একটি অন্যরকম খাৎনা করার গল্প - পর্ব ১

আমার মা বাবা খুব ক্যারিয়ারিস্ট ধরণের মানুষ। ভার্সিটি লাইফে প্রেম করে ফ্যামিলিকে মানিয়ে বিয়ে করে। আর মজার ব্যাপার হলো আমার ফুপি আর আমার মামা ও আত্মীয় হবার সুবাদে কথা বার্তা বলতে বলতে প্রেমে পড়ে যায় এবং বিয়ে করে। 

আমার প্যারেন্টস থার্ড ইয়ারে থাকতে আমি হই, সঠিক জানিনা খুশি হইছিলো কি না তবে তাদের আদর ভালোবাসা তেমন বেশি পাইনি আমি। আমি হওয়ার আগে থেকে তাদের মধ্যে সম্পর্ক নাকি খারাপ হওয়া শুরু করছিলো।  ২ জন ২ দেশে যাওয়ার সুযোগ পায় স্টাডি শেষে, এখন যেকোনো একজনকে স্যাক্রিফাইস করার প্রশ্ন আনা হলে কেউ ই রাজি হয়না। 

অবশেষে স্যাক্রিফাইস করা হলো, তাদের ভালোবাসার সম্পর্ক আর সেই সম্পর্কের কারণে হওয়া বাচ্চাটা। ডিভোর্স শেষে কেউ ই আমার দায়িত্ব নিতে রাজি না, অগত্যা আমার ফুপি আর মামা রেখে দেন আমাকে। কিছু কষ্টের কথা বলেই ফেললাম তাই ঘটনা বড় হয়ে গেলো। 

ফুপির সংসারে ছোট থেকেই তার সন্তান এর মতোই থাকলাম, একদম ২ বছর বয়স তখন থেকেই। ফুপির কাছে থাকাকালীন ৩.৫ বছর বয়সে মুসলমানি করানো হয়েছিল আমাকে। সেভাবে মনে আসছেনা, তবে মামা পিছনে বসেছিল আর আমাকে ধরে রাখছিলো। মোটামুটি ভালোই ব্যাথা পেয়েছিলাম, ছোট মানুষ তাই চোখ ঢাকেনি আর আমিও সেভাবে বুঝে উঠতে পারিনি যে কি চলছে। না বোঝার আগেই কাজ শেষ আর কি। খাৎনা যেহেতু করানো শেষ তাই এই বিষয়টাও এখানেই শেষ। 

মা বাবার সাথে মাঝে মধ্যে ফোনে যোগাযোগ হতো শুধু, শুধু ফর্মালিটি বলা চলে আর কি। 

যখন ফাইভে পড়ি তখন থেকে দেখছিলাম নুনুতে একটা পরিবর্তন হচ্ছে, সেভাবে পাত্তা দেইনি এইটা। কারণ লেখাপড়ার চাপ ছিল অনেক, ক্লাস ফাইভে স্কুলে ক্লাস, বৃত্তি কোচিং, প্রথম সাময়িক, দ্বিতীয় সাময়িক, কিন্ডারগার্টেন এর ফাইনাল পরীক্ষা, ২টা মডেল টেস্ট,সমাপনী পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষা, কিন্ডারগার্টেন বৃত্তি পরীক্ষা এইসব মিলিয়ে বেশ ব্যাস্ত ছিলাম পুরো সময়টা। তার উপর এইসব শেষে জেলা স্কুলে ঢোকার প্রস্তুতি তো ছিলোই। এইগুলো সব শেষ হলো ভালোভাবেই, সিক্সে পড়ার সময় থেকে দেখি পেনিসের পরিবর্তন আরো বেশি হয়েছে এবং মুসলমানি না করা নুনুর মতো হয়ে গেছে কিছুটা। মানে পুরো না তবে প্রায় অমন, না কাটা নুনুর চামড়া যেমন অনেক থাকে আমার অত না। গ্লান্স ঢেকে গেছিলো আর গ্ল্যান্সের মাথা অল্প একটু বেরিয়ে থাকতো, যেখানে পুরো গ্লান্স বের হয়ে থাকার কথা। ততদিনে জানতামনা যে এইটা প্রস্রাব করা ছাড়া আরো কোনো কাজে লাগে তাই ভাবছি যা হইছে হোক। কিন্তু বন্ধুদের কারণে মোটামুটি জানতে পারলাম আস্তে আস্তে অনেক কিছু, এমনকি ব্লুফিল্মের ডিস্ক ধার দিয়েছিলো সেটা থেকেও দেখছি গোপনে। বুঝতে পারলাম যে এইটা আরো অনেক কাজের জিনিস এবং এমন হলে আসলেও সমস্যা আছে। বাড়িতে কিভাবে জানাবো বুঝতে পারছিলাম না, ব্যাপারটায় খুব লজ্জা কাজ করছিলো। একবার ভাবলাম যে মা কে জানাবো, তাহলে তুর্কি তে যেয়ে যদি করা যায় তার কাছে তাহলে কেউ জানবে না। কারণ এই বয়সে আবার করা লাগলে সেটা কেমন লজ্জার ব্যাপার হবে মানুষ জানলে। পরে ভাবলাম যে মা বাবাকে কিছুই বলবো না, ফুপিকেই বলবো শুধু আর মামা ও ফুপাতো বোনকে জানাতে নিষেধ করবো। সাহস করে বলতে সময় লাগিয়ে ফেললাম বেশি কিন্তু বলতে পারলাম। ফুপি দেখতে চাইলো অবস্থা কিন্তু আমি দেখাতে রাজি না। ফুপি জোর করলো যে না দেখালে বুঝবো কিভাবে। বেশ জোর করার পরে অবশেষে থ্রি কোয়ার্টারটা নামাতে বাধ্য হলাম।

Post a Comment

0 Comments