ফুপি ধরে দেখতে ছিল কিন্তু আমি বুঝছিলাম যে এখন আস্তে আস্তে সাইজে বাড়বে তাই বললাম ছাড়ো, এবার প্যান্ট পরে নেই। কিন্তু ফুপি আরেকটু পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন তাই ছাড়লো না আর জিনিস আস্তে আস্তে শক্ত হতে শুরু করলো। এবার অনুরোধ করলেও ছাড়লো না, তারপরে যা হবার তাই ই হলো। জিনিসের ওই বয়সের পূর্ণরূপ দৃশ্যমান হলো। ফুপি একদম নরমালভাবে ব্যাপারটা নিলেন আর বললেন এইজন্য তাড়াহুড়ো করছিলি? শোন এইটা একদম নরমাল, এই নিয়ে লজ্জা পেতে হবেনা। এরপরে দেখা শেষে বললো যে মুসলমানি আবারো করতে হবে। কোনো উপায় নেই আর। বললেন তোর মামাকে জানাতেই হবে নইলে হবেনা। আমি সর্বোচ্চ যেটা করতে পারি তোর বোনকে কয়েকদিনের জন্য ওর নানা বা দাদা বাড়িতে পাঠায় দিবো কোনো ছুটির সময় আর ওই সময় করবো যাতে না জানতে পারে কিন্তু তোর মামার থেকে লুকানো যাবেনা। আর মনে হয় তোর মা বাবাকেও জানিয়ে রাখলে ভালো হয়। প্যারেন্টস এর কথা শুনে বললাম যে করা লাগবেনা আমার, যা আছে এমন থাক। উনি বললেন রাগ করিস না, আচ্ছা ওদেরকে জানাবো না শুধু আমাদের মধ্যেই থাকবে। বোনের অলক্ষে জানানো হলো মামাকে আর তাকেও দেখানো হলো যে কি অবস্থা এখন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যে সামনের গ্রীষ্মের ছুটিতে বোনকে গ্রামের বাড়িতে ছুটি কাটাতে পাঠাবে আর ওই সময় অন্য এলাকা থেকে হাজাম ডেকে করা হবে বা হসপিটালে বা অন্য এলাকায় যেয়ে সেখানে হাজাম দিয়ে। পরে সিদ্ধান্ত হলো যে হাজাম দিয়ে আর করা হবেনা, ডাক্তার ডেকে করবে।
ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলো, আর কাজিনকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো বাড়িতে। যথারীতি ভয় পেলেও প্রকাশ করিনি আমি। খাৎনার দিন যখন ডাক্তার আসে তখন সব আবারো শুনে, যদিও আগেই শুনেছিলো। এবার আমাকে ফুপি লুঙ্গি পরিয়ে রেডি করে আনে। বেড এ আধশোয়াভাবে ফুপির কোলে শুই, মামা পাশে ছিল। ডাক্তার লুঙ্গি মজা পর্যন্ত ঘুচিয়ে নেয়। কাজ শুরু করলে ফুপি আমার চোখের উপরে হাত দিয়ে রাখে। উনি কিছু নাড়াচাড়া করতে করতেই জিনিস শক্ত হয়ে যায়, উত্তেজিত অবস্থায় একবার মাপ নিয়ে মার্কার দিয়ে দাগালো। পরে কিছুটা শিথিল হলে অবস করার ইনজেকশন বেশ কয়েকটা দিয়ে কিছু একটা জেলির মতো মাখায় সম্পূর্ণ জায়গা নিয়ে। এবার নাড়াচাড়া করলেও আর দাঁড়ায়নি। ফুপিকে হাত ছাড়তে বললাম, ফুপি বললো এইসব দেখতে নেই সোনা। তুই চুপচাপ এভাবে থাক কাজ হয়ে গেলে দেখিস। ছোটবেলায় ও যেমন করানোর সময় দেখলেও বুঝার আগেই শেষ আর এবার দেখতেই দিলোনা। এবার ও কিছু বুঝতে পারলাম না যে কি কি করতেছিলো তবে কেমন একটু ঝিম লাগছিলো চোখে। অল্প ব্যাথা পাচ্ছিলাম তবে ধরার মতো না। আরো অনেক সময় লাগলো তারপরে ফুপি চোখ ছাড়লো। ততক্ষনে দেখি কাজ শেষ আর ব্যান্ডেজ করা। খৎনা এর পরের কাজকাম আর ওষুধের ব্যাপারে বলে দিয়ে বিদায় নিলো। এরপরে ওষুধের প্রভাবেই সম্ভবত ঘুম ঘুম ভাব আরো বেড়ে গেছিলো তাই ঘুমিয়ে পড়লাম সেই খাটেই। ফুপি আমাকে সেইদিন চামড়াটা দেখায়ে বললো যে এই তোর ঝামেলার জিনিস। এমন জিনিস আগেও একবার ফেলা লাগলো, এখন আবারো কাটা লাগলো। এরপরে ভবিষ্যতে যদি আবারো কাটা লাগে তখন বৌয়ের তত্ত্বাবধায়নে করতে হবে এই বলে হাসলেন একটু।
৪ দিনের মাথায় ব্যান্ডেজ খুললে দেখলাম যে ভিতরে সেলাই করা। জিজ্ঞাসা করলে জানলাম যে আগের ঘটনার জন্যে এবার সেলাই করছে। তাছাড়া চামড়া বেশি মোটা এজন্য সেলাই না করে খাৎনা করলে রিস্ক হয়ে যেত। বললাম তুমি তো দেখতে দিলা না আমাকে, দেখতে পেলে ভালো হতো। ফুপি বললো অনেক ভয় পেতি দেখলে। ছোটবেলায় করলাম তখন কিছু হয়নি, কিন্তু এবার রক্ত বের হয়েছে অনেক। আগেই একটা পাত্র রাখছিলো সেটায় প্রায় ছোট এক বাটি এর মতো রক্ত পড়ছিলো। আমি তো দূর, তোর মামাও ঘাবড়ে গেছিলো। আর সেলাই করার সময় মনে হয় তুলো দিয়ে যতবার রক্ত মুছছে তা তুলা থেকে চিপড়ালে আরো ১-২ চামচ হবে। কান্না এসে গেছিলো আমার এসব দেখতে দেখতে। এরপরে সুস্থ হতে সময় লাগলো প্রায় ১০-১১ দিন তারপরে কাজিনকে ফেরত আনা হয়। তখন জানতো না কিছুই।
মামা গতবছর মারা গেছে, তার আগে অসুস্থ ছিল
অনেকদিন। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ফুপিকে আগলে রাখছি যতটা পারি ততটা দিয়ে। মা
বাবার সাথে এখন মাসে ১ বা ২ বার কথা হয়। তারা তাদের দ্বিতীয় সংসার আর
বাচ্চাদের নিয়ে সুখে আছে। হয়তো তারা আমাকে চায়নি, সম্ভবত এক্সিডেন্টলি
হয়েছি তাদের বিনোদন এর কারণে। আগে নিজে থেকে যোগাযোগ করলেও এখন আর করিনা
আমি। আমিতো তাদের সেই অতীত যা তারা ফেলে আসতে চায়, আমার সাথে কথা বললে সেসব
মনে পড়বে। এর থেকে ভালো আমি যোগাযোগ আর না করি, তাদের মনে পড়লে তখন ই কল
করে টুকটাক কথা বলে। আগে খুব খারাপ লাগতো এসব ভেবে এখন আর লাগেনা। মনে হয়
আমিও মন থেকে তাদের বের করে দিয়েছি।
0 Comments