নমস্কার। আমার নাম যেটা আইডিতে দেখছেন এটাই আসল নাম। আপনাকে গল্প পাঠাবো বলে ফেক আইডি খোলার চেষ্টা করছি কিন্তু ব্যান করে দিচ্ছে। গল্পটা পুরোটা লেখে দিলাম, যদি আপনার ভালো লাগে শেয়ার করবেন। যদি প্রমান দরকার হয় শর্ট টাইমের ভিডিও কলে দেখে নিতে পারেন মুখ বাদে।
কাহিনী : আমার নাম দেখে বুঝছেন ধর্ম কি এবং আমাদের ধর্মে এধরণের কিছুই নেই। সেই বাবদ আমার নুনু ও চামড়া সহ ছিল। আমার বিয়ে হয়েছিল খুব ছোটবেলায়, বলতে পারেন পুতুল খেলার সঙ্গী থেকে জীবনসঙ্গী । পরে মোটামুটি যখন থেকে আমাদের শরীরে যৌবন আসছে তখন থেকে আমরা সেক্স করি। প্রথমদিকে সেফ টাইম আর প্রটেকশন(খুব কম) নিয়ে করতাম। মোটামুটি স্পার্ম ধরে রাখার উপরে কন্ট্রোল এসে যাওয়ার পর থেকে কখনো প্রটেকশন ব্যাবহার করা লাগেনি।
হয়তো এই কারণে কম বয়সে পেনিসটা বেশ মোটা হয়ে গিয়েছিলো। লম্বা খুব বেশি ছিল না, ৫.৫-৬ এর মধ্যেই। মনে হচ্ছে গল্প অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে, এর থেকে বরং আসল ঘটনায় আসি।
আমার বয়স যখন ২৩ এর মতো তখন এর ব্যাপার এটা। চাকরিসূত্রে দূরে থাকতাম ফ্লাট ভাড়া নিয়ে, সন্তান ছিলোনা তখন। ইচ্ছা করেই নেইনি ক্যারিয়ার এর কারণে। আমরা সে* লাইফ এ খুব সন্তুষ্ট এবং সুখী ছিলাম।
সমস্যা শুরু হলো যখন দেখতাম যে প্রায় ই চামড়াটা আগের মতো সহজে পিছনে আসেনা আর ভিতরে সাদা সাদা কি যেন জমতো, অনেকটা দুধের ছানার মতো দেখায় তবে বাজে গন্ধ অনেক।
এজন্য সেক্স এর আগে বাথরুমে যেয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতাম যাতে ও কিছু বুঝতে না পারে, কিন্তু এভাবে একটা রোগ পুষে রাখলে সমস্যা তাই ইউরোলজিস্ট দেখানোর সিদ্ধান্ত নেই।
ইউরোলজিস্ট সব শুনে আর দেখে বলে এটা রোগ বললেও চলে না বললেও চলে। কারণ আপনার ফোরস্কিন এখনো পুল ব্যাক করানো যাচ্ছে তবে একবার টাইট হয়ে গেলে তখন খুব মুশকিল হবে। সমাধান একটাই আছে তা হলো সরকামসিশন।
বুঝতে না পারলে বললো আপনার কোনো মুসলিম বন্ধু আছে ? তাদের ছোটবেলায় ওখানে কিছু করে এটা জানেন ? এটা সেটাই।
শুনে কিছুটা ঘাবড়ে গেলাম, আর জানালাম আমি তো হিন্দু আর এখন বয়স ও অনেক আমার। হয়তো খুব দ্রুত বিয়েও করতে চলেছি আর এসব কি বলেন।
ডাক্তার জানালো যে এটা একটা মেডিকেল সার্জারি, এর কারণে আপনি মুসলমান হয়ে যাবেন না। এটা খ্রিস্টান, ইহুদিরাও করে এমনকি অনেক হিন্দুরাও করে যাদের চামড়াটা টাইট হয়ে যায় একদম। এতে করে পুরুষাঙ্গ পরিষ্কার থাকে আর পারফরম্যান্স ও ভালো ছাড়া খারাপ হবেনা। সেদিনের মতো আর কিছু আলাপ আলোচনা শেষে বিদায় নিলাম।
এবার ভাবলাম বৌকে জানানো দরকার । তাই সেদিন রতিক্রিয়া শেষে ওকে বললাম তোকে না কিছু বলার আছে কিভাবে যে বলি বুঝছি না।
সে : দুনিয়ার সবচেয়ে গোপন কাজ করে তোর উপরে ল্যাংটো হয়ে শুয়ে আছি আর তুই ও। শরীরে কোনো পোশাক নাই, গোপন আর কি আছে ? গোপন রোগ বাঁধিয়েছিস নাকি ? মেশিন পত্র তো মাত্রও দেখলাম সব ঠিক আছে, ফোঁড়াটোরা হইছে নাকি পিছনে নাকি ?
আমি : সেরকম কিছু না, আমার কি আজেবাজে কোথাও যাওয়ার স্বভাব নাকি যে ওসব হবে। ব্যাপারটা বলতে কেমন লাগছে। তুই ই বা কিভাবে নিবি তাও বুঝছি না। তবে ব্যাপারটা বেশ সিরিয়াস ই।
0 Comments