ডাবল খাৎনা

মুসলমানি করার আগে আপু আমাকে মাঝেমধ্যে বেশ ভয় দেখাতো, তাও একদম ছোট থেকেই। এই যেমন কেচি দিয়ে কোনো কাজ করছে, আমি কাছে গেলে কেটে দেওয়ার ভয় দেওয়া। নখ কাটার সময় ব্লেড দিয়ে ভয় দেখানো, বটি দিয়েও। এমন না যে সব সময় দেখাতো। আমি কখনো দুষ্টামি করলে বা ওর যদি দুষ্টামির করার মুড হতো তখন ই শুধু। 

এভাবে ইয়ার্কি তামাশা চলছিল, কিন্তু সমস্যা বাধলো যখন হটাৎ করে পেশাবের রাস্তায় সমস্যা দেখা দিলো আমার। প্রথমদিকে কাউকে না বললেও পরে বোনকে জানালাম। ও ব্যাপারটা প্রথমে সিরিয়াস ভাবে নেয়নি একটুও, উল্টো মজা করে বললো নুনু কেটে ফেললেই ঝামেলা শেষ। না নুনু থাকবে, না হিসু করা লাগবে। আমি আর কিছু বললাম না। পরেরদিন সমস্যা আরো অনেক বেড়ে গেলো, আবারো আপুকে বললাম। কিন্তু এবারো সিরিয়াসলি নিলো না, তবে কোনো ফান ও করেনি। পড়ায় ব্যাস্ত ছিল। কিন্তু আমি এবার কান্না করে ফেললাম, তখন বুঝলো যে আসলেই কোনো সমস্যা হচ্ছে আমার। এবার নিজে আমাকে নিয়ে টয়লেটে যেয়ে ওর সামনে পেশাব করতে বললো। করার চেষ্টা করলে মাথার সামনের দিকটা ফুলে গেলো তারপরে সিরিঞ্জে পানি ফেলার মতো করে বের হচ্ছিলো। এবার ও আমাকে প্যান্ট পুরো খুলতে বলে সাবান দিয়ে মাথার দিকটা জোরে জোরে ঘষতে লাগলো আর মাথার দিকটা উঁচু করে, উঁচু থেকে পানি ঢেলে ধুয়ে দিলো। এবার আগের থেকে তুলনামূলক একটু আরামে পেশাব করতে পারলাম। এরপরে ও ইমিডিয়েটলি আব্বু আম্মু কে জানালো, আমাদের একজন পরিচিত ডাক্তার ছিল তাকে কল করে জানানো হলো সব। লোকটা বললো যে পরেরদিন নিয়ে আসতে, আর আসলে মুসলমানি করে দেওয়ার কথা ও বলছিলো কিন্তু আমাকে সেটা জানানো হয়নি। শুধু বলা হইছিলো যে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে কালকে। 

এই পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু সকালে বড় সমস্যা অপেক্ষা করছিলো। আমাদের বাসার এরিয়া থেকে ক্লিনিক বেশ দূরে, নদী পারাপারের ব্যাপার ছিল। এই কয়দিন তাও পেশাব করা যাচ্ছিলো কষ্ট করে হলেও। কিন্তু ঐদিন সকালে একদমই বন্ধ, পুরোপুরি ই বন্ধ। কিন্তু সকালে পেশাব না করতে পাড়ার জন্য পেনিস ও জ্বলছিল, পুরো শরীরে অস্বস্তি কাজ করছিলো। এমনকি মাথায় একটু কেমন লাগছিলো। এই সবকিছু আব্বু সেই ডাক্তারকে ফোন করে জানায়। যে এই অবস্থায় অন্য কিভাবে ? অনেক চেষ্টা করেও করানো যাচ্ছে না। এবার ডাক্তার বেশ ভয়ের একটা কাজের জন্য বলে যেটা শুনে আব্বুও শকড হয়ে যায়। আমার আপুকে আর আম্মুকে আলাদা করে আস্তে আস্তে কথাগুলো বলে যা আমি শুনতে পাইনি। শুধু আম্মু বললো আমি পারবো না, কিছুতেই পারবো না। আপুকে বললে সে বললো যে চেষ্টা করে দেখতে পারি। আব্বু বললো তেমন বেশি না শুধু সামনের দিকের একটু ছাড়াতে হবে। আম্মু কান্না করতে শুরু করছিলো আমার কান্না দেখে। আপু ওর বায়লোজি বক্স নিয়ে আসলো, আম্মু বের হয়ে গেলো বাথরুম থেকে। আপু আমাকে বললো যে একটু চুপ থেকে কষ্ট সহ্য করবি? বেশি না অল্প ই, তাহলে ঠিক হয়ে যাবে। আমি শায় দিয়ে দিলাম। নুনুর আগা অল্প একটু টেনে নিয়ে নিলো। আব্বুকে বললো যে একটু চেক করতে। আব্বু সেই অবস্থায় ধরে একটু নাড়াচাড়া করে বললো মনে হয় ঠিক আছে। আমাকে তাকাতে নিষেধ করলো আর ওই অবস্থায় ব্লেড দিয়ে সামনে থেকে সামান্য একটু চামড়া কেটে ফেললো। ব্যাথা একটু পেলাম, তেমন রক্ত আসেনি। আপু বললো এবার হিসু কর তো। এবার একদম আরামে পেশাব করতে পারছিলাম তবে করার সময় নুনুর মাথার জ্বলছিল। আব্বু আম্মুকে ডাকলো, আম্মু এসেও দেখে যে এখন করতে পারছি। একটু স্যাভলন ক্রিম দিয়ে মাথাটা বেঁধে দিলো পেশাব করা শেষে এবং আব্বু আম্মু যতদ্রুত সম্ভব আমাকে নিয়ে রওনা দিলো। মৃদু একটা জ্বালাপোড়া ছিল পুরোটা সময়, এরপরে সেখানে যেয়ে ঠিকভাবে চামড়া কেটে যেভাবে মুসলমানি করতে হয় সেটা করানো হলো আমাকে। মুসলমানির পরের যত্ন আর কিভাবে কি করতে হবে সব বুঝিয়ে দিলো সেই সাথে মেডিসিন ও। এরপরে বাড়িতে যাওয়া হলো, যাওয়ার পর পর আপু চেক করে দেখলো যে কি অবস্থা এখন। কয়েকদিন সবাই বেশ যত্নে রাখলো। ব্যান্ডেজ খোলার পরে আম্মু আপু ২ জন ই ড্রেসিং করে দিতো খুব মৃদুভাবে। এভাবেই আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে গেলাম।

Post a Comment

0 Comments