একটা দুইটা পিঁপড়ার কামড়ের মতো লাগতে পারে, শুধু এইটুকুই। আম্মু মাথার কাছে দাঁড়িয়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন, আম্মুর বান্ধবীও আমার কাছে ছিলেন আর আমার গালে হাত রাখছিলেন। প্যান্টটা খুলে নেওয়া হলো আর উনি প্যাকেট থেকে কি কি যেন বের করতে থাকলেন। তখন শুধু তুলাটা চিনেছিলাম, আর গুলো বুঝিনি। এবার উনিও বললেন যে একটুও ভয় পাবনা, আমি তোমাকে দেখাবো যে কি কি করছি। এবার উনি উনার কাজ শুরু করে দিলেন, প্রথমদিকে একটু ব্যাথার মতো লাগলো তারপরে উনি কি কি করতে থাকলেন কিন্তু তেমন কিছু বুঝলাম না। ৪কালেমা পড়তে বলছিলেন উনার সাথে সাথে। উনি একটু পরে বললেন তুমি কি ভয় পাচ্ছ? আমি বললাম না, কিন্তু কণ্ঠ একটু ভারী হয়ে গেছে তাই উনি কিছু একটা আন্দাজ করে বললেন আমি কিছু করিনি এই দেখো বলে আমাকে শোয়া থেকে উঁচু করিয়ে দেখালেন। দেখলাম উনি ২ দিকে তুলা দিয়ে নুনু চেপে রাখছেন আর নুনুর সামনের দিকটার চামড়া নেই, তবে কাটা যে হয়ে গেছে তখনো বুঝিনি। এরপরে আবার শুয়ে পড়লাম আর উনি উনার কাজ করতে লাগলেন। একটু পরে কাজ শেষ হয়ে গেলো। এবার উনি আম্মুকে বললেন যে এবার একটু রেস্ট করুক ও, বসে বা শুয়ে থাকুক কিন্তু স্থির থাকুক। মিনিমাম আধা ঘন্টা পরে বাড়িতে নিয়ে যেও, এখনই নড়াচড়া করলে কিন্তু আবার রক্ত পড়তে পারে। উনি চলে গেলেন, আম্মুর শিক্ষিকাও চলে গেলেন। এবার আম্মু বেঞ্চের নিচে তার ব্যাগটা দিয়ে দিলেন বালিশের মতো যাতে হয় আর বললেন যে শুয়ে নাকি বসে থাকবো। আম্মুর বান্ধবী বললেন বসে থাকলে আমি চেয়ার নিয়ে আসতেছি একটা, আমি বললাম যে না থাক আমি এভাবেই থাকি। আম্মু এবার আব্বুকে বললেন যে স্যার তো কোনো টাকা পয়সা নেয়না, তুমি বাইরে যেয়ে মিষ্টি কিনে আনো, উনার জন্য ও , আর বাকি কিছু টিচার , স্টাফ আছে উনাদের জন্য ও। আব্বু চলে গেলেন, তখন আম্মু আর উনার বান্ধবী পাশেই গল্প করতে লাগলেন বসে আর আমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলেন। আমি আম্মুকে বললাম যে উনি আমাকে উঠিয়ে তখন দেখালেন কেন, আম্মু বললেন যে যাতে তুমি ভয় না পাও এজন্য দেখালেন। আমি বললাম যে মুসলমানি কি তার পরে করছে ? এবার আম্মুর বান্ধবী হাসতে হাসতে বললেন না আব্বু, উনি তোমার নুন্টুপুঁটু তখন তুলো দিয়ে ধরে ছিলেন না ? আমি সায় দিলাম হ্যা বলে, উনি বললেন তখনি আসলে তোমার নুন্টুপুঁটু কুচুকুচু করে দিয়েই তুলো দিয়ে ধরছিলেন। আম্মু সেই আন্টিকে একটু ধমক দিয়ে বললেন ছোট মানুষের সামনে কি বলিস এইসব, ভয় পাবে শুনলে। উনি বললেন আর ভয় পাবে না, কাটুস কুটুস করা শেষ বলে আবার হাসতেছিলেন, এরপরে আমার গাল ধরে বলছিলেন যে তোর বাচ্চাটা অনেক বেশি কিউট। কপালে থাকলে আমার জামাই বানাবোনি বলে আবারো হাসতে লাগলেন, এবার আম্মুও একটু হাসছিলো উনার সাথে। আম্মু বললেন যাক আমার আব্বুটা পরিপূর্ণ মুসলমান হয়ে গেলো, কষ্ট ও হয়নি একটুও । স্যার আসলেই অনেক অভিজ্ঞ। আম্মুর সেই বান্ধবী বললেন স্যার এর তো হাত পাকা বুঝলাম দেখেই কিন্তু আমার ভয়ে বুক কাঁপতেছিলো অনেক। জীবনে এইটা করতেও দেখিনি আগে, এই প্রথম দেখলাম। আম্মু বললো আমার ও কাটাকাটি সহ্য হয়না, একবার ভাবছিলাম কাজের সময় চোখ ঐদিকে দিবোনা। পরে ভাবলাম নিজের বাচ্চার কাজ নিজের সামনে হোক এইটাই ভালো তাই সাহস করে তাকিয়েছিলাম। স্যারের ব্লেড চালানো দেখে ভাবছি আব্বু কি চিল্লায় ওঠে কিনা এখনই, সেইভাবে প্রস্তুত হইছিলাম কিন্তু কিছু টের ই পায়নি।
আমি জানতে চাইলাম যে আম্মু ব্লেড দিয়ে কি? এবার আন্টি বললেন দেখ আমাকে মানা করলি না বলতে আর নিজে বলা শুরু করলে পেট থেকে সব বের হয়ে যায়। আম্মু কি বলবে ভেবে পাচ্ছিলোনা, একটু বিব্রত লাগছিলো। তখন সেই আন্টি সরাসরি বলে ফেললেন আব্বু ব্লেড দিয়ে উনি তোমাকে মুসলমানি করিয়ে দিয়েছেন, নুন্টুপুঁটু থেকে অল্প একটু চামড়া কেটে দিলেই মুসলমানি হয়ে যায়। আমি বললাম যে হ্যা আমি জানি। উনি বললেন, ওই তো ঐটাই করছেন। কয়েকদিন একটু সাবধানে থাকবা তাহলে নুন্টুপুঁটু ঠিক হয়ে যাবে তখন আবার দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি ও করবা।
আব্বু ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসলো মিষ্টি, আমার জন্য চকলেট চিপস সহ। এবার মাদ্রাসার সবাইকে মিষ্টি খাওয়ালেন আর আমিও চিপস খেতে থাকলাম। এর বেশ কিছুক্ষন পরে বাড়িতে ফেরত আসি। আসলেই আম্মুর কোনো বাড়তি কষ্ট হয়নি আমার জন্য। উনি যেই তুলো আর গজ বেঁধে দিয়েছিলেন সেটা ৫ দিনের দিন গরম পানিতে ডেটল মিশিয়ে আস্তে আস্তে ঢালতে ঢালতে খুলে ফেললেন। ব্যান্ডেজ চামড়ার সাথে একটু মিশে গেছিলো তাই খুলতে একটু একটু কষ্ট হচ্ছিলো, আব্বু আম্মু তাড়াহুড়ো না করে বেশ সময় নিয়ে ধীরেসুস্থে খুললো। এরপরে শুকায় যেতে আর বেশি সময় লাগেনি মাত্র ১ সপ্তাহ পরেই প্যান্ট পড়তে পারছিলাম।
এই
ঘটনা ২০০৭ এর, এর
পরে আমার একটা বোন হয়েছিল আর পরে একটি ভাই।
ভাইয়েরটাও আম্মুর সেই স্যার ই করছেন। বর্তমানে আমিও বিবাহিত।
আম্মু যেমন কম বয়সে
মা হয়েছিলেন তেমনি এখন কম
বয়সে শাশুড়ি হয়ে এবার দাদি হওয়ার পথে। আল্ট্রাসোনো
এর রিপোর্ট অনুযায়ী ছেলে হবে। তবে আমার স্ত্রী আম্মুর সেই বান্ধবীর মেয়ে না। আমাদের এলাকার একজন ইমাম সাহেবের মেয়ে।
যদি ছেলে সুস্থ
সবল থাকে তাহলে হয়তো সেই শিক্ষক এর কাছেই করানো হতে পারে। আম্মুর থেকে শুনছি তিনি এখনো
সেখানে কর্মরত আছেন।
এটাই ছিল আমার
গল্প। ধন্যবাদ।
0 Comments