হিন্দু কাপলের মুসলমানি করা - পর্ব ২

সে : তুই কি আমাকে ছেড়ে দেওয়ার ধান্দা করছিস ? দেখ তুই আর আমি গত ৭-৮ বছর যা করছি আমার *** ফাটা ঢোল হয়ে গেছে। ছেড়ে দিলে সোনাগাছিতে সেটেল হতে হবে। 

আমি : আরে যা বলছি আগে শুনবি তো, খালি বকর বকর করেই যাচ্চিস। আমি মজা করছি না একটুও। 

সে : আচ্ছা আচ্ছা বল বল কি সমস্যা। 

আমি ওকে আমার উপর থেকে নামিয়ে পাশে রেখে বললাম এই দেখ এটা যখন দাঁড়ায় তখন এই চামড়াটুকু পিছনে এসে মুন্ডি বের হয় তারপরেই তো করি। কিন্তু কিছুদিন মুন্ডিটা বের হতে একটু কষ্ট হচ্ছে হয়তো তুই বুঝিস নি। আর এই চামড়ার ভিতরে ময়লা জমতেছে অনেকটা যা পরিষ্কার করা লাগে প্রতিদিন, বেশিদিন জমলে ইনফেকশন হয়েও যেতে পারে।

ওর মুখে বেশ চিন্তার ছাপ উঠলো আর বললো কবে থেকে এই সমস্যা ? ডাক্তার দেখা তাড়াতাড়ি। 

আমি : ডাক্তার দেখাইছি, বলছে সমস্যা এখনো হয়নি। তবে এই চামড়া বেশি টাইট হয়ে গেলে পেচ্ছাপ বের হতেও সমস্যা হবে আর সে* করতেও। তবে সলুশন আছে কিন্তু.........

সে : কিন্তু কি ?টাকার সমস্যা না অন্য কিছু ? অনেক খরচের কিছু ?

আমি : সেরকম কিছুই না। আচ্ছা মুসলমান ছেলেদের ছোটবেলায় এটার মাথার চামড়া কেটে ফেলে জানিস ?

সে : না জানার কি আছে ? আমাদের পাশের বাড়িতে ভাড়া থাকা আঙ্কেলের ছেলেকেও তো করলো, সে কি কান্না।

আমি : ডাক্তার বলেছে আমাকে ওটা করতে হবে, ওটা নাকি এক ধরণের অপারেশন। ওরা বাড়িতে যেমন হুজুর ডেকে কাটায় তেমন এটা হাসপাতালেও করে ব্যাথামুক্তভাবে।

সে : কিন্তু আমরা তো অন্য কমিউনিটি বা ধর্ম বিলং করি। 

আমি : ডাক্তার বলছে এটা আসলে একটা মেডিক্যাল জিনিস, ধর্ম বিষয় না।  খ্রিস্টান, ইহুদি এমনকি অনেক হিন্দুরাও নাকি করায়। এতে নাকি কোনো সমস্যা হয়না। পরিষ্কার থাকে আর অসুখ বিসুখ এর ও সম্ভাবনা থাকেনা। 

সে : এবার ও নিজে পুল ব্যাক করে দেখলো সহজে যাচ্ছে, বললো কি ঠিক ই তো আছে। 

আমি : নাড়াচাড়া দিয়ে দাঁড় করা আর পুরোটা সময় দেখ তাহলে বুঝবি। 

সে : আবার লাগানোর ধান্দায় আছিস ?

আমি : মোটেও না, তুই ওভাবে পর্যবেক্ষণ না করলে বুঝবি না। 

সে আবার সেটাই করলো আর নিজেও বুঝলো যে চামড়াটা পিছনে আসতে একটু বাঁধছে। 

সে : আসলেও তো বাঁধছে। 

আমি : এখন বাধলে তাও চালিয়ে নিতে পারছি কারণ না দাঁড়ালে তখন বাধে না। কিন্তু কয়দিন পরে অমন হয়ে গেলে খুবই সমস্যা হবে। 

সে : আচ্ছা এটা করলে কতদিন লাগবে ঠিক হতে ?

আমি : ডাক্তার বলছে ৭-১০ দিন এ ঠিক হয়ে যাবে আর ১.৫-২ মাস পর থেকে সে* করা যাবে। 

সে : বড় সমস্যা বাধার আগেই করে ফেল। 

আমি : কিন্তু বাড়িতে জানলে আবার কি ভাববে। 

সে : বাড়িতে কেন জানবে ? বাড়িতে যেয়ে ল্যাংটা হয়ে ঘুরবি সবার সামনে ? আর আমিও কাউকে বলবো না। কোনো রোগ বাধাস না, করে ফেল। 

আমি : তোরা মেয়েরা পেচ্ছাপ করার পরে জায়গাটা খুব যত্ন করে ধুয়ে নিস এজন্য অনেক রোগ বালাই থেকে বেঁচে যাস। যদি আমিও এমন করতাম তাহলে আজ এই দিন দেখা লাগতো না। 

সে : যা হওয়ার হয়ে গেছে, ওসব ভেবে লাভ নাই। এরপর থেকে তুই ও ধুয়ে পরিষ্কার রাখবি। আচ্ছা তোর এটা তো স্যালুট করতেছে। আমিও ওর স্যালুট গ্রহণ করে তারপরে ঘুমাই। 

আমি : তখন বললি আমি লাগানোর ধান্দায় আছি, এখন দেখি তোর খাই খাই ভাবটাই বেশি। 

সে : তোর মন ভালো করার জন্য নিজে থেকে বললাম আর অমনি খা**** হয়ে গেলাম। না বললে ঠিকই নিজ থেকেই আবদার করতি।  যা সর, বলে ধাক্কা দিলো। 

এর পরের আলাপ আলোচনা কথা বার্তা ব্যাক্তিগত, পরবর্তী সময়ের ঘটনাটা যাই এবার।


Post a Comment

0 Comments