আজকে আমি আমার খাৎনার গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আমার গল্পটা খুবই সাধারণ, আমরা সম্ভ্রান্ত আলেম পরিবারের মানুষ। একদম দাদার সময় থেকেই, আমাদের বাড়ির মহিলা বা যুবতী হওয়া মেয়েরা পর পুরুষ এর সামনে কখনো যেতেন না। এলাকায় বেশ সুনাম ও আছে এখনো।
আমাদের বাড়ির কোনো ছেলেদের খাৎনার কাজ করা হলে খুব গোপনে করে ফেলা হতো। যেইদিন আমার করার সময় হয়েছিল আগে থেকে আম্মু বুঝিয়েছিল আর মানসিক সাপোর্ট ও দিয়েছিলো। খাৎনার বেশ কিছুদিন আগে একদিন রুমের দরজা আটকিয়ে নিয়ে প্রাক্টিক্যালি বুঝিয়ে বলতেছিলেন। যে এইটা ধর্মের বিধান, আরো অনেক কিছু। মানে এইটা করার জন্য যে ধর্মে কিভাবে রিকমেন্ড করা এইসব আর কি।
নুনুর সামনে চামড়াটুকু দেখিয়ে বললো যে এই ত্বকটুকু ফেলে দিয়ে চামড়া মুড়ে দিলেই হয়ে যাবে। কয়েকদিন এ ই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার বড় ভাই এর ব্যাপারটাও বললো যে তার ও হয়েছে অনেক আগে, এগুলা একদম সাধারণ কাজ। তবে আম্মু হয়তো একটু চালাকির চেষ্টা করছিলো, আমি জিজ্ঞাসা করে ফেললাম যে এই ত্বকটা ফেলবে কিভাবে। আম্মু বললো নখ কাটার মতো, ব্লেড দিয়ে নখ কাটলে কি ব্যাথা পাও ? আমি মাথা নাড়ালাম, আম্মু বললো এইটাও ঠিক অমন। এইটা অনেকটা নখ এর মতো, এখানে ব্লেড দিয়ে একটুখানি কেটে দিলে তেমন কোনো কষ্ট হয়না। ব্লেড দিয়ে কাটবে শুনে খুব ভয় পাচ্ছিলাম যতই নখ এর উদহারণ দিক না কেন। বললাম যে আম্মু এইটাতো নখ না, ব্লেড দিয়ে কাটলে রক্ত বের হবে আর ব্যাথাও করবে।
আম্মু এবার নুনু ফুটিয়ে আর না ফুটিয়ে আঙ্গুল দিয়ে চামড়াটা আলগা করে দেখালো যে এইটা আসলেই চুল নখ এর মতো। যে এই দেখো এইটা নুনুর সাথে লাগানো না, এইটা অতিরিক্ত অংশ তাই নুনুর সাথে এমনি ঝুলতেছে। আরো কিছুভাবে বললো তাই ব্যাপারটা নিয়ে আর ঘাটলাম না। ধরে নিলাম যে আসলেই আম্মু ঠিক বলছে।
খাৎনার দিন বাড়ির ছাদে নিয়ে গেলো। ছাদে শুধু আব্বু আম্মু দাদা দাদি ছিলেন, আর কেউ না। যেই হাজামকে ডাকা হয়েছিল সে মোটামুটি আমাদের বাড়ির অনেক বাচ্চার খাৎনা করছে, এমনকি আমার ভাইয়েরটা ও।
চোখ ধরাধরীর
মধ্যে কেউ গেলোনা, ইনজেকশন দেওয়া হলো দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই। এবার ৩-৪
মিনিটের ব্রেক দেওয়া হলো আর বললো প্রস্রাব ও করে আসার জন্য। আম্মু কোলে করে
আমাকে ছাদের থেকে বাড়ির ভিতরের দিকে রওনা দিলো। বাথরুমে যেয়ে প্রস্রাব এর
চেষ্টা করলেও হচ্ছিলোনা ভালোভাবে, কারণ ইনজেকশনের কারণে সামনের দিকের
ত্বকটা অনেক ফুলে ছিল। আম্মু আমাকে বসা থেকে উঠিয়ে চামড়া আরো বেশি ডলতে
লাগলেন যাতে ফোলাটা কমে। চামড়ার মাথার দিকটা দুই আঙ্গুল দিয়ে টেনে টেনে
যতটা পারেন সুবিধা করলেন আর সেই অবস্থায় প্রস্রাব করতে বললেন। এবার আর কষ্ট
হয়নি প্রস্রাব বের হতে। এরপরে সেখান থেকে আবার ছাদের উদ্দেশে যাওয়ার পালা,
আম্মু আবারো কোলে নিয়ে বললো যে ভয় করতেছে কি না ? আমি বললাম যে না আম্মু
ভয় করতেছে না। ছাদে আসার পরে এবার মুসলমানি করানোর কায়দায় বসানো হলো, হাজাম
এর চিমটা দিয়ে ধরা পর্যন্ত সব সামনেই করলো। এরপরে বললো যে উপরেরদিকে
তাকাতে। উপরে পরী ঘোড়া উড়ে যাচ্ছে, আমি উপরে পরীঘোড়া তো আর পেলাম না আর
নিচে কি হলো তাও বুঝলাম না। নিচে তাকিয়ে দেখি একটা কাপড় দিয়ে ধরে রাখছে।
এরপরে ফুটিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিলো আর বললো এই অবস্থায় রুমে নিয়ে জানলার
যেখানে আলো আসে সেখানে এই জায়গাটা দিয়ে শুয়ায়ে রাখতে। রাত্রে অনেক জ্বলছিল
সেদিন, খুব কষ্ট হইছিলো। এই দেখে আম্মুও কান্না শুরু, পরে আমি যতটা পারি
নিজেকে সাম্লালাম যে এখন জ্বলা কমে গেছে। কয়েকটা দিন একটু সমস্যার মধ্যে
দিয়েই গেলো। এরপরে ঘা শুকিয়ে গেলো আস্তে আস্তে আর সব ঠিকঠাক হয়ে গেলো।
0 Comments