হিন্দু ছেলের মুসলমানি - শেষ পর্ব

হাজাম দিয়ে সবার মুসলমানি করে এই গ্রামে তাই হাজাম কে ডেকে এনেছিলো পাশের বাড়ির কাকু, হাজাম এসে বললো বাবু তোমার প্যান্টটা একটু খোলো তো দেখি কিন্তু আমি খুব ভয়ে ছিলাম মা আমাকে বললো কিছু হবে না একটু প্যান্ট টা খুলে হাজাম কাকু কে দেখা ,আমি প্যান্ট খুললাম হাজাম আমার নুনু নিয়ে নাড়া ছড়া করতে লাগলো , উনি মা কে জিজ্ঞেস করলো ছেলের নুনু কি ফুটছে না ফুটলে ফুটিয়ে নিন তারাতারি নয়তো মুসলমানি র সময় অসুবিধা হবে , দিদা পাশেই ছিল উনি বললেন ব্যাটার নুনু ফুটছে না অনেক চেষ্টা করেছি হাজাম এর অন্য জায়গাই যাওয়ার তাড়া ছিল ওইদিন সে বললো আপনারা ফুটানোর চেষ্টা করেন , ফুটলে পারে আমাকে জানাবেন , দাদী মা সবার মন খারাপ হয়ে গেলো , যদিও আমি খুশী ছিলাম মনে মনে মুসলমানি হবে না এই ভেবে আবার কষ্ট পাচ্ছিলামও প্রস্রাব না করতে পারায় , মা আর দাদী তো তখনি লেগে পড়লো দাদী হটাৎ খুব জোড়ে পেছনে এক ধাক্কা দিলো আমি তো প্রাণপণে চিৎকার করে উঠলাম দাদী বললো একটু ফুটেছে আজ কে এত টুকুই থাক, কিছুক্ষণ পরে বাবা এসে বললো বাবা নাকি ডক্টর এর সাথে কথা বলেছে ডক্টর বলেছে হসপিটালে আসলে ও এখানে অপারেশন করে মুসলমানি করতে হবে এটা ছাড়া উপায় নেই, বাবা বললো কাল কে ডক্টর এর কাছ নিয়ে যাবে অপারেশন এর জন্য , ডক্টর এর কাছে মুসলমানি করানোর কথা শুনে দাদী বাধা দিলেন বললেন কাল হাজাম কে ডেকে এনে যে করেই হোক মুসলমানি দিয়ে দিতে হবে ডক্টর এর কাছে নিয়ে যেতে হবেনা দাদী সবার বড় তাই তার কথা কেউ ফেলতে পারলো না

পরদিন সকাল সকাল দাদী আর মা আমাকে স্নান করালো গরমের দিনছিল তখন ।আসলে আমাদের পরিবারের সবার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় কেউ আলাদা চোখে আমাদের দেখতো না আমার সব বন্ধু পাড়ার সবাই এসে বাড়িতে হাজির মুসলমানি বলে কথা বন্ধুরা আমাকে বলছে তোর ডগা কাটবে আজ আমি তো ভয়ে চুপ করেছিলাম ,মা কে বললাম কি করে কি করবে বলো না ব্যাথা পেলে আমি এসব করবো না , দাদী আর মা বললো কিছু ব্যাথা হবে না এটা হয়ে গেলে অনেক জিনিস পাবো আর ভালো খাবার খেতে পাবো আমি রাজি হয়ে গেলাম ওদের কথায়, সকাল ১১টা নাগাদ হাজাম এলো আমাকে সবার সামনেই উঠানে লেঙ্গটো করে বসালো পিড়িতে আর পেছন থেকে পাশের বাড়ির কাকু আর বাবা ধরে থাকলো আমাকে ,হাজাম যেন কি সব বললো তার পর একটা কাঠি দিয়ে নুনুর ভেতরে খুঁচা দিলো কাঠি ঠিক মতন না ঢোকায় বললো ছেলের নুনু ফোটেনি ঠিক মতন এই বলে নুনু ফোটানোর চেষ্টা করতে লাগলো একটু সামান্য ফুটলে হাজাম কাঠি দিয়ে মাপ নিল আর চিপটা দিয়ে দিয়ে সামনের চামড়া টা আটকে দিলো হাজাম বললো ছেলের চোখ ধরো আমার চোখ কাকু চেপে ধরে থাকলো হাজাম তার আগেই ব্লেড আর কাপড় বের করে রেখেছিল কাকু চোখ চেপে ধরতেই হাজাম জোরে একটান দিলো ব্লেড দিয়ে আমি তো খুব জোরে চিৎকার করে উঠলাম, চোখ খুলতেই দেখি হাজাম কাটা জায়গাই কাপড় বাঁধছে আর ছাই দেই,আমি ব্যাথা থে ছটফট করছিলাম ,মা দিদা সবাই ঘরে ছিল আমাকে কাকু কোলে করে ঘরে নিয়ে গিয়ে শুয়ে দিল আর দিদা আর মা পাখা দিয়ে হাওয়া করতে লাগলো আর বললো ছেলে আমার আসল ছেলে হলো , ঘা শুকাতে বেশ কয়েক দিন সময় লাগলো গরমের দিন ছিলো তাই, দিদা মা সবাই খুব যত্ন করেছে এই কদিন আমার , বন্ধুরা, দিদিরা তো আমকে কাটা নুনু বলে রাগাতো আমিও খুব রেগে যেতাম প্রথম প্রথম পরে যদি রাগটাম না ,এই সব এর মাঝে কাউকে দাওয়াত দেই নি বলে সবাই বলছিলো শুভ তোর তো মুসলমানি হলো দাওয়াত দিলি না তো , মুসলমানি হবার ১৫দিন মতোন পরে একটা ছোটো দাওয়াত এর ব্যাবস্থা করি সবাই খুব মজা করে অনেক এ আমার মুসলমানি দেখতে চাই তাই ইচ্ছা না থাকলেও তাদের দেখাতে হয় , তবে আমরা সবাই খুব আনন্দ করেছিলাম ,আমাদের ধর্মে এই সব মুসলমানি জিনিস নেই তবে এখন অনেক কেই দেখি আমার মতন প্রস্রাব এর সমস্যার এর জন্য মুসলমানি করেছেন ।তোমাদের কেমন লাগলো আমার জীবনের এই ঘটনা , যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি তার জন্য দুঃখিত।

Post a Comment

0 Comments