বিঃদ্রঃ নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ হয়েছে। এজন্য দেওয়া হয়নি।
আমার মুসলমানি করা হয়েছিল কিছুটা ছোট বয়সেই, হাজাম দিয়ে। তবে ব্যাপারটা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এমনকি করানোর আগ পর্যন্ত জানতাম না যে আজ করবে মুসলমানি। কোনো এক ডিসেম্বর মাসে করা, ফাইনাল পরীক্ষার পরের ছুটিতে। হাজাম বেশ সকাল সকাল আসছিলো, এসে বললো ফজর পড়েই চলে আসলাম। আপনাদের পোলাডারে সকাল সকাল মোসলমান বানায়ে যাই। যদিও তার নাকি এতো সকালে আসার কথা ছিল না, এসে যখন গেছে আর কি করার।
বাড়িতে সবাই তখন উঠেনি, বাড়ি বলতে বাড়ির সাথে লাগানো বাড়ির আত্মীয়রা। মানে চাচাদের বাড়ি। এতো সকালে আব্বু কাউকেই আর উঠলেন না, যে শীতের মধ্যে কষ্ট করবো না। শুধু নিজেদের বাড়ির, অর্থাৎ আম্মু ভাই ভাবি বোন এদের জাগালেন। তখন জানলাম যে এখন আমার মুসলমানি করানো হবে। যাই হোক আমি তেমন ভীতু ছিলাম না তাই বেশি ভয় পাই নি, যেটুকু পেয়েছি সেটাও বাইরে আসতে দেয়নি।
এরপরে একটা গামছা পরিয়ে আনা হলো, দাঁড়িয়ে থাকলাম আর ভাই পিছন থেকে ধরে থাকলো আমাকে। কিছুক্ষন পরে একটু ব্যাথা লাগার কারণে একটু নড়ে গেছিলাম কিন্তু তখন খাৎনা করা হয়ে গেছে। হাজাম নুনু উল্টিয়ে কি যেন দেখে বললো নড়ার কারণে চামড়া খুব কম কাটা হয়েছে। সামনের ঝুলঝুলে যেটুকু শুধু ঐটুক কাটছে, অর্ধেকের বেশি মাথা বের না হলে মুসলমানি হয়না। আব্বু বললো এই অবস্থায় উল্টায় দিলে হবেনা ? হাজাম বললো এখন হয়তো হবে কিন্তু কয়েক বছর পরে আবার আগের মতো হয়ে যাবে।
এবার আমাকে পুনরায় করার জন্য বসানো হলো, এবার ব্যাথা আরো বেশি লাগছিলো কারণ কাটা চামড়া নাড়াচাড়া করে রেডি করতেছে আবার কাটতে। তবে এবার সঠিক পরিমান কেটে দিয়ে বাসার মানুষদের বললো যে এই দেখেন এবার চামড়া পিছনে না বটে দিয়েই অর্ধেক মাথা বেরিয়ে গেছে। এবার উল্টায় দিলে পুরোটা বের হয়ে থাকবে, আর সমস্যা হবেনা। এরপরে পোড়ামাটি আর কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে বিদায় নিলো।
হাজাম চামড়ার টুকরো ২টাই রেখে চলে গেলো। আমাদের এলাকায় একটা প্রবাদ ছিল যে মুসলমানির কাটা চামড়া পুকুরে নদীতে ফেলে দিতে হয় তাহলে যদি বড় মাছ সেটা খেয়ে ফেলে তাহলে সেই ছেলের লিঙ্গ ও সুন্দর আর বড় হয়। অথবা যদি কারো ভয় থাকে ছোট মাছ খাবে তাহলে তারা হয় পুঁতে ফেলে নয়তো চুলার ভিতরে দিয়ে দেয়।
পরে দিন হলে সবাই জন্য যে হাজাম খুব ভোরে এসে মুসলমানি করিয়ে গেছে।
0 Comments