নয় বছর বয়সে খাৎনা

আমার খাৎনা বেশ আগে থেকে করার কথা থাকলেও সময় সুযোগের অভাবে দেরি হয়ে যাচ্ছিলো। আমরা সরকারি কোয়ার্টারে থাকতাম। মাঝে মধ্যে আব্বুর বদলি, পরীক্ষা শেষে অনেক সময় ছুটির সময়টাতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হতো। আবার কোনো কোনো বার্ষিক পরীক্ষা শেষে জ্বর ও হতো। এভাবেই আস্তে আস্তে দেরি হয়ে যায় অনেকটা। কিন্তু এবার বাড়ির সবাই বেশ ভালোভাবে প্রস্তুত যে খাৎনা এবারের গ্রীষ্মের ছুটিতে করা হবেই। বলে রাখা ভালো আমার বড় ভাই আর বোন ছিল। 

তো একজন হাজামকে ঠিক করা হয় এই কাজের জন্য। ছুটি যেদিন শুরু হলো সেদিন বিকালেই করার কথা হলো। কারণ ছুটি ছিল মাত্র ১১ দিন। তো অনেক সময় ঘা শুকাতেই ৮-১০ দিন লেগে যায় তাই আর দেরি করেনি। তবে আমাকে জানানো হয়নি যে কবে করবে, শুধু বলা হয়েছিল যে করা হবে। সেদিন বৃহস্পতিবার ছিল, ক্লাস দ্রুত শেষ হয় তাই বাড়িতে এসে গোসল খাওয়াদাওয়া শেষে দুপুরে ঘুমিয়েছি। বিকালের দিকে আপা এসে ডাকলো। তখন আমার ঘুম ভাঙছে মাত্র। আপা আমাকে উঠিয়ে হাত মুখ ধোয়ার জন্য পাঠালো বাথরুমে। আমি ফ্রেস হয়ে বের হলাম তারপরে বললো ওই রুমে চল। যেয়ে দেখি হাজাম আসছে, এবং তখন জানলাম যে এখনই নাকি খাৎনা করবে। আমি শুনে অনেকটা চমকে গেলাম। কিন্তু তখন আর কিছু করার নাই, আমাকে একটা গামছা পরানো হলো। হাজাম একটা কাপড় পোড়াচ্ছিলো তখন ছাই বানানোর জন্য। এবার ভাইয়া আমাকে রেডি করলো খাৎনার জন্য। মানে যেভাবে বসায় সেভাবে। আব্বু আম্মু কাছেই ছিল। হাজাম নুনু নাড়াচাড়া করতে লাগলো, ফুটিয়ে চেক করলো নুনুর অবস্থা। এবার একটা কাঠির মাথায় ছাই মাখিয়ে নুনুতে ঢুকালো। ভাবছি ব্যাথা পাবো কিন্তু পাইনি। মাপ ঠিকভাবে নিয়ে একটা চিমটা লাগে দিলো আমাকে দেখতে নিষেধ করলো, আব্বু আম্মু আপা ও নিষেধ করলো কিন্তু আমি শুনতে চাইলাম না। এবার হাজাম একটা আধাভাঙ্গা নতুন ব্লেড বের করলো আর আস্তে করে চামড়াটুকু কেটে ফেললো চিমটার সমান সমান করে। দেখে একটু ভয় করলেও কোনো ব্যাথা করলো না। হাজাম যদিও কোনো অবশের ইনজেকশন দেয়নি কিন্তু ব্যাথা ও করেনি। চিমটা খুলে ফেলার সাথে সাথে মুন্ডি বেরিয়ে আসলো, একটুও রক্ত নেই। হাজাম তার ২ হাতের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে চামড়া উল্টিয়ে একটা ভাঁজ দিয়ে দিলো। নুনুটা তখন বেশ সুন্দর দেখাচ্ছিল আর আমার কোনো ব্যাথা ও করছিলো না। এবার হাজাম চাইএকটা কাপড়ে ছাই নিয়ে কাটার বরাবর বাধার জন্য ধরলো। এবার প্রচন্ড মাত্রায় জ্বলা শুরু হলো, কাপড়ে যেহেতু ছাই নিচের দিকে ছিল শুধু তাই বাড়িতে আরেকটু ছাই হাতে নিয়ে উপরেরদিকেও দিয়ে দিলো আর ২/৩ প্যাচ দিয়ে বেঁধে দিলো। কোনো গিট দেয়নি, কাপড়ের ২ মাথা মুড়িয়ে দিয়েছিলো তারপরে মুড়ানো অংশটা সুতা দিয়ে বেঁধে দিয়েছিলো। হাজাম বললো ৪ দিনের দিন কাপড় খুলে ফেলবেন। ছাইটুকু ঝরে যাবে। এরপরে পানি ঠেকানো যাবেনা, শুকনা কাপড় বা টিস্যু দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে মুছে নিবেন। যদি একটু লেগেও থাকে যা মুছছে না তাহলে সেইটুক ওভাবেই থাক, কোনোভাবেই জোর করে উঠানো যাবেনা। তার আরো ২ দিন পরে নারিকেল তেল দিয়ে দিবেন একটু আর পরেরদিন গোসল করায় দিয়েন। তবে নুনুতে যেন বেশি চাপ না লাগে। খেয়াল করবেন কাঁচা আছে কি না এখনো। পুরোপুরি না শুকালে ততদিন সাবধানে থাকতে হবে একটু। মোটামুটি ১৫-১৬ দিনেই শুকিয়ে গেছিলো।

Post a Comment

0 Comments