সবাই কেমন আছেন , আমার নাম শুভ ,প্রথমে ভাবছিলাম আমার এই ঘটনা বলবো কি না পরে ভেবে দেখলাম সবাই কে বলেই দেখি সত্যি লুকিয়ে রেখে কি বা হবে, যাই হোক আসল কথায় আসি, আমি হিন্দু ঘরের ছেলে ,আমরা যে এলাকায় থাকতাম সেটা মুসলিম এলাকা গুটি কয়েক পরিবার ছিলাম হিন্দু কিন্তু দূরে দুরে ,আমার যখন আট বছর বয়স তখন আমার একটা সমস্যা দেখা দেয় , আমি যখনি প্রসাব করতাম তখন ঠিক মতন প্রস্রাব হতো না খুব জ্বালা পড়া করতো এই ভাবে বেশ কিছু দিন যাই ,কিন্তু সমস্যা টা বাড়তে থাকে তাই বাড়িতে জানাই, বাবা মা *দিদা সবাই নুনু ফোটানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু কিছুতেই ফুটছিল না, কিন্তু এই সমস্যার সমাধান কি কারো মাথায় আসছিল না , আমাদের পাশের বাড়িতে যারা থাকতেন তারা মুসলিম তারা আমার বাবা কে বললো ছেলে কে মুসলমানি দিয়ে দেন মুসলমানী দিয়ে দিলে মুন্ডির বেরিয়ে থাকবে সব সমাধান হয়ে যাবে । পাশের বাড়িতে *দিদা থাকতো যাকে ছোটো থেকে আমি দেখছি উনি আমাকে ছোটো থেকে মানুষ করছে , আমার এই ব্যাপার টা যে পুরো পাড়া তে এত জানাজানি হয়ে যাবে আমি কল্পনাও করি নি, সবাই বলছে শুভ কে মুসলমানি দিয়া দাও , মুসলমানি কি জিনিস পুরোপুরি না বুঝলেও অনেক বন্ধুর মুসলমানি হয়েছে দেখেছি কিন্তু কিভাবে করে তা জানা ছিল না অনেক দাওয়াত ও খেয়েছি আমার বন্ধু রা আর দিদি দাদারা পাশের কিছু দিদারা যখন শুনতে পেলো তারা তো কি খুশী আমাকে বলে এবার শুভর সোনা কাটবে আমি তো খুব ভয়ে ভয়ে ছিলাম কি যে হবে কিছুই বুঝছিলাম না, যাকে আমি দিদা বলি উনি আরো কয়েকবার নুনু ফোটানোর চেষ্টা করলেন কিন্ত ফুটছিল না কিছুতেই আমি খুব চিৎকার করাই উনি আর কিছু করলেন না খালি বললেন এবার আমার বাছা আসল ছেলে হবে লালগোলাপ বেরিয়ে থাকবে কতো সুন্দর লাগবে,মা তো শুনেই হাসাহাসি করতে লাগলো, মা যদিও এসব এ রাজী ছিলো না কিন্তু উপায় নাই। আমাদের বাড়ীতে সবাই আগে থেকেই দাওয়াত এর জন্য বলাবলি শুরু করে দিয়েছে ,মা খুব ভয়ে ছিল কি না কি হতে চলেছে ,
0 Comments