পরবর্তী দিন সিদ্ধান্ত নিলাম যে করা হবে কিন্তু কলকাতার দিকে না, এমনকি আমাদের স্টেট এর ভিতরেও না। সিদ্ধান্ত হলো আসাম এ ঘুরতে যাওয়ার ছুটি নিয়ে আর ওই সময়ে করা যাবে।
আসামের মুসলিম ডাক্তারের কাছে এপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো টেলিফোনে আর গেলাম আমরা আসামে।
ডাক্তার কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে দিলে সেটা করলাম আর রিপোর্ট দেখালাম। উনি সব দেখে পরের দিন ডেট দিয়ে দিলেন।
হোটেলে রাত্রে ওকে বললাম যে সকালে কিন্তু আমাকে একটু বেশি সার্ভিস দিবি। যাতে এতদিনের না করার আগে ভালোমতো করে নিতে পারি।
আর সকালে বেশি সার্ভিস দিলে অপারেশন এ রিস্ক থাকবেনা, অসময়ে কোনো ভাবেও দাঁড়াবে না। একদম নিরাপদ থাকবো।
সে : আচ্ছা দিবানি বেশি বেশি আর এরপরে তোর কাটা ঘা না শুকানো পর্যন্ত আমাকে তোর মা বা বোন হিসেবে কল্পনা করিস তাহলে তোর বাবু নেতিয়ে থাকবে।
আমি : তোর সব কিছুই সুন্দর কিন্তু মাঝে মাঝে মুখ দিয়ে যা বের হয় সেগুলা নিয়েই যত চিন্তা। কবে গেলে কারো সামনে বাড়িতে কি না কি বলে ফেলিস ভুল করে।
সে : আচ্ছা বাবা সরি, রাগ করিস না। আমি এমনি মজা করে বলছি। আসলেও তো তোর ঘা শুকানোর আগে অব্দি চেষ্টা করতে হবে যাতে সমস্যা না হয়।
এরপরে সকালে যেই কথা ছিল তা অনেক সময় নিয়ে মোট ৩ বার করে মোটামুটি নিস্তেজ করে নিলাম যাতে ঝুঁকি না থাকে আর।
অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে ডাক্তার করে দিলো খাৎনা। এক দুই বার হালকা ব্যাথা পেয়েছি কিন্তু আর কোনো সমস্যা হয়নি।
কিছু ওষুধ, মলম দেওয়া হলো সেসব নিয়ে হোটেলে চলে আসি আমরা। ডাক্তার বলেছিলো যে আর আসার দরকার নাই। হালকা গরম জল করে ৪ দিনের মাথায় ব্যান্ডেজটা মৃদুভাবে সময় নিয়ে তুলে ফেলবেন। সেলাই একই চামড়ার সাথে মিশে যাবে।
কয়েকদিন একটু সমস্যা হবে ভাবলেও তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। ও বললো যে এখন তোর নিচে কিছু পরার দরকার নাই। এভাবে থাকে তাহলে কাটা জায়গায় জামা কাপড়ের ছোয়া লেগে কষ্ট পেতে হবেনা।
৪ দিনের মাথায় ও গরম জল ঢেলে ঢেলে খুব যত্ন নিয়ে ব্যান্ডেজ খুলে দিলো। দেখে বললো ডাক্তার কেটেকুটে তোর *** এর চেহারাই তো পাল্টে দিয়েছে।
এরপরে মলম প্রতিদিন দিতে থাকলাম এবং ৯ দিনের মাথায় একদম ঠিকঠাক লাগছিলো। তখন আমরা ডাক্তারকে আরেকটিবার দেখায় মনের সন্দেহ দূর করতে , তিনি বলেন আর সমস্যা নেই। এবার আমরা আসাম থেকে ফেরত চলে আসি।
এর পরে আমরা প্রায় দেড় মাসের বেশি ব্রেক নিয়েছিলাম তারপরে চেষ্টা করি মেলামেশার। অনুভুতিটা তার কাছেও একটু ভিন্ন, আমার কাছেও একটু ভিন্ন অনুভূতি আর অভিজ্ঞতা। ডিউরেশন একদমই কমে গেছিলো। তবে আস্তে আস্তে অনুভূতি, ডিউরেশন সব আগের মতো নরমাল হয়ে গেলো।
এই ছিল আমার গল্প।
0 Comments