে কষ্ট দিওনা।কোথায় আমি আর কোথায় তুমি। আকাশ পাতাল ব্যাবধান আমাদের, আমরা এক হতে পারি না কোনোভাবেই। সেইদিন ২ জন ২ জনকে ধরে অনেক কান্না করছিলাম আর মাফ চেয়ে নিলাম যে অনেক পাপ করে ফেলছি আমরা। 

সেইদিন উনাকে সাথে নিয়ে শেষবারের মতো বাবা-মা এর কাছে যেয়ে অনেক ভাবে বুঝলাম, উনি চুপ ই ছিলেন আর কান্না করছিলেন শুধু।হয়তো পজিশন এর কারণে চুপ ছিলেন, জোর দিয়ে বলার মতো উনার পজিশন ছিল না মা তো বলছেই যে সে শুধু কাজের মেয়ে, এর বেশি কিছু না । তাই শুধু আমি ই অনুরোধ করতে থাকলাম। যেহেতু তারা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত ছিলেন আশা করছি মনের ব্যাপারটা বুঝবে। 

মন একটু নরম হলো, ফ্লোর থেকে আমাকে আর উনাকে উঠিয়ে নিজেদের মাঝখানে বসালেন। বাবা আমাকে বলা শুরু করলেন যে ও তোর থেকে প্রায় ৩ বছরের বড় তাছাড়া আমাদের পরিবার অনেক সম্ভ্রান্ত পরিবার। এমন কিছু যদি করিস আমরা মুখ দেখতে পারবো না কোথাও। তোর মা অনেক বড় একটা পাপ করে ফেলছে এজন্য আজ এই অবস্থা। যেটা ভালোবাসা ভাবছিস যেটা আসলে মোহ, আর কিছুই না।২ শরীর এক হয়েছিল এজন্য এই মোহ এসে গেছে। 

মা উনাকে বললেন যে দেখ মা আমার ছেলেটা ছোট, ওর একটা চিকিৎসা এর উদ্দেশে আমি এতবড়ো অন্যায় করে ফেলছি। তুই ও জানিস আমার আসল উদ্দেশ্য কি ছিল। নইলে কোনো মা কি তার ছেলেকে এমন কাজ এ লিপ্ত করায় ?উল্টা ছেলের এমন দোষ ধরা পড়লে উল্টো শাসন করে, বিয়ে দিয়ে দেয় তাড়াতাড়ি। ওর পুরো ভবিষ্যত পড়ে আছে সামনে, তুই ও তো ওকে অনেক ভালোবাসিস, ওর খারাপ তুই ও চাইবি না। মা বাবা ও উনার কাছে ক্ষমা চাইলো, বিশেষ করে মা তার কৃতকর্মের জন্য মাফ চাইলো অনেক। 

এধরণের আরো অনেক কিছু বললেন আমাদের। সেইদিন শুধু অনুরোধ করলাম যে একটা রাত কি সাথে থাকতে দিবা আমাকে? আমি কিছু করবো না, শুধু একটু সাথে থাকবো আর কিছুনা। কিছু একটু ভেবে তারপরে মত দিয়ে দিলেন। 

সেই রাত মনে হলো খুব তাড়াতাড়ি কেটে গেলো,কখনো বুকের উপরে নিয়ে শুয়েছি, কখনো বিছানা থেকে উঠে হেলান দিয়ে পাশে নিয়ে বা মাঝখানে নিয়ে বসছি আর একটু আধটু কথা বলছি। রাত্রে নিঃশব্দে চোখের পানি পড়ছে অনেক ২জনেরই। তবে ২ জন তো শারীরিক ভাবে ফিট, এভাবে থাকতে যেয়েও উনি দেখে যে আমার দন্ড হার্ড হয়ে গেছে। উনি বললেন করবা আবার? আর তো করা হবেনা কোনোদিন। বললাম যে না করার প্রমিস করেছি যে, উনি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন এভাবে রাখতে তো তোমার সমস্যা হবে। আমি হাত দিয়ে দেখি নামাতে পারি কি না। উনি হাত দিয়ে মাস্টার*বেট করার মত শুরু করলেন তখন বললাম যে থামো। এরপরে বললাম কথা দিছি কিন্তু রাখতে পারবো না আমি। তবে তোমার ইচ্ছা না থাকলে থাক। উনি বললেন আমি বেশিরভাগ সময় ই তো নিজে নিজের সালোয়ার কামিজ তো খুলিনা। আমি সংকেত পেয়ে গেলাম তারপরে যা ঘটার তাই ই ঘটলো তবে সেইদিন করার সময় উনাকে নিচে শুইয়ে রেখে হয়তো শতাধিক চুমু খেয়েছি। উনার ও হয়ে গেলো, এইটা হলেই মূলত উনি খুব একটা শারীরিক তৃপ্তি পেতেন আর একটু দুর্বল হয়ে যেতেন সাময়িক। আমার হয়ে গেলে উনার উপরে শুয়ে পড়লাম আর বললাম চলো আমরা গোপনে এখন পালিয়ে যাই। উনি আমার কানের কাছে চুমু দিয়ে ফিসফিসিয়ে আধো আধো টাইপ কণ্ঠে বললেন সম্ভব হবেনা এইটা কখনোই। হলে আমি আগেই রাজি হতাম। জিজ্ঞাস করলাম যে আমরা কি কখনো কেউ কাউকে ভুলতে পারবো ? উনি বললেন মানুষ কিছুই ভোলেনা, আমিও আমার ওই জালিম স্বামীকে ভুলতে পারিনি। তোমার ভালোবাসা আমি পেয়েছি অনেক কিন্তু তাকে ভুলিনি, অমন জালিমকে যদি ভুলতে না পারি এই ভালোবাসা কিভাবে ভুলবো? এরপরে আমি উঠলাম আর উনাকে নিয়ে বাথরুমে গেলাম। একজন আরেকজনকে পরিষ্কার করে দিলাম বরাবরের মতো। আমিও উনার জায়গাটা মগে পানি উঠিয়ে ঢেলে ঢেলে খুব যত্নের সাথে পরিষ্কার করে দিতাম সবসময়। পরে ২ জন আর শরীর মুছে শুয়ে পড়লাম। ঘুম আর হলোনা, কথা বলেই কাটালাম। 

পরেরদিন সকালে উনাকে বাবা মা নিজে রেখে আসতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়, এবং শর্ত থাকে যে এতদিনের কোনো কিছু কাউকে জানানো যাবেনা। এতে তাদের ও ক্ষতি, তার ও এমনকি আমার ও। উনি আমাকে আসলেই ভালোবাসতেন তাই বললেন আমি এমনিও কি কাউকে বলতাম? আর এসব নাও বলার মতো কোনো বিষয়। 

জানতে চাইলেন যে রাত্রে আমরা কিছু করছি কি না? মাথা নিচু করে থাকলাম, মা কাছে দুজনের মুখ উঠিয়ে বললো তোরা কেউ কাউকে ভালোবাসিস না। তোরা শুধু শরীরের প্রেমে পড়ে গেছিস। ভালোবাসা জিনিষটা কি সেটা তো বুঝিস না তোরা, যেটা পেয়েছিস এটাকেই ভালোবাসা ভাবছিস। তোরা কি ভাবছিস যে আমরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছি সারা রাত? তোদের রুমের কাছেও আসিনি, নিজেদের রুমেই ছিলাম। কিন্তু ঘুম আর হয়নি, নিজের এই পাপ আর কিভাবে প্রাশ্চিত্ত করবো এসব ভাবতে ভাবতে রাত কেটে গেছে। 

তোদের এক রাত থাকতে দিলেও তোরা নিজেদের আটকাতে পারলি না কথা দেওয়া সত্ত্বেও। তোরা শুধু শরীরের আর এই কাজটার প্রেমে পড়ছিস এর বেশি কিছু না। কেউ কাউকে ভালোবাসিস না তোরা। 

একজন আরেকজন এর শুভাকাঙ্খী হিসেবে শেষ বিদায় নিয়ে নে, আমরা বের হচ্ছি। এবার উনাকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু খেয়ে বললাম ভালো থেকো, পারলে আমাকে আর মা কে ক্ষমা করে দিও। অনেক অন্যায় হয়ে গেছে। উনি বললেন কপালটা নিচু করো একটু, এরপরে উনিও চুমু খেলো আমাকে। হাত এ চুমু খেলো আর বললো কোনো অন্যায় হয়নি আর যদি অন্যায় হয় এই ব্যাপারে আমরা সবাই সমান অপরাধী।অন্যায় তো আমিও করছি, তুমি সুস্থ হলেই খালাম্মাকে জানাতে পারতাম কিন্তু সুখের সাগরে ভাসছিলাম তাই গোপন করে গেছি অনেক লম্বা একটা সময় ধরে। ভালো থেকো আর খালাম্মা-খালুজান কে দেখে রাইখো। ফুটফুটে একটা বৌ আইনো কিন্তু, আমিও বিয়ে করে নিবো আবার আমাকে নিয়ে চিন্তা করো না। এরপরে ওকে নিয়ে বাইরে গেলাম এমনভাবে যাতে ড্রাইভার কিছু না বুঝতে পারে।

এরপরের থেকে আর যোগাযোগ হয়নি, আমাকেও আর কিছু বলা হয়নি শুধু শুনছি উনাকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি এখনো করিনি বিয়ে, বাবা মা চেষ্টা করছে অনেক কিন্তু আমি একটা ভয়াবহ পাপবোধের ভিতরে চলে গেছি। প্রতিনিয়ত একটা আফসোস হয়, এজন্য আমি কারো সাথে নিজেকে জড়াতে পারিনি আর। মা ও আফসোস করে যে উনি আসলেই অনেক অপরাধ করে ফেলছেন। সুস্থ আর সক্ষম তো হলাম কিন্তু পাপবোধ থেকে বের হতে পারলাম না, কারোর স্বামী ও হতে পারলাম না। আসলেই পাপ কাউকে ছাড়ে না।বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমার শরীরে এক নারীর গন্ধ আছে। অন্য কাউকে আর ঠকাতে চাই না আমি।

Post a Comment

0 Comments