ছোট বয়সে খাৎনা

আমার মুসলমানি বেশ ছোটবেলায় করা হয়, ৪ বছরের আশেপাশে ছিল বয়স। মুসলমানির ব্যাপারটা তেমন বুঝতাম ও না, আবার কিছুই জানতাম না তাও না। বাবা-মায়ের কোনো ইচ্ছা ছিল না এতো কম বয়সে করানোর। কিন্তু আমার একমাত্র মামা তখন ছিলেন নিঃসন্তান, আমাকে ছেলের মতোই ভালোবাসতেন। তিনি বিদেশ চলে যাবেন তাই বলছিলেন যে আবার কবে দেখতে পাবো নাকি নসিবে সেটা হবেনা কিছু তো বলতে পারছি না। যদি ভাগ্নের মোসলমানি করে যেতে পারতাম তাহলে ভালো লাগতো। আব্বা আম্মা আর উনার আবদার ফেলেন নি, করা যেহেতু লাগতোই তাহলে এখনই না হয় করে ফেলি। 

ফুপির ২ ছেলের ও করানো হয়েছিল আগেই তাই উনার অভিজ্ঞতা ছিল। সেই কারণে উনি ফুটানোর ব্যাপারটা জানতেন, আর দাদি, আম্মা এনারাও জানতেন তবে মাথায় আনেনি। ফুপির জানানোর পরে মাথায় আনে, কিন্তু চেষ্টা করে দেখে ফুটেনা একটুও। দাদি অনেক চেষ্টা করে, তেল দিয়েও করে কিন্তু খুব সামান্য মাথা দেখা যায় পুরো আর ফুটে না। 

ফুপি বললেন অত চিন্তার কিছু নাই, হাজামরে সামনে বসায় দিলে যা করার উনি করে নিবে। ফুটলেও করতে পারবে, না ফুটলেও। আমার বড়োটার ফুটতো না, ছোটটার ফুটতো। কোনো সমস্যাই হয়নি, ছোটটাকে আগে করলো। ভাবলাম বড়টার ফোটেনা মনে হয় কত কি সমস্যা হবে। কিন্তু কিসের কি সমস্যা, ছোটটার থেকেও অর্ধেক সময়ে করে দিলো। বসায়ে নুনুটা ধরে কাঠি দিয়ে কি করতে করতেই কখন যেন ক্ষুর দিয়ে টান মেরে দিলো, চোখের পলকে ব্যান্ডেজ ও শেষ। একটু কান্নাকাটি করছিলো তবে তেমন কষ্ট ও হয়নি, রক্ত ও যায়নি। 

হাজামকে খবর দেওয়া হলে তিনি নির্ধারিত দিনে চলে আসেন। হাজাম চেয়ারে বসে পান চিবুচ্ছিলেন আর বাড়ির গুরুজনদের সাথে কথা বলতেছিলেন। আমাকে উনার কাছে নেওয়া হলে আমার সাথেও কথা বললেন আর একটা গামছা পরিয়ে আনতে বললেন। সবাই জানতে চাইলো দাঁড়িয়ে নাকি বসে করবে। উনি বললেন দাঁড়িয়েও না বসিয়েও না, অন্যভাবে করবোদেখেন খালি। এবার হাজাম চেয়ারে ২ পা সাইডে করে বসে আমাকে মাঝখানে এসে দাড়ায়ে নিয়ে নুনু ফুটিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন, আর নুনুর অবস্থা দেখলেন। এরপরে ইনজেকশন দিয়ে দিলেন। কিছুক্ষন নুনু ডলতে থাকলেন আর আমাকে ডলতে বললেন। এরপরে প্রস্রাব করে আসতে বললেন। 

এবার পা সোজা করে বসে আমাকে উনার পায়ের উপরে আড়াআড়ি ভাবে শোয়ালেন। পাশে ছোট টুলে উনার ব্যাগ ছিল। হাজামের কোলে শুয়ে থাকলাম, তবে কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। এবার নাম, বাবার নাম, দাদার নাম, কালেমা পড়াতে লাগলেন। কিছু গল্প আর মজার মজার কথা বলতে লাগলেন, কিন্তু কখন হয়ে গেলো আমি কিছুই বুঝলাম না। 

আমাকে এবার নামায় দিলেন নিচে। এরপরে কেটে ফেলা চামড়াটা কাপড়ে বেঁধে আমার কব্জিতে বেঁধে দিলো হাজাম। তখন জানছিলাম না ওটায় কেটে ফেলা চামড়া ছিল, পরে জানছি। 

হাজাম এবার কিছু কথা বললেন নামাজ, রোজা, বাপ-মা এর ভাত কাপড় দেওয়া, বিয়ে এইসব নিয়ে কিছু। ব্যাথা লাগছে কিনা জানতে চাইলে জানালাম যে লাগেনি। এরপরে মুরব্বিদের কাছ থেকে দোআ নিতে বললেন আর তারপরে আব্বা আর মামা আমাকে বাড়ির ভিতরে নিয়ে গেলো। 

Post a Comment

0 Comments